০১:২৬ পি.এম
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে দেশের সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে যে, ৪৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে পৃথক অভিযানে ১২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে চালানো আরেকটি অভিযানে আরো ৩৭ জন নিহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে কিছু সদস্যকে সামরিক বাহিনী ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পাকিস্তান সরকার এই নাম ব্যবহার করছে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর জন্য।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি
পাকিস্তান সরকার দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আফগানিস্তানে থাকা নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে হামলা চালায় এবং এই বেলুচ গোষ্ঠীগুলো ভারত থেকেও সমর্থন পায়। তবে আফগানিস্তান ও ভারত উভয়েই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি একটি আলাদা সংগঠন হলেও তাদের আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহিংসতা বেড়েছে এবং এসব হামলার বেশিরভাগের জন্য টিটিপি ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হয়।
এছাড়া, পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কিন্তু সবচেয়ে কম জনবহুল প্রদেশ বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বেলুচ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিদ্রোহের কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এ সমস্ত গোষ্ঠী পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আরো বেশি স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতা দাবি করে থাকে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত থাকা বেলুচিস্তানে টিটিপি ও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীও বিভিন্ন সময় হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন