মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সাম্প্রতিক নির্বাচনে একটি অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে বামপন্থী দল ‘দি লিংকে’ (Die Linke)। এই বিজয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন তুর্কি বংশোদ্ভূত নেত্রী এলিফ এরলপের (Elif Eralp), যা শহরের বিশাল অভিবাসী সম্প্রদায়ের মাঝে উল্লাস ও আশার সঞ্চার করেছে। এটি বার্লিনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অভিবাসী পটভূমির এবং প্রথম বামপন্থী দলের মেয়র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
বার্লিনের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে ঘরবাড়ির সংকট, আকাশছোঁয়া বাড়িভাড়া এবং উগ্র ডানপন্থী দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানির (AfD) অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের চাপ সৃষ্টি হচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে বামপন্থীদের ২৫.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হওয়াকে বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও অভিবাসীদের স্বস্তি
তরুণ ও সাধারণ আয়ের মানুষের সমর্থনে শীর্ষে আসা এলিফ এরলপ নির্বাচনী প্রচারণায় বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের অঙ্গীকার করেছিলেন।
বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ: অস্বাভাবিক বাড়িভাড়া রোধে সর্বোচ্চ সীমা (Rent Cap) নির্ধারণ এবং বড় বড় কর্পোরেট আবাসন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বাড়ি অধিগ্রহণ করা।
অভিবাসীদের ভোটাধিকার: স্থানীয় নির্বাচনে অ-নাগরিক অভিবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আন্দোলন।
সামাজিক কল্যাণ: গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা।
বার্লিনের প্রায় ৩৬ লাখ বাসিন্দার অর্ধেকের কাছাকাছি মানুষের অভিবাসী পটভূমি রয়েছে। বিশেষ করে তুর্কি ও আরব সম্প্রদায়ের মানুষ মনে করছেন, ডানপন্থীদের বিদ্বেষমূলক রাজনীতির বিপরীতে এই ফলাফল তাদের নিরাপত্তার অনুভূতি দেবে।
উগ্র ডানপন্থীদের চ্যালেঞ্জ ও নতুন সমীকরণ
একদিকে বার্লিনে বামপন্থীদের উদযাপনের আমেজ, অন্যদিকে পুরো জার্মানিজুড়ে উগ্র ডানপন্থী দল AfD শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করছে। তারা বার্লিনে ১৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে এবং জার্মানির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে নিরঙ্কুশ সাফল্য পেয়েছে।
পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় এলিফ এরলপ ও তার দল 'দি লিংকে'-কে এখন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (SPD) এবং কনজারভেটিভদের (CDU) সাথে জোট গঠন করতে হবে। বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক নীতির ক্ষেত্রে মিত্র দলগুলোর ভিন্নমত থাকায় সরকার গঠনে দীর্ঘ দরকষাকষির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
তা সত্ত্বেও, অভিবাসী ও যুবসমাজ একে জার্মানির রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবেই দেখছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার হিসেবে পরিচিত ফাইক বলকিয়াহ ২৮ বছর বয়সেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েছেন। লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়দের চেয়ে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ অনেক বেশি হলেও, মাঠের পারফরম্যান্সের অভাবে তিনি বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন। থাইল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ক্লাব রাতচাবুরির সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা নবায়ন করা হয়নি।
নতুন ক্লাব না পাওয়ার চেয়ে ফুটবল অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে তাঁর বিশাল সম্পত্তি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও এএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি মূলত ব্রুনাইয়ের রাজপরিবারের সন্তান এবং দেশটির ধনকুবের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহর ভাইয়ের ছেলে।
ফাইক বলকিয়াহর সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিপুল পারিবারিক সম্পদের কারণে ফুটবল জগতে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সবচেয়ে ধনী ফুটবলার’ হিসেবে গণ্য করা হয়। রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ রক্তের সম্পর্কের ফলে এত বিশাল পরিমাণ ধন-সম্পদের মালিক তিনি।
১৯৯৮ সালের ৯ মে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করেন ফাইক। তাঁর শৈশব ও কৈশোর ব্রুনাই ও ইংল্যান্ডে কেটেছে। পরবর্তীতে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি মাঠে নামেন। পেশাদার ফুটবলে আসার আগে তিনি বয়সভিত্তিক ফুটবলে এএফসি নিউবারি, সাউদাম্পটন, চেলসি এবং লেস্টার সিটির একাডেমি দলের হয়ে খেলেছেন।
তবে আর্থিক প্রাচুর্যের তুলনায় পেশাদার ফুটবলে তাঁর যাত্রা ছিল অত্যন্ত সাদামাটা। মূল ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি পর্তুগালের মারিতিমো এবং থাইল্যান্ডের ক্লাব চনবুড়ি ও রাতচাবুরির হয়ে খেলেছেন।
ক্লাব ক্যারিয়ার যেভাবেই হোক, ব্রুনাই জাতীয় দলের তিনি অন্যতম প্রধান তারকা ও ভরসা। দেশের হয়ে তিনি এখন পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং বর্তমানে ব্রুনাই জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলায় উপজেলা এনজিও কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, নকলা অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্রাম হোসেন, আব্দুল করিম সরকার হেলথ সেন্টারের ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক ফারহানা শিল্পী, ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক লূৎফর রহমান ও স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি (এসবিসি)-এর উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার প্রমুখ।
এসময় আসপাডা’র শাখা ব্যবস্থাপক তৌফিকুল হক মীর, বুরো বাংলাদেশের শাখা ব্যবস্থাপক কমল দাস, উদ্দিপনের শাখা ব্যবস্থাপক মো. সম্রাট মিয়া, আরডিএস’র চন্দ্রকোনা শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবু জাকারিয়া, সেবার শাখা ব্যবস্থাপক নূরুজ্জামান, উন্নয়ন সংঘের শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলাল উদ্দিন, শক্তি ফাউন্ডেশনের শাখা ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সরকার, হিউম্যান এইড এন্ড চ্যারিটি’র জেলা সমন্বয়ক আব্দুল আওয়াল, হিউম্যান এ্যাপিল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র শাখা ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন, মাটির মিনহাজুল ইসলাম ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ঊর্মি রানী দাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোহাম্মদ আশরাফুল আলমসহ ভূরদী খন্দকারপাড়া কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যাণ সংস্থা, সেকেন্ডারী ইয়ং টিচার্স এ্যাসোসিয়েশন ও ইসলামী মানব উন্নয়ন সংস্থা (ইমাউস)-এর প্রতিনিধিগনসহ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত উপজেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমিতি, সংস্থা ও বিভিন্ন এনজিও’র প্রতিনিধিগ এবং উপজেলা এনজিও সমন্বয় কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দেশ ও জাতির উন্নয়নে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ এনজিও, সংস্থা, সমিতি ও স্বেচ্ছাসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের নিজ নিজ জায়গা থেকে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে পারস্পরিক সহযোগিতা করা, সরকার কর্তৃক ঘোষিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, মাদক ও বাল্য বিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করার পাশাপাশি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ডসহ সার্বিক বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সাবেক যুবদল সভাপতি ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এনামুল আলমের নেতৃত্বে এক বিশাল মোটরসাইকেল (হোন্ডা) শো-ডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেল ৩টায় চেয়ারম্যান বাজার এলাকা থেকে শো-ডাউনটি শুরু হয়। ৫ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকরা এতে অংশ নেন। শো-ডাউনটি চেয়ারম্যান বাজার থেকে যাত্রা শুরু করে চরফ্যাশন বাজারসহ হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করে পুনারায় চেয়ারম্যান বাজারে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
শো-ডাউন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক যুবদল সভাপতি এনামুল আলম। তিনি বলেন,
"যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবং ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম নয়ন ভাই যদি আমাকে হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেন, তবে আমি এই এলাকাকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করে গড়ে তুলবো। হাজারীগঞ্জে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নসহ সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই হবে আমার মূল লক্ষ্য।"
বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচি বাদ মাগরিব চেয়ারম্যান বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়। এ সময় স্থানীয় যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী সহ হাজারীগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হিফজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ৪র্থ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর রাঙামাটি জেলা অডিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় রাঙামাটি শহরের বনরূপা এলাকায় দায়রা লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ রোডসংলগ্ন দায়রা ভবনে এ অডিশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার ২৬টি মাদ্রাসার ১৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতায় ৫ পারা হিফজ, ১০ পারা হিফজ ও হুসনে সাউত—এই তিনটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এর মধ্যে ৫ পারা ও ১০ পারা হিফজ বিভাগ থেকে মোট ২০ জনকে জাতীয় পর্যায়ের গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য নির্বাচিত করা হবে। এছাড়া হুসনে সাউত বিভাগে ১০ জন প্রতিযোগীকে ক্রেস্ট সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কো-অর্ডিনেটর আব্দুল করিম। প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ ক্বারী মোবারক আলী হোসাইনী। চিফ কো-অর্ডিনেটর ও বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ ক্বারী শাহাদাত হোসেন। বিচারক হিসেবে ছিলেন হাফেজ ক্বারী আনোয়ার হোসেন, হাফেজ ক্বারী মোহাম্মদ ইয়াসিন ও হাফেজ হাসানুল করিম।
এ সময় আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ্ এমদাদীয়া) রাঙামাটি জেলা ও জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা শাখা, দায়রা ও খেদমত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। আয়োজকদের তথ্যমতে, এ কার্যক্রমে ৯০ জনের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে।
অডিশন শেষে তিনটি বিভাগে মোট ৩০ জন প্রতিযোগীকে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৫ পারা হিফজ বিভাগে ১০ জন, ১০ পারা হিফজ বিভাগে ১০ জন এবং হুসনে সাউত বিভাগে ১০ জনকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পবিত্র কুরআন হিফজ, তেলাওয়াত ও ইসলামী শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ