শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৭ পি.এম
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এক রাতের মধ্যে ৫১৯ জনকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আট দফার অভিযানের ফলে মোট আটকের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৭০ জনে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে সর্বশেষ এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানার এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। এ অভিযানে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।
পুলিশ জানায়, সর্বশেষ অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাইয়ের পর তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধে নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানির শিকার না হওয়ার বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে জনবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এক নজরে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি
পদ সংখ্যা: ১টি
লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয়
প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
পদের নাম: লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট
বিভাগ: আয়েশা আবেদ লাইব্রেরি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএ/বিএসসি বা সমমানের ডিগ্রি এবং লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্সে সার্টিফিকেট/ডিপ্লোমা কোর্স।
অন্যান্য যোগ্যতা: এমএস অফিস ও ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকা বাঞ্ছনীয়, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: লাইব্রেরিতে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন শুরুর তারিখ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাঠ পুলিশের উদ্দেশে বাহিনীটির প্রধান (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘কোনো গুজব, মিসইনফরমেশন ও ষড়যন্ত্রে কান না দিয়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুন। অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল হলে দায়মুক্তি পাবেন। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে অপেশাদার কাজে জড়িত হলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতঃপূর্বে যারা ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে টেলিসংলাপে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ থেকে সবাইকে শিক্ষা নিতে হবে। এক সময় মাদকের স্পট থেকে টাকা নেওয়া হতো। টাকার বিনিময়ে আসামি ছেড়ে দেওয়া হতো। এখন এসব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা, বিতর্কিত ও পলাতক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনাসহ নানা বিষয় নিয়ে যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আইজিপি এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি খোলামেলা কথা বলেছেন নানা স্পর্শকাতর বিষয়ে।
তথ্য পাচারকারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে কী বার্তা- জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য চাকরিতে থেকে ভেতরের তথ্য বাইরে পাচার করছে, তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অতীতে যেসব পুলিশ সদস্য দলীয় লেজুড়বৃত্তি করেছেন তারা এখন পলাতক। পলাতক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কর্মরত যাদের যোগাযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, পুলিশে ষড়যন্ত্রকারীর সংখ্যা হাতেগোনা। কোনো ষড়যন্ত্রকারীই আইনের বাইরে থাকবে না। গুজব ছড়ানো হচ্ছে-ফ্যাসিবাদ আমলের ১৭ বছরে যাদের নিয়োগ হয়েছে, তাদের চাকরি থাকবে না। এ ধরনের গুজব যারা ছড়াচ্ছে তাদেরও চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) নির্বাচনে প্যানেলভিত্তিক প্রচারণা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি) প্রার্থীদের বিধিবিধান মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। কমিশনের এই অবস্থান নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ঢাকার রমনাস্থ আইইবির কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জরুরি মতবিনিময় সভায় নির্বাচনি বিধিবিধান নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. সেলিম ভূঁইয়া, পিইঞ্জ. প্রার্থীদের গঠনতন্ত্র ও আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
আইইবির গঠনতন্ত্রের ৩০.০৭ ধারা অনুযায়ী প্যানেল শিট, লিফলেট বা কার্ডের মাধ্যমে অন্য প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালানোর ওপর বিধিনিষেধের বিষয়টি নির্বাচনি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বৈঠকে প্রকৌশলীরা তাদের মতামত তুলে ধরে বক্তব্য দেন। গঠনতন্ত্রে নিষেধাজ্ঞা, মুখে আচরণবিধির বুলি, আর মাঠে প্যানেল প্রচারণার অভিযোগ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আইইবি ২০২৬ সালের নির্বাচন ঘিরে দ্বিমুখী চিত্র তুলে ধরছেন।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, আইইবির গঠনতন্ত্র কি সবার জন্য প্রযোজ্য, নাকি কিছু লোকের জন্য নিয়ম ভাঙার অলিখিত লাইসেন্স রয়েছে? নির্বাচন কমিশন যদি বিধি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এত আয়োজন, সভা আর সতর্কবার্তার অর্থ কী? গঠনতন্ত্রে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও প্যানেলভিত্তিক প্রচারণা প্রকাশ্যে চলছে।
আইইবির অডিটরিয়াম ও কনফারেন্স সেন্টারে প্যানেল ঘোষণার অভিযোগও উঠেছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বিধি যদি সবার জন্য সমান হয়, তাহলে অভিযোগ ওঠার পর কমিশনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ কোথায়? গঠনতন্ত্র কি শুধুমাত্র দেয়ালে টাঙানোর জন্য? এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি) প্যানেলভিত্তিক প্রচারণা নিষিদ্ধের বিষয়টি সামনে এনে প্রার্থীদের বিধিবিধান মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
আইইবি’র আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবী প্যানেল গঠনে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং স্বৈরাচারী ও সুবিধাবাদী বলয়ের পুনর্বাসনের গুরুতর অভিযোগ এনেছেন সংগঠনের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
আইইবির নির্বাচনে প্যানেলভিত্তিক প্রচারণা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। এই পরিস্থিতিতে গঠনতন্ত্র ও বাই-লজের বিধান অনুসরণ করে নির্বাচন পরিচালনা করা হলে সব প্রার্থীর জন্য সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। নির্বাচনী বিধিনিষেধ কার্যকর করার ক্ষেত্রে কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা, অভিযোগ যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আইইবির মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে গঠনতন্ত্রের বিধান সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা জরুরি। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। এখন দেখার বিষয়, প্যানেলভিত্তিক প্রচারণা বন্ধে কমিশনের অবস্থান নির্বাচনী মাঠে কতটা কার্যকর হয় এবং বিধিবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় কি না।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, আইইবি নির্বাচনে অ্যাব সমর্থিত অফিস বিয়ারার ও কেন্দ্র ভিত্তিক প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজপথের ত্যাগী ও নির্যাতিত প্রকৌশলীদের চূড়ান্ত অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে নিষ্ক্রিয় থাকা এবং বিগত সরকারের সুবিধাভোগী বেশ কয়েকজন প্রকৌশলীকে অ্যাব সমর্থিত মূল প্যানেলে স্থান দেওয়া হয়েছে। এটি তৃণমূলের ত্যাগী প্রকৌশলী ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে।
অ্যাবের আহ্বায়ক শাহরিন ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে একক ক্ষমতাবলে প্যানেল চূড়ান্ত করার অভিযোগ তুলছেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। একাধিক প্রকৌশলী নেতা জানান, সিনিয়র নেতা ও স্থায়ী ফোরামগুলোর মতামতকে তোয়াক্কা না করে নিজস্ব পছন্দ ও বলয়ভিত্তিক প্রার্থী চয়ন করা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে সিদ্ধান্তের বাইরে রেখে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিছু সিনেমা শুধুমাত্র বক্স অফিসে সফলতা অর্জন করে না, বরং দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নেয়। সেই সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে তা ফিরিয়ে দেওয়ার পর আফসোস হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। বলিউডের অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছে। শাহরুখ খান অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমা ‘চাক দে! ইন্ডিয়া’তে কাজের সুযোগ পেয়ে তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এই ছবির পাশাপাশি, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার আফসোসও রয়েছে তার।
সম্প্রতি নেহা তার চ্যাট শো ‘ডাবল ডেট’-এ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্পোর্টস ড্রামা ও সেনাবাহিনীর প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমায় অভিনয়ের ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু পছন্দের এই দুই ধরনের কাজের সুযোগ পেয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি পর্দায় নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।
২০০৭ সালে মুক্তি পায় পরিচালক শিমিত আমিনের ‘চাক দে! ইন্ডিয়া’। সিনেমাটিতে ভারতীয় নারী হকি দলের কোচ কবীর খানের চরিত্রে অভিনয় করে শাহরুখ খান ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। খেলাধুলার আবহে নির্মিত এই সিনেমাটি আজও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। সেই ছবিতে কাজের সুযোগ পেয়েও তা ফিরিয়ে দেওয়ার কারণে নেহা এখন আফসোস করেন।
তবে নেহার হাতছাড়া হওয়া সুযোগের তালিকায় শুধুমাত্র শাহরুখের সিনেমা নেই। নেটফ্লিক্সের ‘অপারেশন সফেদ সাগর’-এ অভিনয়ের সুযোগও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। নিজের অপূর্ণ ইচ্ছার কথা বলতে গিয়ে নেহা বলেন, ‘আমি বরাবরই একটা ভালো স্পোর্টস ফিল্ম এবং একটা ভালো ফৌজি ফিল্ম করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই দুটো বড় সুযোগই হাতছাড়া করেছি।’
অভিনয়জীবনে কোন কাজ বেছে নেওয়া হবে এবং কোনটি ফিরিয়ে দেওয়া হবে—এটি সহজ সিদ্ধান্ত নয়। চিত্রনাট্য, চরিত্র, কাজের সময়সূচি কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দের মতো অনেক বিষয় শিল্পীদের বিবেচনায় নিতে হয়। তবে সময়ের সঙ্গে কিছু সিদ্ধান্ত নতুন করে ভাবনায় আসে। নেহা ধুপিয়ার ক্ষেত্রেও পছন্দের দুই ধরনের ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ হারানোর স্মৃতি এখন আফসোসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ