বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৯ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনের সময় দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে দেওয়ার জন্য ‘JnURedDrop’ নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার শেখ এতে সহযোগিতা করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম।
‘JnURedDrop’ অ্যাপের মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ এবং অবস্থান অনুযায়ী রক্তদাতার তথ্য খোঁজার পাশাপাশি বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত দাতাদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এছাড়াও, জবি শিক্ষার্থীরা অ্যাপটিতে নিজেদের প্রোফাইল তৈরি করে রক্তের গ্রুপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন।
নিবন্ধিত রক্তদাতাদের মধ্যে থেকে রক্তের গ্রুপ এবং এলাকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় দাতার তথ্য পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, কোনো দাতা বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত আছেন কি না, সেটিও জানা যাবে।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "শিক্ষার্থীদের জরুরি সময়ে রক্তদাতা খোঁজার প্রক্রিয়া সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিতে রক্তের গ্রুপ ও এলাকা অনুযায়ী দাতা খোঁজার সুবিধা রাখা হয়েছে। জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং ক্যাম্পাসে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।"
অ্যাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আকিব হাসান এবং আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোশারফ হুছাইন, বয়স ২৬ বছর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পর তার সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে তিনি প্রায় এক বছর ধরে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে তার পরিবারের প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি ছয় ডোজ কেমোথেরাপিও গ্রহণ করেছেন। তবে কাঙ্ক্ষিত সুফল এখনও মেলেনি। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থসংকটের কারণে তা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এই কারণে মোশারফ ও তার পরিবার সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।
মোশারফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তর (এমএ) পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন। তার শিক্ষার্থী আইডি নম্বর ১৯১০৭০৩৯।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোশারফ সেকেন্ডারি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে তিনি ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে মোট ছয় ডোজ কেমোথেরাপি নিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় তার পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই এবং চিকিৎসার বিপুল ব্যয় মিলিয়ে মোশারফের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, মোশারফের উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আরও অর্থের প্রয়োজন। নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এতদিন চিকিৎসার খরচ বহনের চেষ্টা করলেও এখন তাদের একার পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তারা।
এর আগে, দীর্ঘ তিন বছর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে মারা যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনিক দাস (২৪)। তিনি গত ১৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
অর্থের অভাবে মোশারফের চিকিৎসা যেন থেমে না যায়, এ প্রত্যাশায় তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী সবার ছোট-বড় সহযোগিতাই তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ সহজ করতে পারে।
আর্থিক সহযোগিতা তথ্য—
বিকাশ / নগদ: +880 1869-561939 (পার্সোনাল)— রোগী
A/N: 20507770232337809, Islami Bank, Ilishia Branch.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর উপর তথ্যভিত্তিক ও বিশ্লেষণধর্মী সাংবাদিকতার প্রসার ঘটাতে, জ্ঞান বিনিময় এবং গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)।
এই উদ্দেশ্যে আজ পিকেএসএফ ভবন-১-এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। পিকেএসএফ-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফের পক্ষ থেকে সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক ড. একেএম নুরুজ্জামান এবং ইআরএফের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং ইআরএফের প্রেসিডেন্ট দৌলত আকতারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় টেকসই জীবিকা, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইআরএফ সদস্যদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হবে।
এছাড়া, পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রম, গবেষণা, সমীক্ষা, উদ্ভাবন ও প্রকাশনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করা এবং এসব বিষয়ে তথ্য ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
পিকেএসএফের বিভিন্ন কর্মসূচি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য ইআরএফ সদস্যদের অংশগ্রহণে মিডিয়া ভিজিট আয়োজনেও সহযোগিতা করা হবে।
এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের উন্নয়ন উদ্যোগ, মানুষের জীবিকা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দুই কিশোরীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরীর মধ্যে একজন হলো চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর এলাকার বসন্তপুর গ্রামের মহিন উদ্দিনের মেয়ে মাহিমা ইসলাম মাহি (১২) এবং অন্যজন হলো যুগিরকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে তানিসা আক্তার (১৪)।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন) লুৎফর রহমান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহিমা ও তানিসা কাশিনগর এলাকার আল-আমিন মহিলা মাদরাসায় যাওয়ার জন্য নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু তারা মাদরাসায় পৌঁছায়নি এবং বাড়িতে ফিরে আসেনি। ফলে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তাদের খোঁজ করতে থাকে। পরে সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথক দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
এ ঘটনার পর কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে নিখোঁজ দুই কিশোরীর সন্ধানে পুলিশ কার্যক্রম শুরু করে। চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা পুলিশ ও কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অনুসন্ধান চালায়।
অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে কিশোরী দুটির অবস্থান কক্সবাজারে শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে কক্সবাজার ডিবি পুলিশের সহায়তায় সমুদ্রসৈকত এলাকার গ্রিন প্যারাডাইজ হোটেলের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী দুজন জানায়, তারা পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজার চলে যায়।
প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম শেষে উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিন বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ মো: রফিকুল ইসলাম। তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। সরকারের পক্ষ থেকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কৃষি প্রধান উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের লক্ষ্যে।
গতকাল সরকারী এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগের খবরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উৎসবের পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন পর একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ পেলো প্রতিষ্ঠানটি। জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার সাবেক উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক দেশ বরেণ্য অর্থনীতিবিদ প্রফেসর এম রফিকুল ইসলাম স্যারকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ভূমিমন্ত্রী জনাব মিজানুর রহমান মিনু এবং রাজশাহী -৩ আসনের এমপি এ্যাড মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলনকে জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
মহানগর বিএনপির সিনিয়র নেতা নজরুল হুদা এবং আব্দুস সালাম মোহাম্মদ বিপ্লব অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজশাহী নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দও অভিনন্দন জানান। আশা করা হচ্ছে, তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও কৃষক বান্ধব এই ব্যাংক আরও উন্নতি করবে ইনশাল্লাহ। গত ২৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক ইনকিলাবে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ