ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানে রামলীলা মন্দির সিলগালা, প্রতিবাদ হিন্দু সম্প্রদায়ের


পাকিস্তানে রামলীলা মন্দির সিলগালা, প্রতিবাদ হিন্দু সম্প্রদায়ের

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নাগরিক সমাজ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা মন্দিরটি ভেঙে সেখানে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবার রহিম বাজার এলাকায় অবস্থিত মন্দিরটি তালাবদ্ধ করে সিলগালা করা হয়। এর আগে জনসাধারণের প্রতিবাদের মুখে সহকারী কমিশনার হামিদ সিদ্দিক ভবনটি সিলগালা করে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বাণিজ্যিক প্লাজা নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি যৌথ বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা প্রস্তাবিত নির্মাণকাজের নিন্দা জানান এবং বিষয়টি জাতীয় পরিষদে উত্থাপনের জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: কলকাতার দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু, শোকার্ত টালিগঞ্জ

সোহেল আহমেদ আজমির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাবেক প্রাদেশিক আইনপ্রণেতা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি কিশোর কুমার, সমাজকর্মী মুহাম্মদ নওমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জানান, ডেরা ইসমাইল খানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত প্রায় ৪০০টি ভবনের মধ্যে রামলীলা মন্দিরও অন্তর্ভুক্ত। তাঁরা এসব ভবন উচ্ছেদ বা ধ্বংসের যেকোনো উদ্যোগ প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী, লেখক ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক প্লাজা নির্মাণের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেখানে নির্মাণকাজের অনুমতি দিয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান এবং জেলা প্রশাসন, জাতীয় পরিষদের স্পিকার, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের পক্ষ, হুথিদের অস্ত্রদাতারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারে না: ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্তরে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে।

তিনি রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, হাসনাত আবদুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আবদুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত ঘটে, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ, ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটি প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আবদুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেন।

তিনি আরো লেখেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আবদুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করেই সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বীকার করেন যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এই লাইন যুক্ত করেছেন।

এছাড়া, ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিলো। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এই দুই জুলাই গাদ্দার।

শেষে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্তরে এভাবে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে। ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আবদুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র 'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে, ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে ' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতেই হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকেই শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা সম্পর্কে ওরা এই আক্রোশ লালন করতেই পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দায়িত্ব পেলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চান কাওসার খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক মোঃ সাকিব আহমেদ ঢাকা

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


দায়িত্ব পেলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চান কাওসার খান

আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ও গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম, খুন এবং জুলাই-আগস্টে শত শত লোকের হত্যাকারী খুনি হাসিনার বিচার কার্যকরের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোঃ কাওছার খান, সাবেক ১নং সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল—ঢাকা মহানগর পশ্চিম।”

রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি মো. কাওসার খান। দায়িত্ব পেলে এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম-খুনের অভিযোগ ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের একটি ব্যানারে কাওসার খানের নাম উঠে আসে। ব্যানারে এসব ঘটনার বিচার কার্যকরের দাবি জানানো হয়।

ছাত্ররাজনীতিতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকা কাওসার খানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা সামনে আসছে।

রাজধানীর অন্যতম জনবহুল এলাকা মোহাম্মদপুরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং তরুণ সমাজ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত হয়—এমন পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাওসার খানের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে মোহাম্মদপুরের মানুষের পাশে থেকে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবেন। সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

তবে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা, অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করা এবং দেশের সার্বিক সংকট নিরসনে রাজপথে গণআন্দোলন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দেশ বর্তমানে একটি কঠিন সময় অতিক্রম করছে। খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পরিবার—সবাই দৈনন্দিন জীবন পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আমাদের বসে থাকার সুযোগ নেই।

আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ এবং ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরের পথসভাকে ঐতিহাসিক গণজোয়ারে পরিণত করার আহ্বান জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রোববার বেলা ১১টায় খুলনার ফুলতলা উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরের পথসভার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রস্তুতি সভায় খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মুন্সী মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন।

প্রধান অতিথি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের অনিয়ন্ত্রিত ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটসহ নানামুখী সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত। সাধারণ মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। জনগণের অধিকার ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


পুলিশের ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে

দেশের বিভিন্ন ইউনিট এবং দপ্তরে একযোগে ১১ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এবং সহকারী পুলিশ সুপারও রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন রবিবার (১৮ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে জারি করা হয়েছে।

আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায়, ২৮ অক্টোবর থেকে তাদেরকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

এছাড়া, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা একটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু হাসানকে এসবির সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%