ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দাবি যে কোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির


দাবি যে কোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, "জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন, আজকে আট দফা, মনে রাখবেন এটা নয় দফাও হতে পারে, ১০ দফাও হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যে কোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।"

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, "যখন এক দফায় পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।" তিনি বলেন, "সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন। যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি- কোনো চোখ রাঙানিতে কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকে পরোয়া করব না।"

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি। তারা ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।"

সমাবেশের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, যিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলামসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

আরও পড়ুন: ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ইসলামী আন্দোলনের নেতার ক্ষোভ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শত বছর পর বলিভিয়ায় নতুন প্রজাতির বন্য বিড়ালের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ এম


শত বছর পর বলিভিয়ায় নতুন প্রজাতির বন্য বিড়ালের সন্ধান

বিজ্ঞানীরা বলিভিয়ায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর নতুন একটি প্রজাতির বন্য বিড়ালের সন্ধান পেয়েছেন। এই বিড়ালটিকে ‘ট্লিকায়ো’ নামে অভিহিত করা হয়েছে এবং এটি গত ১০০ বছরের মধ্যে শনাক্ত হওয়া প্রথম নতুন বন্য বিড়াল প্রজাতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

নতুন প্রজাতির এই প্রাণীটির শরীরে চিতাবাঘের মতো দাগযুক্ত লোম রয়েছে। এটি বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের নিকটবর্তী পার্বত্য ইয়ুঙ্গাস অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয়েছে।

গবেষণায় যুক্ত জীববিজ্ঞানী ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপ্লোরার পাওলা নোগালেস-আসকারুনজ জানিয়েছেন, বলিভিয়ান আন্দিজ অঞ্চলের স্থানীয় অনেক মানুষ দীর্ঘকাল ধরে প্রাণীটিকে সাধারণ গৃহপালিত বিড়াল বলে ভুল করতেন।

নতুন প্রজাতিটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘লিওপার্ডাস ট্লিকায়ো’ রাখা হয়েছে, যা স্থানীয়দের দেওয়া ‘ট্লিকায়ো’ নাম থেকেই উদ্ভূত।

পাওলা নোগালেস-আসকারুনজ এই আবিষ্কারকে অত্যন্ত বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ১০০ বছরে কোনো নতুন বন্য বিড়াল প্রজাতি শনাক্ত হয়নি। সর্বশেষ ১৯২৩ সালে উরুগুয়ের পাম্পাস ক্যাটকে নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

আকারে ট্লিকায়ো একটি গৃহপালিত বিড়ালের তুলনায় সামান্য ছোট। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার এবং কান গোলাকার। এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া দুটি ট্লিকায়ো বিড়ালের সম্পূর্ণ জিনোম আধুনিক জেনেটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যা তাদের আলাদা প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করতে সহায়তা করেছে।

শনাক্ত হওয়া দুটি প্রাণীর মধ্যে একটি পুরুষ ট্লিকায়ো বর্তমানে ইয়ুঙ্গাস অঞ্চলের একটি প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে। স্থানীয় একটি পরিবার প্রাণীটিকে কিছুদিন পালন করার পর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। অন্যদিকে, একটি স্ত্রী ট্লিকায়ো স্থানীয়দের হামলা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে সেটিকে আবার বনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

নতুন এই প্রজাতি নিয়ে গবেষণার ফলাফল বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘কারেন্ট বায়োলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে। ২০২১ সাল থেকে পরিচালিত গবেষণার ভিত্তিতেই এই আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গবেষকদের মতে, এখন পর্যন্ত ট্লিকায়োর উপস্থিতি শুধু বলিভিয়াতেই পাওয়া গেছে। বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে এ প্রাণীর অস্তিত্বের প্রমাণ এখনও মেলেনি।

বর্তমানে প্রাণীটিকে বিরল এবং বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রজাতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এর সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় ভবিষ্যতে এটিকে বিশ্বের অন্যতম বিরল বন্য প্রাণী হিসেবে আরও উচ্চ ঝুঁকির সংরক্ষণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

সূত্র: সামা টিভি অনলাইন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ

চুল পড়ার সমস্যা বর্তমানে ৩০ বা ৪০ বছর বয়সি পুরুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সম্প্রতি কিশোর বয়সের শেষ দিকে এবং ২০-এর কোঠায় থাকা অনেক তরুণ চুল পড়া, কপালের চুল পেছনে সরে যাওয়া কিংবা মাথার মাঝখানে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। তবে এর পেছনে আসল কারণ কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বংশগত, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস অথবা শরীরচর্চায় ব্যবহৃত ক্রিয়েটিনের ফল হতে পারে। সাধারণত একাধিক কারণে চুল পড়ার ঘটনা ঘটে।

বংশগত কারণ

তরুণদের মধ্যে চুল পড়ার একটি প্রধান কারণ বংশগত। বিশেষ করে কপালের চুল পেছনে সরে যাওয়া বা মাথার মাঝখানে ধীরে ধীরে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া বা পুরুষদের সাধারণ টাক পড়ার প্রবণতা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসকরা জানান, বংশগত কারণে চুলের গোড়া অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (ডিএইচটি) হরমোনের প্রভাবে এসব চুলের গোড়া ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যায়। ফলে সময়ের সঙ্গে চুল পাতলা ও ছোট হতে থাকে।

এ ধরনের বংশগত প্রবণতা শুধুমাত্র মায়ের দিক থেকে আসে—এ ধারণা ভুল। পরিবারের বাবা বা মা উভয় দিক থেকেই এর প্রভাব আসতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল পড়ার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। কপালের দুই পাশের চুল ধীরে ধীরে পেছনে সরে যাওয়া, মাথার মাঝখানে চুল পাতলা হওয়া এবং চুল ক্রমে সরু হয়ে যাওয়ার ধরন হঠাৎ করে সারা মাথায় চুল পড়ার চেয়ে আলাদা।

মানসিক চাপ

বর্তমান জীবনযাত্রার বিভিন্ন বিষয় চুলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। পরীক্ষা, কর্মক্ষেত্রের চাপ, মানসিক উদ্বেগ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, দ্রুত ওজন কমানো এবং বিভিন্ন অসুস্থতা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামে একটি সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংখ্যক চুল অকালেই ঝরে পড়ার পর্যায়ে চলে যায়। তবে কোনো মানসিক চাপ বা অসুস্থতার কয়েক মাস পর চুল পড়া শুরু হতে পারে। এ কারণে অনেকেই চুল পড়ার সঙ্গে আগের কোনো চাপ বা অসুস্থতার সম্পর্ক বুঝতে পারেন না।

ক্রিয়েটিন কি চুল পড়ার কারণ?

শরীরচর্চা করা তরুণদের মধ্যে ক্রিয়েটিন ব্যবহারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ক্রিয়েটিন সরাসরি চুল পড়ার কারণ—এমন নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ক্রিয়েটিন নিয়ে উদ্বেগের মূল কারণ কিছু গবেষণায় ডিএইচটি হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে কোনো হরমোনের মাত্রা বাড়লেই ক্রিয়েটিনের কারণে ক্লিনিক্যালি সিগনিফিক্যান্ট বা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চুল পড়বে—এমনটা বলা যায় না।

যাদের বংশগতভাবে অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তারা ক্রিয়েটিন ব্যবহারের সময় চুলের ঘনত্ব ও চুল পড়ার ধরনে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। বর্তমানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সব তরুণকে ক্রিয়েটিন চুল পড়ার কারণ হবে—এমন সতর্কতা দেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ নেই।

খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের বেঁচে থাকার জন্য চুল অপরিহার্য অঙ্গ নয়। তাই শরীরে পুষ্টির ঘাটতি বা শারীরিক চাপ তৈরি হলে শরীর চুলের বৃদ্ধির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে পারে। পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতি কিছু মানুষের চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তবে চুল পড়লেই যে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে, তা নয়। তাই কারণ না জেনে নিজের ইচ্ছায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি-পরিপূরক গ্রহণ করাও সমাধান নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যশোরে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া আ. লীগের ৮ নেতাকর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া আ. লীগের ৮ নেতাকর্মী আটক

যশোরের কেশবপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কেশবপুর শহরে মিছিল বের করার পর তাদের চিহ্নিত করে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আলতাপোল গ্রামের আবদুল গণির ছেলে গোলাম মোস্তফা (৫০), ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাজনগর বাকরশী গ্রামের আবদুর রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে রাজু আহমেদ (৩৫), ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভেরচি গ্রামের নূর আলী সরদারের ছেলে আকবর হোসেন এলিন, মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মজিদপুর গ্রামের নওশের আলী সরদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম বাবু (৪০)।

এছাড়া যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মোশাররফ হোসেন (৫২), আরবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খোলাডাঙ্গা সরদারপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান সরদার (৪০), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের খলিল মোল্লার ছেলে তবিবার মোল্যা (৫৫) এবং চাঁচড়া ডালমিল এলাকার মাইনুদ্দিনের ছেলে ও ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম হোসেন (৪৪)।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলটি শ্রীগঞ্জ ব্রিজের কাছ থেকে শুরু হয়ে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। পরে মিছিলে অংশ নেওয়া আটজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, কেশবপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা ঠেকাতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যানসারে আক্রান্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


ক্যানসারে আক্রান্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও সাবেক রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।

দীর্ঘ সময় ধরে তার চিকিৎসা চললেও পরিবারের জন্য ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা পরিবারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার পরিবার সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

ভারতের নয়াদিল্লিতে গত আড়াই মাস ধরে তার ক্যানসারের চিকিৎসা চলছে। সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে চিকিৎসার প্রথম ধাপ তিনি অতিক্রম করেছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছেন।

একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ক্যানসারটি শরীরের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়েনি। তবে মূল টিউমারটির আকার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, টিউমারটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ থাকায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ সম্ভব। বাংলাদেশি মুদ্রায় অস্ত্রোপচারের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে।

চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার স্ত্রী ফাতেমা রহমান বলেছেন, "একজন শিক্ষক হিসেবে প্রফেসর মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য শিক্ষার্থীর জ্ঞান, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রেখে চলেছেন। আজ তার জীবনের এই কঠিন সময়ে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত তার বন্ধু, সহকর্মী, বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী এবং সব শুভানুধ্যায়ীর কাছে বিনীত আবেদন, সামর্থ্য অনুযায়ী তার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আসুন, আমরা সম্মিলিতভাবে একজন প্রিয় শিক্ষক ও সহকর্মীর পাশে দাঁড়াই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%