শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪১ এম
বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো, ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরায়ন এবং যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বাতাসের মান নিয়মিত আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে।
চলতি মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকার বায়ু অসাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। তবে আজ দূষণের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১২তম। এ সময় শহরের বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৪৪, যা শুধুমাত্র সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৭৩। এই হিসাবে, গতকালের তুলনায় আজ বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটা কম বলা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, যার বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। ভারতের দিল্লিতেও বায়ুদূষণের ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে, শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৪৩, ফলে এই শহরের বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর এমন আটটি শহরের মধ্যে রয়েছে- ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহার, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।
ঢাকার মতো বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, এমন ১২টি শহরও রয়েছে। এগুলো হলো- কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হেনোয়, বাহারাইনের মানামা, আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাশকেন্ত, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর, কুয়েতের কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউসটন এবং নেপালের কাঠমান্ডু।
একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তা জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়।
১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
যখন বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হয়, তখন শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই বন্ধের কারণ হলো বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন এবং লাইনের ব্যাকবোন অংশে কাজ করা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে এ তথ্য জানিয়েছে।
জোনাল অফিসের ঘোষণার ভিত্তিতে, বারেশ্বর উপকেন্দ্রের বিপি১-৮ এইচ ফিডারের ব্যাকবোন লাইনে কাজ করা হবে। পাশাপাশি, বৈদ্যুতিক লাইনের পাশে গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
এই কারণে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকা, সাহেবাবাদ, দীর্ঘভূমি, উপজেলা সদর, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কাজ শেষ হতে কম বেশি সময় লাগতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় ৩ শতাধিক বাড়ি ধসে পড়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে নাগচু অঞ্চলের বাচেন কাউন্টিতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তাসংস্থা সিনহুয়া স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর সূত্রে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগচু অঞ্চলের বাচেন কাউন্টি।
১৯৫০-এর দশকে তিব্বতকে নিজেদের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার পর চীন অঞ্চলটিকে ‘তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল’ হিসেবে অভিহিত করে। বাচেন কাউন্টি ওই অঞ্চলের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের পর কর্তৃপক্ষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। ভূমিকম্পে আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে।
এদিকে, ভূমিকম্পের পর পাহাড় থেকে পাথর ধসে পড়ায় ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে দুর্গম ও উঁচু এলাকায় উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিব্বতের কামদো ও নিংচি শহরেও ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অন্ধকারের মধ্যে ভবনগুলো প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে থাকলে গ্রামবাসীরা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
তিব্বত বরাবরই ভূমিকম্পের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৩ সালে চীনের কাছাকাছি অবস্থিত পার্বত্য গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
এরও দুই মাসের কম সময় আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত ও নেপাল ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। ওই দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন। এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে তিব্বত আরও বেশি অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। মূলত চীনের সবচেয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর একটি হচ্ছে এটি।
তিব্বতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ তথ্য প্রবাহের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে থাকে। ফলে এ ধরনের দুর্যোগের সময় পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানতে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমই হয়ে ওঠে প্রধান উৎস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় ও তারিখ সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।
এতে আরও জানানো হয়েছে, পরীক্ষা ও ফলসংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত, বিজ্ঞপ্তি এবং নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।
কমিটি পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে যে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য। একই সঙ্গে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা, পূজার দাওয়াত খেয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
চেসি ত্রিপুরার মৃত্যুর বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এএইচএম খুরশীদ আলম।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আজ রাত ১১টা ৭ মিনিটে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।" চিকিৎসকেরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক বান্ধবীর বাসায় পূজার দাওয়াত খেয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে পেছন থেকে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এই দুর্ঘটনায় চেসি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ