মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৮:২৮ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজসহ জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা প্রযুক্তির সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সদর মডেল থানা থেকে ১৫টি, শিবগঞ্জ থানা থেকে ৬টি, গোমস্তাপুর থানা থেকে ২টি এবং নাচোল থানা থেকে ৭টি—মোট ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট থানার সদস্যদের আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের ফলে ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।
দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে প্রকৃত মালিকরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জেলা পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হারানো মালামাল উদ্ধারে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ঢাকায় আসেন ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম। পূর্ব শেওড়াপাড়ার একটি মেসে অবস্থান করে ফার্মগেটের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন তিনি। ১৬ সেপ্টেম্বর বিকালে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে তাকে বাসার বাইরে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর থেকে রাকিব আর বাসায় ফেরেননি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় আসার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনলাইনে রাকিবের সঙ্গে পরিচয় হয় আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে মামুন সরকারের (২৪)। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ১৬ সেপ্টেম্বর মামুন হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে রাকিবকে শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে ডেকে শুক্রাবাদে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে রাকিবকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করেন। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় মামুন রাকিবের ঘাড় মটকে দেন, যার ফলে রাকিবের মৃত্যু ঘটে।
এরপর মামুন রাকিবের মরদেহ একটি কার্টনে ভরে স্কচটেপ দিয়ে মুড়িয়ে অটোরিকশায় গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যান। সেখান থেকে বাস ও অন্যান্য যানবাহনে নীলফামারীর ডিমলায় পৌঁছান। ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি নিজ বাড়ির সামনে সুপারি বাগানে গর্ত করে কার্টনসহ রাকিবের মরদেহ মাটিচাপা দেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ডিএমপির ক্রাইম প্রিভেনশন (উত্তর) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, রাকিব নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের কাছে ফোন ও অনলাইন মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। রাকিবকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে চারটি বিকাশ ও তিনটি নগদ নম্বরে মোট ৪ লাখ টাকা প্রদান করেন।
রাকিবের বড় ভাই জহুরুল ইসলাম জীবন প্রথমে কাফরুল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় মামলা দায়ের করেন।
মহিদুল ইসলাম জানান, মুক্তিপণ দাবিতে ব্যবহৃত দুটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরের ব্যবহারকারী হিসেবে মামুনকে শনাক্ত করা হয়। পরে ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের শুক্রাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর মামুন পুলিশকে জানান, কয়েক মাস আগে অনলাইনে রাকিবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে রাকিবকে শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে ডেকে নিয়ে যান তিনি। পরে তাকে শুক্রাবাদের বাসায় নিয়ে মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির সময় রাকিবের ঘাড় মটকে দিলে তার মৃত্যু ঘটে।
মহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকালে ডিমলা থানা পুলিশের সহায়তায় মামুনের দেখানো স্থান থেকে কার্টনে ভর্তি অবস্থায় রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বড় ভাই জীবন মরদেহ শনাক্ত করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামুনের কাছ থেকে মুক্তিপণের ৫০ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা এবং মুক্তিপণের অর্থ লেনদেনসহ ঘটনার অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে বলে জানান মহিদুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম শেষ সারির তারকা এবং অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ইভা মেরি সেন্ট মারা গেছেন। তিনি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ১০২ বছর। তার মুখপাত্র জেফ স্যান্ডারসন জানিয়েছেন, কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর কারণ স্বাভাবিক ছিল। মৃত্যুর সময় তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তার পাশে উপস্থিত ছিলেন।
১৯৫৪ সালে ‘অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে ইভা মেরি সেন্টের। প্রথম সিনেমাতেই মার্লন ব্র্যান্ডোর বিপরীতে এডি ডয়েল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। অসাধারণ অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ওই ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার জিতে নেন। তার অভিষেক ছবির মাধ্যমে অস্কার জয় তার ক্যারিয়ারকে শুরুতেই নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।
এরপর ১৯৫৯ সালে আলফ্রেড হিচককের ‘নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট’ সিনেমায় ক্যারি গ্রান্টের বিপরীতে ইভ ক্যান্ডাল চরিত্রে অভিনয় করে আরও খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। সিনেমাটি হলিউডের অন্যতম আলোচিত ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তী সময়ে ‘এক্সোডাস’, ‘গ্র্যান্ড প্রি’, ‘দ্য স্টকিং মুন’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন ইভা।
শুধু সিনেমা নয়, টেলিভিশনেও তার দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ার ছিল। ১৯৯০ সালে ‘পিপল লাইক আস’ মিনি সিরিজের জন্য প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার জেতেন তিনি। পরবর্তী প্রজন্মের দর্শকদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘সুপারম্যান রিটার্নস’ সিনেমায় মার্থা কেন্ট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে ইভা মেরি সেন্ট হলিউডের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় রেখে গেলেন।
১৯২৪ সালের ৪ জুলাই নিউ জার্সির নিউয়ার্কে জন্মগ্রহণ করেন ইভা মেরি সেন্ট। ২০২৪ সালে পরিবারের সঙ্গে ১০০তম জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন তিনি। প্রায় সাত দশকের অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন এই অভিনেত্রী। তার মৃত্যুতে হলিউডের স্বর্ণযুগের আরেক উজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে গেলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে ইউএনও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তীব্রতা বাড়ায় চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুই এলাকায় আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গাছপালা।
ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। হঠাৎ বসতভিটা হারিয়ে এসব পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙনের তীব্রতা সরেজমিনে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়টিও সরকারি উদ্যোগে বিবেচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের প্রশস্তকরণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।
মঙ্গলবার বিকেলে ফটিকছড়ির জুবলি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি বালির পরিবর্তে মাটিমিশ্রিত বালি ব্যবহারের বিষয়টি হাতেনাতে দেখতে পান। এমপি পরে কাজ বন্ধ করে নিম্নমানের সামগ্রী তুলে নির্ধারিত মানের বালি দিয়ে পুনরায় কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফটিকছড়ির একটি কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের জুবলি স্কুল সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ অংশে চলমান প্রশস্তকরণ কাজ পরিদর্শন করেন। বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি গাড়ি থামিয়ে ঘটনাস্থলে নেমে কাজের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় সড়কের ভিত্তি তৈরির কাজে নির্ধারিত মানের বালির পরিবর্তে মাটিমিশ্রিত বালি ব্যবহারের বিষয়টি তার নজরে আসে। সরকারি অর্থে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের কাজ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারকে কঠোরভাবে সতর্ক করে মাটিমিশ্রিত বালি সম্পূর্ণভাবে তুলে ফেলার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত মানের বালি ব্যবহার করে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, "জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বাস্তবায়িত উন্নয়ন কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বরদাশত করা হবে না। কাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অনিয়মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ যদি টেকসই না হয়, তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে। তারা কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি দাবি করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ