বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
রংপুরের পীরগঞ্জে শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছ পরিষ্কার করে রস সংগ্রহের উপযোগী করা হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার পাঁচগাছি, শানেরহাট ও মিঠিপুর এলাকায় খেজুর গাছের আধিক্য থাকায় শীত মৌসুমে জমে ওঠে গুড় তৈরির কর্মযজ্ঞ। এ ছাড়া পানবাজার এলাকায় কয়েকটি স্থানে খেজুরের রস থেকে তৈরি করা হয় পাটালি গুড়।
স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে, ফসলি জমির আইলে, বসতবাড়ির আঙিনায় ও পরিত্যক্ত জায়গায় বাণিজ্যিকভাবে খেজুর গাছ রোপণ করেছেন। এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি করে গাছের মালিকেরা বাড়তি আয় করে থাকেন। বিশেষ করে পানবাজার এলাকায় কয়েক হাজার খেজুর গাছ রয়েছে। প্রতিবছর এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হয়। গাছিদের কাছে গাছ বর্গা দিয়ে আয় করেন অধিকাংশ মালিকেরা।
শীত মৌসুমে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে প্রায় শতাধিক গাছি ও শ্রমিক পীরগঞ্জে আসেন। তাঁরা স্থানীয় জমির মালিকদের কাছ থেকে খেজুর গাছ বর্গা নিয়ে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির কাজ করেন। ভোর ৪টা থেকে গাছে উঠে হাঁড়িতে জমা রস সংগ্রহ করেন। পরে বড় কড়াইয়ে সেই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি করেন সুস্বাদু খেজুরের গুড়।
মঙ্গলবার বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় গাছি মুক্তার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমার বাবাও এই এলাকায় এসে খেজুরের রস থেকে গুড় তৈরি করতেন। তিনি এখন আর নেই। বাপ-দাদার সেই পুরোনো ব্যবসা আমরা ধরে রেখেছি। এবার প্রথমে আটজন শ্রমিক মিলে প্রায় ৪০০টি খেজুর গাছ পরিষ্কার করে রস সংগ্রহের উপযোগী করেছি। ইতিমধ্যে সাড়ে তিনশ গাছ ফিনিশিং চাষ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী রোববার থেকে রস সংগ্রহ এবং গুড় তৈরির কাজ শুরু হবে। কয়েকদিনের মধ্যে এ এলাকায় শতাধিক শ্রমিক কাজে যোগ দেবেন।”
কাশিমপুর গ্রামের খেজুর গাছের মালিক মজিবুর রহমান জানান, তাঁদের রোপণ করা খেজুর গাছগুলো রাজশাহীর গাছিদের কাছে বর্গা দেওয়া হয়েছে। মৌসুম শেষে গাছপ্রতি দুই কেজি করে গুড় পান তাঁরা। আর প্রতিটি গাছ থেকে রস মৌসুমে প্রায় ২০ কেজি মতো গুড় পাওয়া যায়। তবে রস সংগ্রহ থেকে গুড় তৈরি পর্যন্ত গাছিদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। ভোরে গাছে উঠে রস সংগ্রহের পর তা জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে আসা গাছিরা শীত মৌসুমে পীরগঞ্জে অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁরা জমি ভাড়া নিয়ে খেজুরের ডালপালা দিয়ে অস্থায়ী ঘর তৈরি করেন। ঘরের উঠানে নির্মাণ করেন গুড় তৈরির চুল্লি। সেখানেই চলে রস জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরির কাজ। পরে পাইকারেরা এসব গুড় কিনে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করেন।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পীরগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক খেজুর গাছ রয়েছে। কৃষকেরা বসতবাড়ির আঙিনা, ফসলি জমির আইল, রাস্তার পাশ ও পরিত্যক্ত স্থানে খেজুর গাছ রোপণ করছেন। এসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি শীত মৌসুমে রস ও গুড় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে কৃষকেরা বাড়তি আয় করতে পারেন। পরিকল্পিতভাবে খেজুর গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করা হলে এ খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৯ দিনের জন্য ছুটিতে যাচ্ছে। ১৬ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি, পরে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
এদিকে, ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোও বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রভোস্ট কমিটির আহ্বায়ক ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন।
তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি চলাকালীন সব হল বন্ধ থাকবে। এই সময়ে কোনো শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারবে না। তবে বিশেষ কারণে কেউ হলে অবস্থান করলে হল অফিসে সংরক্ষিত রেজিস্টারে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে নিজের পরিচয় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে নিজ দায়িত্বে থাকতে হবে। তবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা চাইব, ছুটিতে হলে কেউ না থাকুক।
রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫ দিন সকল একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ৯ দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি কলেজ রয়েছে। সেই কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতির পদে বসার জন্য ছয়জন প্রার্থী লড়াই করছেন। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ডিগ্রি কলেজে পদ নিয়ে টানাটানির ফলে চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এই ছয়জনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি দাবি, আদালতের আদেশের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রমে।
এদিকে, গত ৯ অক্টোবর একটি স্থানীয় দৈনিকে দুর্গাহাটা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। অপর দুই পক্ষ এই বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
কলেজের সূত্র জানাচ্ছে, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মোজাফফর হোসেন অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি পদত্যাগ করার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হন ময়নুল আহসান। কিছুদিন পর তার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে সংসদ সদস্য ও শিক্ষকদের সুপারিশে জিয়াউল ইসলাম জুয়েলকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবিদার ময়নুল আহসান জানিয়েছেন, কমিটি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে তিনি প্রায় ছয় মাস ধরে কলেজে যেতে পারছেন না। ফলে কলেজের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা এবং পাসওয়ার্ডের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সভাপতি পদে বহুমুখী দ্বন্দ্ব ও ‘ডিও লেটার’
অধ্যক্ষের পদ ছাড়াও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির পদ নিয়ে তীব্র বিরোধ চলছে। সাখাওয়াত হোসেন লিটনকে সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর আকিল আহম্মেদ মমিনকে সভাপতি এবং রবিউল আলম অশ্রুকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য করা হয়।
পরবর্তীতে সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন ডিও লেটার (আধাসরকারি পত্র) দিয়ে সংসদ সদস্য রবিউল আলম অশ্রুকে সভাপতি এবং আকিল আহম্মেদ মমিনকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করেন।
অন্যদিকে, শাহজালাল মানিক নামের একজন ব্যক্তি নিজেকে কলেজের সভাপতি দাবি করছেন।
আদালতের আদেশ নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তি
কমিটির বৈধতা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে পক্ষগুলোর বিরোধ আদালত পর্যন্ত পৌঁছেছে। একটি পক্ষের দাবি, শাহজালাল মানিকের নেতৃত্বাধীন কমিটির পরিচালনা ও নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সভাপতি পদের দাবিদার আকিল আহম্মেদ মমিন বলেন, বর্তমানে তিনটি পৃথক কমিটি নিজেদের বৈধ দাবি করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গঠিত কমিটির বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে রিট করেছিলেন এবং আদালতের রায়ের মাধ্যমে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি।
এদিকে, শাহজালাল মানিককে সভাপতি করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন আকিল আহম্মেদ মমিন।
এ বিষয়ে জানতে শাহজালাল মানিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কলেজের প্রশাসনিক বিষয়টি এড়িয়ে যান।
কমিটি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কলেজের জমিদাতা মো. আশরাফ আলী। বারবার কমিটি পরিবর্তনের কারণে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে দাবি করে দ্রুত শান্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আকুতি জানান তিনি।
প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে জানিয়ে কলেজের শিক্ষক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ঘন ঘন সভাপতি পরিবর্তন ও রিট দায়েরের ঘটনায় কলেজের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, দুর্গাহাটা ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ প্রচেষ্টা এবং অপর পক্ষের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সভাপতি ও কমিটি চূড়ান্ত করার সম্পূর্ণ এখতিয়ার শিক্ষা বোর্ডের।
তিনি বলেন, প্রয়োজনে শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগং (ইউএসটিসি)-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান মারা গেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ইউএসটিসির সহকারী রেজিস্ট্রার শহীদুল্লাহ মোহাম্মদ সিকান্দার এক শোক বার্তায় উল্লেখ করেন, ইউএসটিসি পরিবার একজন সম্মানিত শিক্ষাবিদ, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও অভিভাবককে হারিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতিতে তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার কর্মনিষ্ঠা, নেতৃত্ব ও শিক্ষার প্রতি আন্তরিক অঙ্গীকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মছজিদ্দা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং ইউআইটিএস’র সাবেক উপাচার্য ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সউদী আরব নেতৃত্বাধীন জোট দাবি করেছে যে, ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনা অঞ্চলে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি 'এক্স' (পূর্বের টুইটার)-এ জানিয়েছেন, ‘মদিনা অঞ্চলে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।’
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চলতি মাসের শুরুর দিকে সউদী জোট জানিয়েছিল যে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়া পবিত্র মদিনা নগরীর একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মদিনার ঐতিহাসিক মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
সূত্র: আল আরাবিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ