হুমায়ুন কবির, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
০১:১৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার সাস্কাটুনে সংগীতের জাদুতে দর্শকদের মাতিয়ে তুললেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দম্পতি সায়ান চৌধুরী অর্ণব ও সুনিধি নায়েক। ‘হোক কলরব কানাডা’ আয়োজনের ধারাবাহিকতায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সাস্কাটুনের প্রেইরিল্যান্ড পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ‘হোক কলরব সাস্কাটুন’, যা কানাডাজুড়ে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সংগঠন ‘ইকোস অব বেঙ্গল’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সংগীত সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ করেন শত শত প্রবাসী বাঙালি। তরুণ উদ্যোক্তা প্রীতম রিপন, সব্যসাচী, জয়দীপ ও সৌভিকের সহযোগিতায় আয়োজনটি আবারও প্রমাণ করে যে, প্রবাসী বাঙালিরা বাংলা সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আগ্রহী।
প্রেইরিল্যান্ড পার্কের হলরুমে শত শত প্রবাসী বাঙালির পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালে সাস্কাটুনে এটিই ছিল অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাস্কাটুনের স্থানীয় জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘সান ক্লারো’ তাদের পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দেয়। এরপর একে একে মঞ্চে আসেন অর্ণব ও সুনিধি। তাদের পরিবেশিত জনপ্রিয় গানগুলো উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং পুরো অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে সংগীতপ্রেমীদের মিলনমেলায়।
অর্ণব ও সুনিধি জানান, সাস্কাটুনে এত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাঙালির উপস্থিতি তাদের অভিভূত করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিলের পানিতে একের পর এক নৌকা ছুটে চলেছে। মাঝিদের হাতে দ্রুত উঠানামা করছে বৈঠা। চারপাশে শুধুই ছলাৎ ছলাৎ শব্দ শোনা যাচ্ছে। মাঝে মাঝে নৌকা থেকে হাঁক ছেড়ে মাঝিদের সাহস জোগানো হচ্ছে। কার নৌকা আগে পৌঁছাবে, তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিলের দুই পাড় থেকে হাজারো নারী-পুরুষ, বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা করতালি ও হর্ষধ্বনিতে মাঝিদের উৎসাহ দিচ্ছেন। ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড় গ্রামের আষাঢ়ের বিলে দীর্ঘ কয়েক বছর পর এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের দেখা মিলেছে।
শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচকে ঘিরে পুরো এলাকা উৎসবের মিলনমেলায় পরিণত হয়। নৌকা বাইচের পাশাপাশি বিলের পাড়ে বসে গ্রামীণ মেলা। মেলায় বিভিন্ন পসড়া নিয়ে হাজির হন দূর-দূরান্ত থেকে আসা দোকানীরা। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আশপাশের এলাকা ও মাগুড়া, মুকসেদপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা শুরু হয়।
আয়োজকরা জানান, বিকেল ৪টার দিকে খোয়াড় গ্রামের বটতলা সংলগ্ন আষাঢ়ের বিলে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ে কয়েকটি নৌকা এতে অংশ নেয়। নৌকাগুলো পানিতে নামার পর শুরু হয় তীব্র প্রতিযোগিতা। মাঝিদের সম্মিলিত বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে নৌকাগুলো দ্রুত ছুটে যায় সামনের দিকে। প্রতিযোগিতার গতি বাড়ার সাথে সাথে দর্শকদের মধ্যেও উত্তেজনা তৈরি হয়। তারা নানাভাবে নিজ নিজ পছন্দের নৌকার মাঝিদের উৎসাহ দিতে থাকে।
নৌকা বাইচ উপলক্ষে বিলের পাড়ে বসেছিল গ্রামীণ মেলা। সেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও খাবারের দোকান সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা সামগ্রী। শিশুদের জন্যও বিনোদনের ব্যবস্থা ছিল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় আসা মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
দীর্ঘদিন পর নৌকা বাইচ হওয়ায় স্থানীয়রা আনন্দিত। তারা জানান, নৌকা বাইচ গ্রামবাংলার বহু পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ। একসময় বর্ষাকালে বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত এমন আয়োজন হলেও নানা কারণে বর্তমানে তা কমে গেছে। এ ধরনের আয়োজন হলে মানুষ আনন্দ পাওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম দেশের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, "খাল-বিলে আগের মতো পর্যাপ্ত পানি না থাকায় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ আয়োজন দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক জায়গায় এ আয়োজন প্রায় হারিয়ে গেছে। তবে খোয়াড় গ্রামের এ আয়োজন ব্যতিক্রম। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনো রয়েছে।" নৌকা বাইচ শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটে আটকে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত এক রোগীসহ একটি অ্যাম্বুলেন্স। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকে থাকার পর অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই আমিরুন্নেছা নামে রোগীর মৃত্যু ঘটে।
শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দাউদকান্দি এলাকায় তার মৃত্যু ঘটে, যা নিশ্চিত করেছেন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা নিহতের স্বজন তারেক আল হাসান।
নিহত আমিরুন্নেছা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার প্রাণভগবতীপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তারেক আল হাসান জানান, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর আমিরুন্নেছাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা। রাত ১১টার দিকে দাউদকান্দিতে পৌঁছানোর পর তীব্র যানজটে আটকা পড়ে অ্যাম্বুলেন্সটি।
এরপর দীর্ঘ চার ঘণ্টা গাড়ি প্রায় স্থবির হয়ে থাকায় শেষ পর্যন্ত সাড়ে রাত ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সেই তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেম দাস রায় বলেন, "যানজটের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী মারা যাওয়ার বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই। সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি।"
এদিকে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের আশরিয়ারচর থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। শুক্রবার সকাল ৮টায় আশরিয়ারচরে ঢাকামুখী লেনে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর এ যানজটের সৃষ্টি হয়। শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত যানজট অব্যাহত ছিল।
দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়া যাত্রীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন আটকে থাকায় প্রচণ্ড গরমে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই খাবার ও পানির সংকটে পড়েছেন।
চট্টগ্রাম থেকে বাগেরহাটগামী মুজাহিদ পরিবহনের যাত্রীরা জানান, রাত আড়াইটার দিকে দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে যানজটে আটকা পড়েন তারা। সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আমিরাবাদে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
সুরমা পরিবহনের চালক রিপন মিয়া বলেন, "ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। এখানে সংস্কারকাজ হলে যানজট নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। প্রচণ্ড গরমে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা বাসের মধ্যে অসহায় অবস্থায় রয়েছেন।"
ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ শামীম বলেন, "আশরিয়ারচরে ঢাকামুখী লেনে সংস্কারকাজ শুরুর কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজট এখনো রয়েছে। যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ কমাতে হাইওয়ে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রচডেল শহরের উত্তরে মেথডিস্ট চার্চের ওপর নিজের জিম খোলার মুহূর্তে ৫০ বছর বয়সী ক্রেগ কার্বির ফোনটি আবার বেজে উঠল। টিকটকে তার আপলোড করা শেষ ভিডিওটির ভিউ ততক্ষণে ৮৫ হাজারেরও বেশি হয়ে গেছে।
ভিডিওটি কার্বির কোনো পেশাদার ম্যাচের নয়, বরং একটি অপেশাদার ফুটবল ম্যাচের যা কাদা-ঘাসে ভরা স্থানীয় পার্কের মাঠে ধারণ করা হয়েছে।
এখানে তার স্ত্রী লিন্ডসে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ক্যামেরাবন্দী করেছেন ৫০ স্পর্শ করা কার্বির পায়ের কারুকাজ। ক্যাপশনে লেখা, ‘ফিটনেস আর বল ছাড়া মাঠের মুভমেন্টই ফুটবলের ৯০ শতাংশ।’
কার্বির এই ভিডিও ভাইরাল হওয়া অবশ্য নতুন কিছু নয়। তার টিকটক প্রফাইলে পিন করে রাখা অন্য একটি ভিডিও দেখা হয়েছে প্রায় ২৯ লাখ (২.৯ মিলিয়ন) বার! ল্যাঙ্কাশায়ারের পাহাড়ি গ্রাম্য আবহ ও বাচ্চাদের পার্কের পটভূমিতে উইটওয়ার্থ ভ্যালির হয়ে খেলার সেই ভিডিওতে শিরোনাম ছিল, ‘আজ অনেক হারলাম।
তবে ৫০ বছর বয়সের হিসেবে মন্দ না!’
ইনস্টাগ্রাম ও টিকটক মিলিয়ে কার্বির ‘ফুটবল এট ফিফটি’ পেজের অনুসারী এখন অনেক। কিন্তু এই রূপকথার পেছনে লুকিয়ে আছে এক বুকভাঙা কষ্টের গল্প। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মাত্র ২০ বছর বয়সে রয়্যাল এয়ার ফোর্সে কর্মরত ছেলে সেবাস্টিয়ান আত্মহত্যা করেন। ছেলের এমন করুণ প্রয়াণে ফুটবল চিরতরে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কার্বি।
তবে স্ত্রীর উৎসাহেই আবার মাঠে ফেরা। খেলা রেকর্ড করে নেটদুনিয়ায় পোস্ট করার সিদ্ধান্তও তার স্ত্রীর। কার্বি ভেবেছিলেন হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধু হয়তো ভিডিওগুলো দেখবে। কিন্তু রাতারাতি এক মিলিয়নের বেশি ভিউ দেখে চমকে যান এই দম্পতি। কার্বি বলেন, ‘এখন ২০ বা ৩০ বছর বয়সের চেয়েও আমি ফুটবলটা বেশি উপভোগ করছি।
কৈশোরে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সে ট্রায়াল দিয়েছিলেন কার্বি। কিন্তু বাবার মতো সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্নে ফুটবলের সে পথ বন্ধ হয়ে যায়। ২৫ বছর বয়সে সেনাবাহিনী ছাড়ার পর কেমব্রিজ ইউনাইটেড থেকেও প্রস্তাব এসেছিল, কিন্তু পরিবারের দায়িত্ব নিতে বেছে নেন পার্সোনাল ট্রেইনারের কাজ।
মাথার চুল ধূসর হলেও নিজের সুঠাম ফিটনেস ও নিখুঁত পাশের কারণে অনায়াসেই কাবু করছেন তরুণ প্রতিপক্ষদের। মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা তাকে তুলনা করছেন জিনেদিন জিদান কিংবা সের্হিও বুসকেতসের মতো ফুটবল কিংবদন্তিদের সঙ্গে। বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তা প্রমাণ করে সমবয়সীদের অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন এই সাবেক সেনা সদস্য।
সম্প্রতি ডাক পেয়েছেন ইংল্যান্ডের ওভার-ফিফটি (৫০ উর্ধ্ব) জাতীয় দলেও। থাইল্যান্ডে থ্রি লায়ন্সদের জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের প্রথম অফিসিয়াল ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
তবে মাঠের প্রতিটি দৌড় ও ট্রফির লড়াইয়ের পেছনে রয়েছে বাবার এক চরম আবেগ। কার্বি বলেন, “আমি শোকের কারণে প্রিয় খেলাটা ছেড়ে দিতে চাইনি। ৯৯ শতাংশ সময় আমি স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করি, তবে আমি যখনই মাঠে নামি পুরো খেলাটাই আমার ছেলে ‘সেব’-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা থাকে।”
শোকের কালো মেঘ কাটিয়ে খেলাধুলাকে আঁকড়ে ধরে নতুন করে বেঁচে থাকার বার্তা দিচ্ছেন কার্বি। যারা বয়সের দোহাই দিয়ে বুটজোড়া তুলে রাখার কথা ভাবছেন, তাদের উদ্দেশ্যে তার সহজ পরামর্শ, ‘কোনো কিছু করতে চাইলে দ্বিধা না করে মাঠে নেমে পড়ুন। চিন্তা করাই মূল বাধা, কাজটা করে ফেলা নয়।’
কবে থামবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ৫০ বছরের এই তরুণ হাসিমুখে জানান, ‘যেদিন মাঠে কোনো তরুণ আমাকে ড্রিবল করে পার হয়ে গিয়ে হাসাহাসি করবে, বুঝব থামার সময় এসেছে!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ