শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২১ পি.এম
ইয়েমেন থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তারা কিলোমিটার পর কিলোমিটার হেঁটে যাচ্ছে, শুধুমাত্র পরনের কাপড় নিয়ে।
এ পরিস্থিতিতে, দেশটিতে বর্তমানে ‘ভয়াবহ সংকট’ চলছে বলে সতর্ক করেছেন নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের (এনআরসি) একজন মানবিক সহায়তাকর্মী। আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এনআরসির কর্মী অ্যালিসন বটমলি উল্লেখ করেন, পরিস্থিতির অবনতি শুরু হওয়ার পর অনেকেই কোনো সম্পদ ছাড়াই তাদের ঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, বহু পরিবার গভীর রাতে, শুধুমাত্র পরনের কাপড় নিয়ে, বাড়ি থেকে বের হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার হেঁটে যাচ্ছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুতির কারণে প্রয়োজনীয় সহায়তার সংকটও দেখা দিয়েছে।
বটমলি বলেন, অনেক পরিবার রাতের বেলায় গাছের নিচে ঘুমাচ্ছে। স্থানীয় জনগণ সহযোগিতার চেষ্টা করলেও, বাস্তুচ্যুত প্রত্যেক মানুষের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আশ্রয়, পানি ও খাবারের প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা আসিয়ান কাপে গ্রুপ 'বি'-এর একটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন মুখোমুখি হয়। জমজমাট লড়াইয়ে ভিয়েতনাম ফিলিপাইনকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩০ মিনিট পর খেলা শুরু হলেও মাঠের উত্তাপ একটুও কমেনি।
ম্যাচটি ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এর ঐতিহাসিক সি জালাক হারুপাত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। খেলার ২৩তম মিনিটে ফিলিপাইনের স্নাইডারের একটি শক্তিশালী শট ভিয়েতনামের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। গোলবারের কল্যাণে ভিয়েতনাম নিশ্চিত গোলের হাত থেকে রক্ষা পায়।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ভিয়েতনামের উইঙ্গার নগুয়েন দিনহ বাক কোন ভুল করেননি। তিনি একটি চমৎকার শটে গোল করে দলের জন্য লিড এনে দেন। প্রথমার্ধে ফিলিপাইন বল দখলে এগিয়ে থাকলেও ভিয়েতনামের রক্ষণভাগ এবং কার্যকর আক্রমণ তাদের লিড ধরে রাখতে সহায়তা করে।
পিচ ভেজা ও কিছুটা অনুপযোগী থাকায় বলের স্বাভাবিক মুভমেন্ট কিছুটা ব্যাহত হয়। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য ছোট ছোট পাসে আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি ফিলিপাইন। ফলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয় হার নিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা শুরু করা হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।
ড. মামুন উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্ব ক্রমশ আন্তঃসংযুক্ত হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত একটি ভাষার জ্ঞান শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত সুযোগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ম্যান্ডারিন (চীনা), জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবি ভাষাসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাগত এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা। এই লক্ষ্য পূরণে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের সব বিভাগীয় অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে এসব কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বিদেশি ও স্থানীয় ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণের প্রয়োজন হবে। এই উদ্দেশ্যে ইউজিসি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। বিশেষ করে ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ভাষা হিসেবে বিবেচনা করায় চীনের দূতাবাসের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, যৌথ একাডেমিক কর্মসূচি, গবেষণা ফেলোশিপ, সামার স্কুল, একাডেমিক সম্মেলন এবং শিক্ষক-গবেষক বিনিময়ের সুযোগ লাভ করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিসি ইউনান প্রাদেশিক কমিটির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ঝাও জুনমিন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি, বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহসহ অন্যান্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি বাস উল্টে অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যখন বাসটি একটি অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমজাদের বাজার এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস যখন আমজাদের বাজার এলাকায় পৌঁছায়, তখন চালক সামনে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি সড়কের ওপর উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত ২১ জনের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার কারণে তাদের মধ্যে ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা চিকিৎসকদের মতে আশঙ্কাজনক।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, "দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বেশ কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ২১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় ১৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।"
মিঞাবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজির হোসেন জানান, "আমজাদের বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, একটি সিএনজিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে স্লোভেনিয়া এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর লড়াইটি ০-০ গোলে ড্র হয়েছে। পুরো ম্যাচ জুড়ে দুই দলই আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে অংশগ্রহণ করলেও, শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে, পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ত্যাগ করতে হয়েছে তাদের।
লুব্লিয়ানার স্টোজিচে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ফুটবল ম্যাচের প্রথমার্ধটি ছিল সম্পূর্ণ স্লোভেনিয়ার নিয়ন্ত্রণে। ম্যাচের শুরু থেকেই স্কটিশ রক্ষণভাগকে চাপের মধ্যে রাখে স্লোভেনিয়ার ফরোয়ার্ডরা।
প্রথমার্ধে স্কটল্যান্ড কিছুটা ভাগ্যের জোরে রক্ষা পায়। অন্যথায়, বিরতির আগে তারা এক বা দুই গোলে পিছিয়ে পড়তে পারত। স্লোভেনিয়া একের পর এক আক্রমণ চালালেও, ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পেতে ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায়। বিরতি থেকে ফিরে স্কটল্যান্ড সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে মাঠে প্রবেশ করে। তারা মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে স্লোভেনিয়ার ওপর ব্যাপক আধিপত্য বিস্তার করে। এই অর্ধে স্কটিশরা গোল করার একাধিক সুযোগ তৈরি করে।
বিশেষ করে, ওলি ম্যাকবার্নি এবং কিয়েরন বোয়ি দুজনেই দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন। হাল সিটির স্ট্রাইকার ম্যাকবার্নির নেওয়া একটি দুর্দান্ত শট স্লোভেনিয়ার বিশ্বমানের গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক অসাধারণ দক্ষতায় রুখে না দিলে, স্কটল্যান্ড তখনই লিড পেয়ে যেতে পারতো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ