বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে বিশ্বনেতারা যখন বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকট নিয়ে আলোচনা করতে ব্যস্ত, তখন সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারার মনোযোগ ছিল ভিন্ন দিকে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভাষণের সময় আল-শারাকে নিজের ফোনে ইনস্টাগ্রামের রিল স্ক্রল করতে দেখা গেছে।
ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, যখন এরদোয়ান মঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন, তখন সিরিয়ার প্রতিনিধি আসনে বসে আহমেদ আল-শারা নিশ্চিন্তে স্মার্টফোনে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছেন এবং রিল দেখছেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তিনি সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এটি ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণ, যা ২০২৫ সালে জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণ দেওয়ার পর অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ বিতর্কের উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশন শুরু হয়।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করার মাধ্যমে সেশনের মূল কার্যক্রম শুরু হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্বের প্রায় ১৩০ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এই বার্ষিক অধিবেশনে সমবেত হয়েছেন। তুর্কি প্রেসিডেন্টের ভাষণের সময় সিরীয় প্রেসিডেন্টের ফোন স্ক্রল করার এই দৃশ্যটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি নিউইয়র্কের কুইন্সের ফার রকওয়ের একটি ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইয়েশিভা দারখেই তোরাহ পরিদর্শন করেন।
এই সময়, প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ‘ওহেভ ইসরায়েল’ বা ‘ইসরায়েলের প্রেমিক’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ইসরায়েল এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থনের জন্য পরিচিত প্রেসিডেন্ট মিলে সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন বলেও ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় বক্তব্য রাখেন। পরে, প্রতিষ্ঠানটি থেকে বের হওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় তাকে।
মিলের অফিস থেকে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে তার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নাচের দৃশ্য দেখা যায়।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিদিন দানের টাকা গণনা করা হবে। প্রাপ্ত টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজের জন্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে, এবং বাকি ৬৫ শতাংশ টাকা মাজারের দৈনন্দিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন প্রদান করা হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
সভা শেষে এই কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান। এর ফলে শাহজালাল মাজারের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রায় দুই মাসের সিদ্ধান্তহীনতার অবসান ঘটেছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এখন থেকে শাহজালাল মাজারের দানের টাকা প্রতিদিন গণনা করা হবে। দানের টাকা থেকে ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে। এই অ্যাকাউন্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও মাজারের মতোয়াল্লির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। বাকী ৬৫ শতাংশ টাকা মাজারের দৈনন্দিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন নির্বাহ করা হবে।’
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, ‘টাকা গণনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে মাজার কমিটির পক্ষে একজন ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন বা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা হবেন। এছাড়া একজন হিসাব রক্ষক ও একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়া হবে।’
মাজার পরিচালনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কমিটির সদস্য হবেন সাতজন। এর আহ্বায়ক হবেন জেলা প্রশাসক। কমিটিতে সিটি করপোরেশন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিলেট মহানগর পুলিশ, সিলেট জেলা পরিষদের একজন করে প্রতিনিধি ও পুলিশ সুপার থাকবেন। আর মাজারের মতোয়াল্লি এই কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে থাকবেন। নিয়োগকৃত ম্যানেজার এই কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এই কমিটি মাজারের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সের টাকা নিয়ে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে গত ২৩ জুন মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এক মাসের মধ্যে কমিটি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি যৌক্তিক ও সমন্বিত কাঠামোর সুপারিশ দেবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে প্রায় আড়াই মাস পর এই কমিটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
এতদিন কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে বিদায়ী জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের উদ্যোগের পর থেকে মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হচ্ছে এবং গণনার পর টাকা জেলা প্রশাসনের খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হচ্ছে। এতে মাজার পরিচালনায় অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের খাদেমরা।
প্রসঙ্গত, হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে গত ১৮ জুন বিকেলে মাজারে থাকা আগের দানবাক্স সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মাজারে মানুষের দান করা নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগও সিলগালা করা হয়। দানবাক্স ও ডেগ সিলগালার পর জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের এ উদ্যোগের পক্ষে-বিপক্ষে সিলেটজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। একপক্ষের দাবি, মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসক কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছেন। অন্যপক্ষের অভিযোগ, মাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার নামে তার সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো ছিল একতরফা ও জোরপূর্বক, যা মাজারকেন্দ্রিক প্রচলিত ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এ আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। এর পরদিন তার উপস্থিতিতে দানবাক্স সিলগালার চারদিন পর জনসমক্ষে বাক্সের তালা খুলে টাকা গণনা করা হয়।
গত ২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হলে মোট অর্থ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এর ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণ-রূপাও পাওয়া যায়। সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স ও মানতের ডেগ খুলে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। এ সময় দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা-রূপার অলঙ্কারও পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর পাওয়া যায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এদিনও দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি সোনা-রূপার অলঙ্কারও পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিউইয়র্কে, যুক্তরাষ্ট্রে, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের নিকট একটি সন্দেহজনক স্যুটকেসের কারণে বোমা আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ এবং সিক্রেট সার্ভিস কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরুদ্ধ করে এবং সাধারণ জনগণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেয়। পরে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) তল্লাশি চালিয়ে নিশ্চিত করে যে, ব্যাগটি বিপজ্জনক নয় এবং এলাকা এখন নিরাপদ। ফলে দ্রুত সড়কগুলো পুনরায় চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে, দ্বিতীয় ও লেক্সিংটন এভিনিউয়ের মধ্যবর্তী ৪২তম থেকে ৪৪তম স্ট্রিট পর্যন্ত একাধিক ব্লকে যানবাহন ও পথচারী চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বিশেষায়িত বোম স্কোয়াড তদন্ত সম্পন্ন করার পর কোনো ঝুঁকি না পাওয়ায় অধিকাংশ রাস্তা খুলে দেওয়া হয়, তবে তৃতীয় ও লেক্সিংটন এভিনিউয়ের মধ্যবর্তী ৪৩তম স্ট্রিটে সাময়িকভাবে বিধি-নিষেধ বজায় রাখা হয়।
ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা একজন স্থানীয় কর্মজীবী জানান, দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই একের পর এক ভিআইপি গাড়ির বহর ও পুলিশ এসে পুরো রাস্তা ঘিরে ফেলে। অন্য একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ৪২তম স্ট্রিটের উত্তর পাশের থার্ড এভিনিউ প্রায় দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ ছিল এবং সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, পরিত্যক্ত কোনো স্যুটকেস বা ব্যাগের কারণে এই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে নিউইয়র্কে ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠান চলছে। এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন, মহামারি মোকাবেলা সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের উপস্থিতি উপলক্ষে পুরো শহরে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল। সদর দপ্তর থেকে মাত্র কয়েক ব্লক দূরে এমন একটি ঘটনা ঘটায় কিছু সময়ের জন্য সেখানে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় কিউবার প্রতিনিধিদল তার ভাষণ বর্জন করে। সাধারণ পরিষদের কক্ষে কিউবার প্রতিনিধিদের সমালোচনা শুরু হলে, তাদেরকে উঠে চলে যেতে দেখা যায়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইরানসহ অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে ট্রাম্প কিউবাকে নিয়েও আলোচনা করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপ দেশটিতে স্বাধীনতা আসছে। একই সঙ্গে তিনি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি সম্পৃক্ততার বিষয়টি তুলে ধরেন।
আরো পড়ুন
ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ট্রাম্প বলেন, "আমার প্রশাসন কিউবার পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনারও চেষ্টা করছে। সেখানে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছে—তারা এর আগে কখনো এতটা চাপের মুখে পড়েনি। এটি পুরোপুরি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন এটি বেশি ব্যর্থ হচ্ছে এবং এর পতন ঘটবে। কমিউনিজম কখনোই আমেরিকায় আসবে না। তবে স্বাধীনতা কিউবায় আসবে।"
তবে কিউবায় পরিবর্তন বলতে তার প্রশাসন ঠিক কী বোঝে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো চিত্র এখনও প্রশাসন প্রদান করেনি। ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর, সরকার এখনও সেখানে কোনো না কোনোভাবে বহাল রয়েছে। কিউবার ক্ষেত্রে সরকার একইভাবে কোনোরূপে বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে, বিবিসি, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ