সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৬ পি.এম
বাগেরহাটের উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের কণ্ঠস্বর, চাহিদা এবং অগ্রাধিকার স্থানীয় নীতি, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বাগেরহাটে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স-এর সহযোগিতায় বাগেরহাটের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদায়ন বাংলাদেশের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়।
জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মেহেরুন্নেছাকে সভাপতি এবং এ আর ডিগ্রি কলেজের লেকচারার মোঃ কামরুল ইসলামকে সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট জেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে গোপীনাথ সাহা, মোঃ আসাদ শেখ ও তামান্না আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যান্য পদে নির্বাচিত সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি সাংবাদিক ইসরাত জাহান, সহ-সম্পাদক মো: নাইম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সামিয়া আহসানী। জেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সদস্যরা জেলার ৯টি উপজেলার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
নবগঠিত জেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম জন-সংগঠনের পক্ষে জননীতি প্রণয়ন, সংস্কার, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে। পাশাপাশি এটি জনগণের অধিকার সুরক্ষা, সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নীতি বাস্তবায়নে কার্যকর অধিপরামর্শ ও প্রেসার গ্রুপ হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নাগরিক, প্রতিবেশগত ও মানবাধিকার বিষয়ে কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন; জনস্বার্থে অধিপরামর্শের সক্ষমতা ও প্রভাব বলয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমমনা সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা; এবং জনকেন্দ্রিক জলবায়ু নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে জন-সংগঠনের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব প্রদান করবে জেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম।
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, নবগঠিত এই ফোরাম জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় জনগণের বাস্তব চাহিদা ও অগ্রাধিকার নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে, স্থানীয় জনগণের অধিকার, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জনকেন্দ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ফোরামটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। সভাটি পরিচালনা করেন লিডার্স-এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর শারমিন আরা লিনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেহরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে, যদিও আঞ্চলিক নানা উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিদ্যমান। এই তথ্যটি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ (Fars News)-এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত মোট আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার ফ্লাইটের প্রায় ৭৫ শতাংশ স্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে।
গত রবিবারের ফ্লাইটের সময়সূচি বিশ্লেষণ করে ফারস নিউজ জানায়, ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের মধ্যে অন্তত ১১টি গন্তব্যে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর কমপক্ষে ২৪টি আসা-যাওয়ার (ইনবাউন্ড ও আউটবাউন্ড) ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
বর্তমানে যেসব দেশে ইরানের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আর্মেনিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, আফগানিস্তান, তিউনিসিয়া এবং ম্যাকাও।
তবে, কিছু প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশ ইরানি এয়ারলাইনসের জন্য বিমান চলাচল স্থগিত করেছে। সংবাদ অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, ইরাক, আজারবাইজান এবং জর্জিয়ার বিমানবন্দরগুলো ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট বাতিল করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রায় ৩২ জন শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘ সময় ধরে বেতন-ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। প্রতিষ্ঠান তহবিল থেকে তাদের এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ দুই বছর, আবার কেউ চার বছর ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়ার দাবি করেছেন। এর ফলে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, কিন্তু কার্যকর কোনো সমাধান আসেনি। তদন্ত কমিটি গঠনের পরও তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষক।
প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখায় ১৩ জন শিক্ষক, কলেজ শাখায় ১৫ জন শিক্ষক এবং মোট ৪ জন কর্মচারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেরই ২-৪ বছরের ভাতা বকেয়া রয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয়ের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বেতন, বিভিন্ন অনুদান এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আওতাধীন দোকান ও মার্কেট থেকে ভাড়া বাবদ অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জায়গায় একটি বেসরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও ভাড়া আদায়ের কথা রয়েছে। তবে এসব আয়ের সঠিক হিসাব তাদের কাছে উপস্থাপন করা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, অতীতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দোকানঘর নামমাত্র ভাড়ায় ইজারা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানটির জীববিজ্ঞানের শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, "স্কুলের আয়-ব্যয়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা হলে আমাদের কোনো বকেয়া থাকার কথা নয়। আমরা চাই আমাদের বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করা হোক।"
কলেজ শাখার যুক্তিবিদ্যার শিক্ষক ফখরুল ইসলাম বলেন, "প্রায় ৪ বছর ধরে আমার প্রায় ৭ হাজার টাকা করে বকেয়া রয়েছে। আমার মতো কম-বেশি সবারই বকেয়া আছে। প্রতিষ্ঠান চাইলে এসব পরিশোধ করতে পারে।"
নৈশপ্রহরী আশরাফুল আলম জানান, "বছরের পর বছর আমরা ভাতা থেকে বঞ্চিত। এ বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগও দিয়েছি।"
কয়েকজন কর্মচারী— নৈশপ্রহরী আশরাফুল আলম, পরিচ্ছন্নতাকর্মী জোবেদা খাতুন, এমএলএসএস জেসমিন আক্তার ও আব্দুল মালেক— বকেয়া ভাতা না পাওয়ার কথা জানালেও চাকরিতে ক্ষতির আশঙ্কায় বিস্তারিত বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ইকরাম বলেন, "কমিটির সাবেক লোকদের কারণে প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতির রাজ্যে পরিণত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত এসবের অবসান হবে এবং অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন জানান, "ইতোমধ্যে কিছু বকেয়া আমরা পরিশোধ করেছি। বাকিগুলো পরিশোধের বিষয়ে কাজ করছি। স্কুলের আয় খতিয়ে দেখার জন্য আদায়ের অডিট কমিটি গঠন করব। আমরা স্কুলে অভিযোগ বাক্সও স্থাপন করেছি।"
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসচিব মোহন মিয়া বলেন, "আমি নিজেও বকেয়া পাওনা রয়েছি। কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তহবিল থেকে তাদের বেতন দিতে বাধ্য নয়। তারা রাজস্ব খাত থেকে বেতন পাচ্ছেন। শিক্ষকদের কেউ কেউ বিষয়টি অতিরঞ্জিত করছেন।"
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, "তাদের বারবার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিষয়টি সমাধান করতে।"
দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা বকেয়া থাকার অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয়ের হিসাব, বকেয়া বেতন-ভাতার পরিমাণ এবং পূর্ববর্তী ম্যানেজিং কমিটির সময়কার আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দাকোপে সুশীলন নামক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এ্যাডভান্সিং লোকাল ক্লাইমেট এ্যাকশন প্রকল্পের প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালাটি সোমবার বেলা ১১ টায় দাকোপ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বোরহান উদ্দিন মিঠু। ইউএনডিএফর অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুবক্কর সিদ্দিক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, আইসিটি কর্মকর্তা সমীর বিশ্বাস এবং ভেটোনারী সার্জন ডাঃ সাইদুর রহমান।
প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করেন প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শেখ মোঃ নূরনবী। এ সময় মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার তানভীর আহমেদ রিফাত এবং কমিউনিটি ম্যানেজার ইভা বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় জানানো হয়, দাকোপের সুতারখালী ও বানীশান্তা ইউনিয়নে ২ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের আওতায় ৭৩৯৬ জন সরাসরি উপকার সহায়তার আওতায় আসবে। উপকুলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেল সদৃশ কিছু বস্তু পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ান (এসআরবি-২) এর একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআরবি-২ এর সিপিএসসির কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, মোহাম্মদপুর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের ভেতরে একটি গাছের গোড়ায় পলিথিনের মোড়ানো অবস্থায় ককটেল সদৃশ বস্তু অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রেখে গেছে।
কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিম আরও বলেন, তারা এসআরবির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দিয়েছেন। ইউনিটটি এসে বিষয়টি পর্যালোচনা করে বলতে সক্ষম হবে যে, এটি কোনো বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য কিনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ