রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৪ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষের ঘটনা শুরু হয় গত (২৬ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকালে। উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার ও বকুল গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
জানা যায়, গত শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনাম ও বকুল গ্রুপের রুবেলের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে প্রথমে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের ঘরবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর রোববার সকাল সাতটা থেকে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। সকাল দশটা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এ সময় স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, পূর্ববিরোধের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এবং দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে পাবনার আটঘরিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা বিক্ষোভ মিছিলটি আটঘরিয়া উপজেলা স্টেডিয়াম মাঠ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নেতাকর্মীরা সমাবেশে মিলিত হন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আতাউর রহমান রানা কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, "দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ।" তিনি আরও বলেন, "কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।" তিনি নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের জন্য আহ্বান জানান।
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোনোয়ার হোসেন আলম কর্মসূচি পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, "দেশের জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।" তিনি উল্লেখ করেন, "রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সহিংসতা, নৈরাজ্য কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।" তিনি বলেন, "গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।"
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আটঘরিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আজহার আলী, পৌর বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন তুষার এবং উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও আতাইকুলা থানা বিএনপির অব্যয় আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম রবি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল বারি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন, মাছপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, চাঁদভা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক পাঞ্জাব আলী।
এ ছাড়া দেবোত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার হায়দার রানা ও সাধারণ সম্পাদক কাউসার হোসেন, একদন্ত ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আকুব্বর হোসেন আঁকু, মাছপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ ও রফিকুল ইসলাম রফিক এবং একদন্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের হায়ফা শহরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অমুসলিম কাদিয়ানি (আহমদীয়া) সম্প্রদায়ের ২৯তম বার্ষিক সম্মেলন মুসলিম বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণহত্যাকারী ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জে পি সিং, যারা সরাসরি অংশ নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। বিশ্বে মুসলিম নিধনে শীর্ষে অবস্থানকারী ইসরায়েল ও ভারত কর্তৃক অমুসলিম কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে 'মুসলিম সম্প্রদায়ের মডেল' হিসেবে তুলে ধরা নিয়ে বিভিন্ন ইসলামি বিশ্লেষক ও আলেম সমাজ ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর হায়ফায় অনুষ্ঠিত সম্মেলন বা 'জলসা সালানা'য় ঐতিহাসিক মদিনার সনদের দোহায় দিয়ে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে যৌথ নাগরিকত্ব, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পারস্পরিক সম্পর্ক, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধর্মের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ কাদিয়ানিদের কথিত ‘সহাবস্থান ও সহনশীলতার প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং গোষ্ঠীটিকে মুসলিম সম্প্রদায় হিসেবে তুলে ধরে মুসলিম-ইহুদি সংলাপে তাদের কথিত ভূমিকার প্রশংসা করেন। অপরদিকে, ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জে পি সিং কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তাদের নীতিকে বিশ্ব দরবারে অনুসরণের আহ্বান জানান।
প্রেসিডেন্ট হারজোগের সঙ্গে হায়ফার মেয়র ইয়োনা ইয়াহাভ, ইহুদি ধর্মীয় অনেক নেতা, শিক্ষাবিদ, নেসেটের (ইসরায়েলের পার্লামেন্ট) সদস্য, হায়ফার প্রাক্তন মেয়র এবং ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জে পি সিংসহ কয়েকটি দেশের কূটনৈতিকরা অতিথি হিসেবে সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনের পরের দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট লেখেন, "বিশ্বের আরও মানুষ যদি এই জমায়েত দেখতে পেত এবং ইসরায়েলি সমাজের এই সুন্দর রূপটি জানতে পারত!" তিনি সম্প্রদায়টির নেতা আমির মুহাম্মদ শরীফ ওদাহকে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানান।
সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, "আহমদিয়া সম্প্রদায়ের হৃদয়ে ভারত এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।" তিনি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মূল বাণী—"সবাইকে ভালোবাসো, কাউকেও ঘৃণা করো না"—উদ্ধৃত করে বলেন যে, এটি আমাদের সকলের সমষ্টিগত জীবনদর্শনের অংশ হওয়ার যোগ্য একটি নীতি।
ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বের প্রধান প্রধান ইসলামি সংস্থা এবং সর্বসম্মত আলেম সমাজ কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে তাদের মৌলিক আকীদাগত ভিন্নতার কারণে অমুসলিম হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ প্রেক্ষিতে সচেতন আলেম সমাজের মতে, ঐতিহাসিক মদিনা সনদের দোহাই দিয়ে নিজেদের আসল পরিচয় ঢেকে রাখার অপচেষ্টা চালালেও কাদিয়ানিদের ভয়ঙ্কর রূপ বরাবরই উম্মোচিত হয়েছে। ইসরায়েল ও ভারতের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এই সম্প্রদায়টির প্রকৃত প্রক্সি গোষ্ঠী হিসেবে প্রমাণ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে যেখানে ইসরায়েল ও ভারতের মুসলিমবিরোধী নীতি ও নিপীড়ন নিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যমান, সেখানে এই দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে 'আদর্শ মুসলিম প্রতিনিধি' হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রকৃত মুসলিমদের কণ্ঠস্বরকে আড়াল করতে এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই এই প্রক্সি গোষ্ঠীটিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে বিশ্বে মুসলিমদের অস্তিত্ব অস্বীকারকারী হিন্দুত্ববাদী ও জায়নবাদীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার কারণে অনেককে বঞ্চিত করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বা অপরাধে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকে, তাহলে তাকে সরকারি চাকরির জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে, প্রার্থী বা তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বা নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রার্থী ও তাদের পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করার প্রথা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও ছিল। মেধার অধিকারকে কেন্দ্র করে যে গণ-অভ্যুত্থান ঘটেছিল, তার পর গঠিত সরকারের সময়েও রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার কারণে মেধাবীদের বঞ্চিত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, মেধায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রচলিত রীতির সমালোচনা করে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, এই ব্যবস্থা ব্রিটিশ আমলের ধারাবাহিকতা। সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন দমন করতে তখন চাকরিপ্রার্থীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হতো।
স্বাধীনতার পরও এই চর্চা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, দলীয় সরকারগুলো সাধারণত গোয়েন্দা সংস্থার যাচাইয়ের মাধ্যমে বিরোধী দল ও মতের অনুসারী এবং তাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করে। একই প্রক্রিয়ায় নিজেদের লোকদের নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়। জনপ্রশাসনের দলীয়করণেও এই যাচাই প্রক্রিয়া ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গাজী আতাউর রহমান সতর্ক করে বলেন, বিএনপি সরকারও যদি আগের সরকারগুলোর মতো একই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে, তাহলে নতুন করে আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীর নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নারীরা বর্তমানে বোঝা নয়, বরং সম্পদে পরিণত হয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, "আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি, আজকে বাংলাদেশে সকল ক্ষেত্রে মেয়েরা এখন আর বোঝা নয়। মেয়েরা একটা সম্পদে পরিণত হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আপনারা দেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পাশের হার মেয়েদের বেশি। মেডিকেল কলেজে পাশের হার বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও পাশের হার বেশি। কারণ আজকালকার ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা অগ্রগামী বেশি।"
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের দালাল বাজার ফাতেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়েদের প্রতি অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে খায়ের ভূঁইয়া বলেন, "আমাদের নবী করীম (সা.) ফাতেমা (রা.)-কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। মেয়েদেরকে মানুষ ঘৃণার পাত্র না, অবহেলার পাত্র না।"
তিনি আরও বলেন, "বিগত সরকারের তো জিপিএ-৫, গোল্ডেন-৫-এর অভাব ছিল না। কিন্তু এটা কোনো কাজে আসেনি।"
দালাল বাজার ফাতেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হাছান আলী মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা (পশ্চিম) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মহি উদ্দিন পাটোয়ারী বিটু, দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু ছায়েদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ