১০:০২ এম
আজ ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস। প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি পালিত হয়, যার উদ্দেশ্য হলো ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবে বাংলাদেশে ডিমের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের এই পুষ্টিকর খাদ্য কিনতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিশ্ব ডিম দিবসের শুরু ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়। সেই সময় থেকে প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এবছর দিবসটির ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে। এবারের আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো ডিমের পুষ্টিগুণ ও বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
একটি ডিম থেকে সাধারণত প্রায় ৭৭ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। ডিম উচ্চমানের আমিষের উৎস হিসেবে পরিচিত, পাশাপাশি এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফলেট, দস্তা ও ভিটামিন ডি রয়েছে। চোখের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় লুটিন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো উপাদানও ডিমে বিদ্যমান।
আরও পড়ুন: লম্বা ছুটিতে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে ৩৫টি দেশে
ডিম শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং বিপাকীয় কার্যক্রমে সহায়তা করতে সক্ষম। এতে ওমেগা-৩-এর মতো প্রয়োজনীয় চর্বিও রয়েছে। সহজলভ্য ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের খাদ্য তালিকায় ডিম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। যদিও মুরগির ডিম সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয়, হাঁস, কোয়েল ও রাজহাঁসের ডিমও জনপ্রিয়।
এদিকে, বিশ্ব ডিম দিবসের দিন দেশে ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই। গত এক মাসে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ডিমের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে গেছে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বৃহস্পতিবারের (৮ অক্টোবর) প্রতিবেদনে প্রতি ডজন ডিমের সর্বোচ্চ দাম ১৬২ টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর এই দাম ছিল ১৫০ টাকা। অন্যদিকে, পাড়া-মহল্লার খুচরা বাজারে বাদামি ডিম প্রতি ডজন ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ও দোকানভেদে দামে পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ইলিশের নামে চন্দনা ও সুরমা বিক্রির অভিযোগ, চিনবেন যেভাবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন