বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
ভোলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ ভোলার ১০টি থানায় একযোগে চেকপোস্ট পরিচালনা করেছে।
গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোলা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় এই চেকপোস্ট কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশির পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন পুলিশের সদস্যরা।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের উদ্যোগে নিয়মিত নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। চেকপোস্টে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদকদ্রব্যের বিস্তার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যবহার এবং সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, মাদকের সরবরাহ, পরিবহন ও বিস্তার রোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওসার জানিয়েছেন, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট, তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নের নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
আজ বুধবার নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
চরগোপালপুর ইউনিয়নে গত ৩-৪ দিনের মধ্যে সৈয়দ মাস্টার বাড়ির ৫টি, নীলগাজি বাড়ির ৮টি, রাড়ি বাড়ির ৭টি, তালুকদার বাড়ির ৪টি, বেপারী বাড়ির ৩টি, ধোপাবাড়ির পানির বরজসহ ২টি, মাধবপুর বাড়ির ৪টি এবং গণি রাড়ি বাড়ির ৮টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
একই সময়ে ঢোলের হাট বাজারের প্রায় ৩০টি দোকানও নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। জিও ব্যাগ ফেলার পরও ভাঙন অব্যাহত থাকায় লেঙ্গুটিয়া মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লেঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের জনবসতি হুমকির মুখে রয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার লেঙ্গুটিয়া মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও লেঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ভাঙনপ্রবণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরে চরগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল বারী মনির, পার্শ্ববর্তী আলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং দুই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
মতবিনিময়কালে জনপ্রতিনিধিরা জানান, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে এ এলাকায় প্রায় এক লাখ জিও ব্যাগ ফেলা হলেও নদীভাঙন প্রতিরোধে তা কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারেনি। এ এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ব্লক স্থাপন করা হয়নি। তাই তারা নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় ব্লক স্থাপনের ওপর জোর দেন।
এসময় বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, নদীভাঙন চলাকালীন সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর মূল্যবান সম্পদ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নদীর পানি ও স্রোত কমে পরিস্থিতি শান্ত হলে শুষ্ক মৌসুমে, বিশেষ করে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে বিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে ব্লক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন রয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলেদের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জাল সরবরাহ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিক্ষা খাতের প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছেন। এই পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষাখাতে পরিবর্তন দেশের জনগণকে চমকে দেবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির শতকরা ৫ ভাগ ব্যায় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার ৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ট্রিলিয়ন ডলারে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমরা এখন স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্রনীতি তৈরি করতে পারছি, যা গত তিন বছর আগে সম্ভব ছিল না। সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মাথাপিছু আয় ২৮০০ থেকে ৪ হাজার ডলারে উন্নীত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অর্জনে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। নতুন বাংলাদেশের জন্য শুধুমাত্র চাকরি পাওয়া নয়, বরং চিন্তাশীল, দক্ষ, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক প্রয়োজন।
পরিশেষে, শিক্ষার্থীদের তিনি তারেক রহমানের সাদাসিধে জীবন অনুসরণ করার আহবান জানান। একইসাথে, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে কাজ করার অনুরোধ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান এমপি।
অন্য বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান (ইউজিসি) অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ড. মো. হাছান উদ্দীন, নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ আজাদ, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইনে ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছিল বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে দলটি ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে জয় লাভ করে। যদিও সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া পরাজিত হয়, তবে দলের টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স জানিয়েছেন, তাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি ছিল না।
২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যায়। ডারউইনে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে পরাজিত করে টাইগাররা ইতিহাস সৃষ্টি করে। হাসান মাহমুদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি তানজিদ হাসান তামিমের অসাধারণ সেঞ্চুরি বাংলাদেশের জয় অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শেষ পর্যন্ত দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। পূর্ণশক্তির দল নিয়ে মাঠে নামা অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডের মতো তারকারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবুও ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের সামনে অস্ট্রেলিয়া খুব একটা প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। তবে কামিন্স এই হারের জন্য প্রস্তুতির ঘাটতিকে দায়ী করছেন না।
অজি অধিনায়ক ‘কিপিং ইট ক্রিকেট’ পডকাস্টে বলেন, ব্রিসবেনে তারা যথেষ্ট ভালো প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন। অ্যাশেজ কিংবা বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ—দুই ক্ষেত্রেই তাদের প্রস্তুতির ধরন একই থাকে। তাই তিনি মনে করেন, প্রস্তুতিতে কোনো কমতি ছিল না।
ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ দাপট দেখাতে থাকে। হাসান মাহমুদ একাই ৬ উইকেটসহ ম্যাচে মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। মেহেদী হাসান মিরাজও বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখেন। ফলে স্বাগতিকরা ঘুরে দাঁড়ানোর তেমন কোনো সুযোগই পায়নি।
বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করলেও কামিন্সের মনে রয়েছে নিজেদের সেরাটা দিতে না পারার আক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘আমার শুধু মনে হয়, আমরা সেরাটা দিতে পারিনি। বাংলাদেশ দারুণ খেলেছে এবং আমাদের তেমন কোনো সুযোগ দেয়নি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) র্যাগিংয়ের দুটি আলাদা ঘটনায় পদার্থবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগের ২০ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জরিমানা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাদের চলমান এবং পরবর্তী নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের বিশেষ সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কিছু শিক্ষার্থী একই বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের র্যাগিং করেন। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের পশ্চিম পাশে (মনপুরা) ঘটে। এই সময় ভুক্তভোগীদের উপর অমানবিক নির্যাতন, অকথ্য ভাষায় গালাগালি এবং কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনায় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আট শিক্ষার্থীকে ৩৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। মো. জাহিদ হাসান, মো. ফজলে হাসান ফাহাদ এবং সৈয়দ সাকিব আহমেদ রাতুলকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মো. মাহমুদুল আমিন সিয়াম, মো. মোস্তাফিজুর রহমান মিজু এবং মো. ফয়সাল আহমেদকে ৪৫ হাজার টাকা করে, মো. মাহমুদুল হাসান খান আকিবকে ৪০ হাজার এবং মো. আল-আমিন হোসাইনকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট জরিমানার পরিমাণ ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, গত ৩ জুলাই রাত ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত ইতিহাস বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে একই বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৩ শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ঘটে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি, কান ধরানো এবং ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র্যাগিং করা হয়।
এই ঘটনায় ইতিহাস বিভাগের ১২ শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। মো. আবু আবতাহী অনিককে ৩০ হাজার টাকা এবং বাকি ১১ শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট জরিমানার পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
অফিস আদেশে আরও জানানো হয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর ধারা ৩(২)(ঘ) অনুযায়ী তাদের জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাদের চলমান পরীক্ষা, টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা অথবা পরবর্তী নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ