ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আরিফ হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ


ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আরিফ হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মাদ্রাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় আদালত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন এদিন আদালতে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

এর আগে বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজের কার্যালয় থেকে পুলিশ চ্যানেলটির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে। পরে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় চোখে গুলিবিদ্ধ হন লর্ড হার্ডিঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র আরিফ। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আরিফের বাবা ইউসুফ ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন। মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী ৫৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে দাসত্বের সাংবাদিকতার কারণে: কাদের গনি চৌধুরী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার রায় পেছাল, নতুন তারিখ বুধবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার রায় পেছাল, নতুন তারিখ বুধবার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিনথী (২৩) ও তাঁর মা তাহমিনা বেগম (৫২) হত্যা মামলার রায় পেছানো হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে আগামী বুধবার (১১ নভেম্বর) রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুমাইয়ার ভাই আল-আমিন। তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত তারিখে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়নি। আগামী বুধবার রায় ঘোষণার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছিল। গত ২৭ অক্টোবর মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সোহেল হোসাইন জানিয়েছিলেন, আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন।

জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা নগরের কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় সুমাইয়া ও তাঁর মা তাহমিনা বেগমকে হত্যা করা হয়। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর ওই বাসা থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

ঘটনার পর অভিযুক্ত মো. মোবারক হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঝাড়ফুঁকের সূত্রে সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গে মোবারকের পরিচয় হয়েছিল। ঘটনার আগে প্রায় এক মাস ধরে তিনি ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি সুমাইয়াকে ধর্ষণ এবং বিষয়টি দেখে ফেলায় তাঁর মা তাহমিনা বেগমকে হত্যার কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জবাব দেবে জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জবাব দেবে জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাট, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, দেশের শিল্পকারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পেছনে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ ২০২৪ সালের মতোই ঐক্যবদ্ধভাবে উচিত জবাব দেবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা সকল শক্তি নিয়ে দেশের মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিক ভাই-বোনদের সঙ্গে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দাঁড়াব। ২০২৪ সালে যেভাবে বাংলাদেশের মানুষ তাদের উচিত জবাব দিয়েছিল, সামনের দিনেও একইভাবে তাদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।’

আজ দুপুরে বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এই বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ যেহেতু জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাই জনগণের সরকার দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সেটিকে এই যড়যন্ত্রকারীরা ভেস্তে দিতে চাইছে।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আজ জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশের শ্রমিক ভাইদেরকে রুখে দাঁড়াতে হবে, যাতে কোনভাবেই সেই ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ না পায়। কারণ আজ সময় এসেছে দেশ গঠন করার, আজ সময় এসেছে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করার।

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সকল শক্তি দিয়ে এই ষড়যন্ত্রকারীদের সঠিক জবাব দেবো। আমরা সকল শক্তি দিয়ে এই ষড়যন্ত্রকারীদের দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে, খেটে খাওয়া মানুষকে সাথে নিয়ে, শ্রমিক ভাই বোনদেরকে সাথে নিয়ে ইনশাল্লাহ জবাব দেবো। আমাদের সামনে লক্ষ্য একটাই সেটা হলো- ‘করব কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘যারা বিগত ১৫/১৬ বছরে দেশের অবস্থার, মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করতে পারেনি, যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, যারা এদেশ থেকে মানুষের অর্থ সম্পদ বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল, আমরা দেখেছি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে জনতার অভ্যুত্থানে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’

তিনি বলেন, আজ তারা সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়াচ্ছে। দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। শুধু তাই নয়, তারা দেশের মিল কারখানা ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মিল কারখানাগুলো হচ্ছে দেশের মানুষের সম্পদ। এই মিল কারখানাগুলো হচ্ছে এই দেশের শ্রমিকদের সম্পদ। এগুলো যদি ধ্বংস হয়ে যায় প্রথমে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষ। এই মিল কারখানা যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার শ্রমিক ভাই ও বোনেরা। এই মিল কারখানাগুলো যদি ধ্বংস হয়ে যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনের সন্তানেরা। তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে।

মজুরি বোর্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি শ্রমিক ভাই বোনদের মজুরি নিয়ে কিছু দাবি দাওয়া আছে। আপনারা দেখেছেন এরই মধ্যে আমরা সেই দাবিগুলো বিবেচনা করার জন্য, পরিচালনা করার জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করেছি।

তিনি আরো বলেন, ‘মজুরি বোর্ড এরই মধ্যে কাজও শুরু করে দিয়েছে। ইনশাল্লাহ আগামী দুই এক মাসের মধ্যে মজুরি বোর্ড নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করবে, যাতে করে আমাদের শ্রমিক ভাই বোনেরা এর চেয়েও ভালো থাকতে পারেন।’

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার রাত দিন পরিশ্রম করছে। কিভাবে দেশের সমস্যার সমাধান করা যায়, কিভাবে দেশের শিল্পের প্রসার ঘটানো যায়, কিভাবে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার করা যায় যাতে করে দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি-বেসরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছিল। আমরা চেষ্টা করব সারাদেশে বিভিন্ন সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল কলকারখানাগুলো চালু করতে।

তিনি বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া মিল-কারখানাগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন করে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। কারণ, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের তরুণ ও যুবসমাজের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় খুলনা ছিল দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে নানা কারণে এ অঞ্চলের অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সরকার খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে শুরু করে উত্তরের পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে চায়।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

কাটাখালীতে পথসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর তিনি খুলনায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য: স্পিকার

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কৌশলগত সম্পর্ক সময়ের পরিক্রমায় উন্নত হয়েছে। স্পিকার বলেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য।"

আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত "৩০তম মার্কিন ট্রেড শো" অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সৈয়দ কামাল হোসেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম ট্রেড শো যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে। তিনি উল্লেখ করেন, তিন দশক ধরে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের পথচলা বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে সহজতর করেছে। স্পিকার বলেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি ও ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা, ম্যানুফ্যাকচারিং, শিক্ষা এবং কৃষিব্যবসা খাতে উদ্ভাবনী ধারণাকে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময় স্পিকার জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।

পরবর্তীতে স্পিকার '৩০তম ইউএস ট্রেড শো- ২০২৬' এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যানসহ নির্বাহী সদস্যবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ দিনে চারটি নির্বাচনে পরাজিত হলো ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


১০ দিনে চারটি নির্বাচনে পরাজিত হলো ইসরাইল

মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ইসরাইল চারটি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল দেশটির নিজস্ব জাতীয় নির্বাচন। সর্বশেষ পরাজয়টি ঘটে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে।

এই পরাজয়ের শুরু হয় ২৫ অক্টোবর সার্বিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে। ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র আলেকসান্দার ভুচিচ এক মাস আগে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনে তার জোট পরাজিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন একটি জোটের কাছে তিনি পরাজয় বরণ করেন।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সার্বিয়ার নির্বাচনের মতো ইসরাইল কোনো বড় ইস্যু ছিল না। সেখানে মূলত অভ্যন্তরীণ অসন্তোষই নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করেছে। ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে ভুচিচ নির্বাচনে হারেননি। তবে তার পরাজয়ের প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কের ওপর পড়তে পারে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলের জন্য সার্বিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে কেউ কেউ যখন ইসরাইলের কাছে অস্ত্র কিংবা অস্ত্রের যন্ত্রাংশ বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করছিল, তখন সার্বিয়া তেল আবিবের পাশে দাঁড়ায়। ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পরদিনই ইসরাইল অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য সার্বিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। ভুচিচ তাতে সম্মতি দেন। এরপর ১৫৫ মিলিমিটার কামানের গোলা আকাশপথে ইসরাইলে পাঠানো শুরু হয়। ফলে ভুচিচের নির্বাচনী পরাজয় ইসরাইলের জন্য কেবল একজন ঘনিষ্ঠ মিত্রের রাজনৈতিক বিপর্যয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

ভুচিচকে ‘ইসরাইলের প্রকৃত বন্ধু’ আখ্যা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিয়ার নেতার সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপের সময় নেতানিয়াহু দেশটির ‘কথা ও কাজ—উভয় ক্ষেত্রেই অটল সমর্থন’-এর প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে ভুচিচকে ‘ইসরাইলের প্রকৃত বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। এখন যেহেতু ‘প্রকৃত বন্ধু’ ক্ষমতার বাইরে, ফলে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অস্ত্রের লেনদেন ছিল দুই দিক থেকেই। ২০২৫ সালের আগস্টে সার্বিয়া ইসরাইলি ড্রোন, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য ১.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। গত এপ্রিল মাসে দেশ দুটি একটি কৌশলগত সংলাপ শুরু করে এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ভুচিচ বেলগ্রেডে ইসরাইলি নকশায় তৈরি ড্রোন সংযোজনের একটি কারখানার উদ্বোধন করেন।

সবশেষ নির্বাচনে বিজয়ী ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে অস্ত্র রফতানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি অবশ্য ইউক্রেনের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়েছে। বিষয়টি ইসরাইলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না এবং ড্রোন সংক্রান্ত উদ্যোগটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো অস্পষ্ট।

স্টুডেন্ট লিস্ট নির্বাচনী ইশতেহারে গাজার বিষয়ে একটি স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘গাজা উপত্যকায় ইসরাইল ফিলিস্তিনি জনগণকে ধ্বংস করার যে সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, আমরা তাতে কোনোভাবেই সহযোগী হব না।’

সার্বিয়ায় ভুচিচের জোট শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার দিনেই ব্রাজিলের বামপন্থি ও ইসরাইল-বিরোধী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা পরাজিত হন। তিনি ডানপন্থি ও ইসরাইলন্থি ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করেন। এর মধ্য দিয়ে ব্রাজিলকে ঘিরে ইসরাইলের প্রত্যাশায় বড় ধাক্কা লাগে। জেরুজালেম আশা করেছিল, কলম্বিয়া, পেরু, চিলি, বলিভিয়াসহ লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের মতো ব্রাজিলেও ডানপন্থি সরকার ক্ষমতায় আসবে। এতে ইসরাইলের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু লুলার জয়ে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

অক্টোবরের শুরুর দিকে প্রথম দফার নির্বাচনে লুলার চেয়ে এগিয়ে থাকার পর, নেতানিয়াহু বলসোনারোকে ফোন করে অভিনন্দন জানান। নেতানিয়াহুর অফিস থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলের সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন ঘটছে, তার অংশ হিসেবে তারা উভয় দেশ নিজেদের মধ্যকার গভীর বন্ধুত্বকে নতুন করে গড়ে তুলতে আগ্রহী।’ কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটে লুলার জয়ে নেতানিয়াহুর এমন আশায় গুড়েবালি হয়ে যায়।

ফ্লাভিও বলসোনারোর জয় তার বাবা জাইর বলসোনারোর নীতিগুলোর প্রত্যাবর্তন ঘটাবে বলে আশা করা হয়েছিল। ক্ষমতায় থাকার সময় বলসোনারো ২০১৯ সালে জেরুজালেমে একটি বাণিজ্য কার্যালয় খুলেছিলেন, ইসরাইলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা সহযোগিতা জোরদার করেছিলেন। তবে ২০২২ সালে লুলা যখন জাইর বলসোনারোকে পরাজিত করেন, তখন তিনি ব্রাজিলকে বলসোনারের বিপরীত পথে পরিচালিত করেন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আনা গণহত্যার মামলায় ব্রাজিল সমর্থন জানায়।

এছাড়া গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে হলোকাস্টের সঙ্গে তুলনা করেছেন লুলা। একইসঙ্গে ইসরাইলে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে এনেছেন। ব্রাজিলে লুলার পুনর্নির্বাচন জেরুজালেমের প্রত্যাশিত সুযোগের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকোটের মিত্ররা কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠন নিয়ে দেশটিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি বৃহত্তম দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। তার জোট ‘চ্যাঞ্জ ব্লক’-এর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, ‘চ্যাঞ্জ ব্লক’ বলছে, নেতানিয়াহুর শিবিরের বাইরের দলগুলো—যার মধ্যে আরব দলগুলোও অন্তর্ভুক্ত—নেসেট -এ আসন সংখ্যার দিক থেকে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। যদিও কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

দেশে ও বিদেশে নানা চ্যালেঞ্জ থাকায় ইসরাইলের জন্য এবার এমন একটি নির্বাচন জরুরি ছিল, যার মধ্য দিয়ে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকার গঠন সম্ভব হবে। এমন সরকারই দেশ পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো ফল হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পাঁচটি নির্বাচনের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এবারও অনেকটা তেমন ফলই পেয়েছে ইসরাইল। নির্বাচনে কোনো দল বা জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠন নিয়ে কয়েক মাস ধরে জোট আলোচনা চলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এসব আলোচনা সফল হয়ে সরকার গঠন সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মঙ্গলবারের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করেছে। আগামী জানুয়ারিতে যারা শপথ নেবেন তাদের মধ্যে রয়েছেন মিশিগানের নবনির্বাচিত সিনেটর আব্দুল এল-সায়েদ, যিনি ইসরাইলবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।

এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির মূলধারার নেতারা এল-সায়েদের অবস্থানের কতটা কাছাকাছি যাবেন। কোনো দলের মধ্যে ছোট হলেও সোচ্চার একটি গোষ্ঠী ভোটের সংখ্যায় সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো শক্তিশালী না হলেও বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। কংগ্রেসে যখন ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি, সামরিক সহায়তা এবং দেশটির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির ওপর নজরদারির মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে, তখন এই প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বার্নি স্যান্ডার্সপন্থি, ইসরাইল-বিরোধী অংশটি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় শক্তিশালী হয়েছে।

এছাড়া ইসরাইলের জন্য সমস্যাটি কেবল ডেমোক্র্যাটিক শিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রিপাবলিকানদের মধ্যেও এমন কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে, যারা মঙ্গলবারের শোচনীয় পরাজয়ের জন্য ইসরাইলকেই দায়ী করছে।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টের একটি শিরোনাম ছিল: ‘ট্রাম্পের মিত্ররা রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়কর পরাজয়ের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করছেন: ‘আশা করি শুমার (সিনেটে ডেমোক্র্যাট দলের নেতা) নেতানিয়াহুকে ফোন করে তাকে ধন্যবাদ জানাবেন।’

নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট সরাসরি ইসরাইলকে দায়ী করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করা কিছু ভোটার মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর পেছনে চারটি প্রধান কারণ ছিল: ইরানে যুদ্ধের অবসান ঘটানো, জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেয়া, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেয়া) নীতি অনুসরণ করা এবং ইসরাইলের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের পরিবর্তন আনা।

যুক্তিটি হলো এই রকম: রিপাবলিকানরা নির্বাচনে হেরেছে কারণ জ্বালানির দাম ছিল বেশি। আর জ্বালানির দাম বেশি ছিল ইরান যুদ্ধের কারণে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে সেই যুদ্ধে টেনে এনেছিলেন। সুতরাং, দোষটা ইসরাইলের।

আগামী দুই বছর ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই থাকবেন। তবে ইসরাইলকে এখন ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সামনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে হবে। একই সময়ে যখন খোদ প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের কেউ কেউ রিপাবলিকানদের পরাজনের জন্য ইসরাইলকেই দায়ী করছেন।

ইসরাইলে নতুন সরকার গঠিত হোক বা না হোক, ৩ জানুয়ারি নতুন কংগ্রেসের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। ইসরাইলের অনিষ্পন্ন নির্বাচনের ঝুঁকি এটাই। জেরুজালেমে কে ক্ষমতায় আসবে তা নির্ধারিত হতে হতে ওয়াশিংটনের পরিস্থিতি হয়তো সম্পূর্ণ বদলে যাবে। এমনকি তখন ইসরাইলের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রাখা উচিত, তা নিয়ে হয়তো নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়ে যাবে।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%