শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪২ পি.এম
প্রয়াত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ‘ভালো আছি ভাল থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের স্রষ্টা রুদ্রের জন্মদিন উপলক্ষে মোংলায় শুক্রবার সকালে রুদ্র স্মৃতি সংসদের আয়োজনে কবির গ্রামের বাড়ী মিঠাখালী বাজার থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়, যা রুদ্রের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়। পরে আমন্ত্রিত অতিথি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় কবির রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রুদ্রের বাড়ীতে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের অনুজ সুমেল সারাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অর্পিতা হালদার। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকির হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর আলম শেখ, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মারুফ বিল্লাহ, আজিজ মোড়ল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ গোলাম ও জানে আলম বাবু সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯১ সালের ২১শে জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ২০২৪ সালে রুদ্রকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ১৯৯৭ সালে তিনি মরণোত্তর শ্রেষ্ঠ গীতিকারের সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া তিনি মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কারও অর্জন করেন।
রুদ্রের অনুজ ও রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি সুমেল সারাফাত বলেন, "সাম্যবাদ, মুক্তিযুদ্ধ, ঐতিহ্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িকবোধে উজ্জ্বল রুদ্রের কবিতা। যাতবীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান তাকে পরিণত করেছে তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীকে।" তিনি আরও বলেন, "একই সঙ্গে তার কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা।" অকাল প্রয়াত কবি স্বল্পায়ু জীবনে সাতটি কাব্যগ্রন্থ, গল্প, কাব্যনাট্য ও ‘ভালো আছি ভাল থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ সহ অর্ধশতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। তিনি একুশে পদক, শ্রেষ্ঠ গীতিকার সম্মাননা ও মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছেন। সুমেল সারাফাত বলেন, "এখন আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে তারজন্য (রুদ্র) বর্তমান সরকারের কাছে স্বাধীনতা পদক স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, "দেশে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশি।"
তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ১ নম্বর বুলাকীপুর ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক পাকাকরণকাজের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, পর্যায়ক্রমে দিনাজপুর-৬ আসনের সব কাঁচা রাস্তা পাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং কম্পিউটারভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্ডের উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজা-পার্বণ নির্বিঘ্নে উদ্যাপন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথাও জানান তিনি।
এ সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রুবানা তানজিন, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলনসহ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি, মন্তব্য করেছেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষার মানের প্রতি নজর না দিয়ে শিক্ষাকে বাণিজ্যে পরিণত করেছিল।
তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্টদের নজর ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করে লোক নিয়োগ দিয়ে তাদের কাছ থেকে ১০ লাখ, ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া। তারা শিক্ষাকে একটি বাণিজ্যিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে গিয়েছিল।”
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে, বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী টুকু আরও বলেন, শিক্ষা একটি আদর্শিক পেশা। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। তবে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়নি। শিক্ষকদের বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাস থাকতে পারে, কিন্তু শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি চাকরিজীবীদের দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে কর্মকে বিবেচনা করতে বলেছেন। দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপনাদের যে নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করতে হবে দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেম থেকে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তোফাজ্জল হোসেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আল মামুন ও মোহাম্মদ আকতার হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আগরতলার সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সাত দিনের জন্য বন্ধ থাকবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজা এবং ২৫ ও ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগরতলার ইন্দো-বাংলা এক্সপোর্টার-ইমপোর্টার কমিউনিকেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে ১৫ অক্টোবর তারিখে আগরতলা স্থলবন্দরের সুপারিনটেনডেন্ট অব কাস্টমসকে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরে এই চিঠিটি বিতরণ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বন্দর খোলা থাকবে এবং এই সময়ে নিয়মিত বাণিজ্য কার্যক্রম চলবে। এরপর লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর আবারও আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ২৭ অক্টোবর থেকে বন্দর পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরবে।
চিঠির অনুলিপি আগরতলা স্থলবন্দরের ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (এলপিএআই) ব্যবস্থাপক, আখাউড়া এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ও আখাউড়া সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদক এবং আগরতলা আইসিপির প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন স্টেশনের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারা এ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
আখাউড়া স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেসার উদ্দিন ভূঁইয়া ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শুক্রবার মাছ রপ্তানিও বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধের বিষয়ে সকল ব্যবসায়ীদের অবহিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সংকট এবং বাজারে স্বস্তির অভাবের প্রেক্ষাপটে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রশ্ন তুলেছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করে লিখেছেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের জন্য ৩৪২ কোটি টাকার ট্যাবলেট বা প্যাড কেনার কাজ পেতে অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাতিজার মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কাজটি বাগিয়ে নেয়।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও উল্লেখ করেন, ‘দেশে কর্মসংস্থান নাই, বাজারে স্বস্তি নাই, ইনভেস্টমেন্ট নাই—আছে শুধু মন্ত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ।’
তিনি বলেন, মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের নাম বারবার আলোচনায় আসছে, যেমন কোনো মন্ত্রীর ছেলে, স্ত্রী কিংবা ভাই।
হাসনাত লেখেন, একদিকে প্রধানমন্ত্রী ১৫০ টাকার দুপুরের খাবারের গল্প শুনিয়ে জনগণকে সাশ্রয়ী হওয়ার উপদেশ দিচ্ছেন, অন্যদিকে মন্ত্রীদের পরিবারকে ঘিরে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণকে সাশ্রয়ের নসিহত, আর ক্ষমতাবানদের স্বজনদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের অভিযোগ।’
পোস্টের শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘এটাই কি তাহলে আই হ্যাভ আ প্ল্যান?’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ