বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫২ পি.এম
শীতলক্ষ্যার যৌবনে ভাটা: দখল ও দূষণের প্রভাব
শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভাসমানতা, হালকা বাতাসের প্রবাহ এবং নদীর বুকে ধীরলয়ে চলতে থাকা ঢেউ—এক সময় শীতলক্ষ্যার এমন দৃশ্য মানুষের মনে এক বিশেষ মুগ্ধতা সৃষ্টি করত। কিন্তু জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ভূ-প্রকৃতির পরিবর্তনের ফলে সেই দৃশ্য এখন বদলে গেছে।
শরতের শুরুতেই শীতলক্ষ্যার পানিতে দেখা দিয়েছে ভাটা। পানির গভীরতা আগের তুলনায় কমে যাচ্ছে। এর ফলে নদীর চিরচেনা যৌবন হারিয়ে যেতে বসেছে। যৌবনের উন্মাদনায় পানির স্রোত কমে যাওয়ার কারণে কচুরিপানার প্রভাব নদীতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শীতলক্ষ্যার এই চিত্র দেখা যায়। কিছুদিন আগে নদী ছিল উত্তাল, কিন্তু এখন ধীরগতির স্রোতে কচুরিপানার আধিপত্য।
স্থানীয়দের মতে, একসময় নদী ছিল স্বচ্ছ জল, প্রাণচাঞ্চল্য এবং নৌযানের ব্যস্ততায় মুখরিত।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই পরিচিত রূপ ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। নদীর বুকজুড়ে কচুরিপানার বিস্তার ছাড়াও আবর্জনা জমে রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমছে। এর ফলে নদীর ‘যৌবনকাল’ পার হওয়ার পথে। বছরের পর বছর নদীর প্রতি অবহেলা, দখল এবং দূষণের কারণে শীতলক্ষ্যার স্বাভাবিক পরিবেশ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে।
নদীর তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা ও শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লেও নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে শুধুমাত্র পানিপ্রবাহ যথেষ্ট নয়—নিয়মিত পরিচর্যা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
পরিবেশবাদীদের মতে, একসময় শীতলক্ষ্যার বুক চিরে পালতোলা নৌকা, যাত্রীবাহী নৌযান এবং পণ্যবাহী বড় নৌকা নিয়মিত চলাচল করত। বর্ষা শেষে শরৎ এলেও নদীতে পর্যাপ্ত পানি থাকত। কিন্তু বর্তমানে নদীর বিভিন্ন অংশে পলি জমে নাব্যতা কমে গেছে। এর ফলে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। দখল, দূষণ এবং দীর্ঘদিনের পলি জমার কারণে শীতলক্ষ্যা ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতিপথ ও গভীরতা হারাচ্ছে। নদীর পানিতে বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য মিশে পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে।
কালীগঞ্জের জামালপুর ঘাটের জেলে সুশীল চন্দ্র কালের কণ্ঠকে জানান, পানির গভীরতা কমে যাওয়ার ফলে মাছের বিচরণক্ষেত্র ছোট হয়ে আসছে। এর ফলে নদীনির্ভর মানুষের জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. বোরহান উদ্দিন অরণ্য কালের কণ্ঠকে বলেন, শীতলক্ষ্যাকে বাঁচাতে দ্রুত নদীটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং দূষণ বন্ধ করা জরুরি। তা না হলে একদিন শরতের শীতলক্ষ্যার বুকে শুধুমাত্র স্মৃতি থাকবে—নদীর সেই যৌবন আর ফিরবে না।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম জানান, ‘শীতলক্ষ্যা দখল ও দূষণ রোধে কাজ চলছে। এই কাজ আরো জোরদার হবে। তিনি বলেন, কচুরিপানার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল শহরের তালিকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম
আলফা-জিও, একটি ভৌগোলিক-স্থানিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রতিষ্ঠান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের বড় শহরগুলোর সক্ষমতা নিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এই মূল্যায়নে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের দুটি শহর সর্বনিম্ন তালিকার প্রথম সারিতে অবস্থান করছে
তালিকার চতুর্থ ও নবম স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। খবর
বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরগুলোর অভিযোজন সক্ষমতা, অবকাঠামো, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা এবং নীতিগত প্রস্তুতি বিবেচনা করে ৭২টি শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে আলফা-জিও।
এই সূচকে, ঢাকা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে, যা নির্দেশ করে যে জলবায়ু ঝুঁকির মাত্রার তুলনায় দুর্যোগ মোকাবেলা ও অভিযোজন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বড় শহর হিসেবে বাংলাদেশের রাজধানী চিহ্নিত হয়েছে।
তালিকায় বাংলাদেশের আরেকটি বড় শহর চট্টগ্রামও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আলফা-জিওর তৈরি করা এই সূচকে দেখা গেছে, সর্বনিম্ন সক্ষমতার তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের আহমেদাবাদ। এরপর পাকিস্তানের হায়দ্রাবাদ এবং মুলতান রয়েছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ঢাকা।
তালিকায় পরবর্তীতে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের কলকাতা, পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ এবং করাচি, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, এবং তাইওয়ানের তাইপেই।
অন্যদিকে, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় সবচেয়ে সক্ষম শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো। এরপর রয়েছে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, স্পেনের বার্সেলোনা, তুরস্কের আঙ্কারা, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেস, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল, কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা এবং কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি।
আলফা-জিওর সূচকে একটি শহরের সহনশীলতা নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক বা জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করা হয়নি। বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরটির অভিযোজন সক্ষমতাও মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এই সক্ষমতা নির্ধারণে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, নীতিগত উদ্যোগ এবং বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ ও উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো অবকাঠামোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ৫ জন সাংবাদিক নিখোঁজ হয়ে গেছেন।
জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থা ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, নিখোঁজ সাংবাদিকরা সোমবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানী জাকার্তার নিকটবর্তী একটি এলাকা থেকে স্পিডবোটে করে আনাক ক্রাকাতাউয়ের দিকে রওনা হন। কিন্তু তাদের ফিরে আসার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
স্পিডবোটের মালিকও নৌযানটির ক্রুদের কাছ থেকে কোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারেননি।
নিখোঁজ সাংবাদিকরা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। তারা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের হয়ে কাজ করছিলেন। তাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আন্তারা, তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আইনিউজের সাংবাদিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
শনিবার থেকে আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশটির কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং জাকার্তা ও আশপাশের এলাকায় আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধারকারী সংস্থা জানায়, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে নিখোঁজ সাংবাদিকদের একজন তার সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন।
এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং স্পিডবোটের মালিক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান আল আমরাদ এক বিবৃতিতে জানান, নিখোঁজ বোটটিতে পাঁচজন সাংবাদিক, দুজন ক্রু সদস্য এবং একজন গাইড ছিলেন।
সম্প্রচারমাধ্যম ‘কম্পাস টিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দিনের তল্লাশি অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার সকালে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘আন্তারা’ নিশ্চিত করেছে যে, নিখোঁজদের মধ্যে তাদের আলোকচিত্রী মুহাম্মদ বাগুস খোইরুন্নাসও রয়েছেন। আন্তারা জানিয়েছে, নিখোঁজদের বিষয়ে আরো তথ্য পাওয়ার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, উত্তাল সমুদ্র এবং কম দৃশ্যমানতার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপদেশ ইন্দোনেশিয়ায় সামুদ্রিক দুর্ঘটনা তুলনামূলকভাবে নিয়মিত ঘটনা। দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং বৈরী আবহাওয়াকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়। এর আগে গত জানুয়ারিতে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে একটি বোট ডুবে তিনজন স্প্যানিশ পর্যটক মারা যান। এছাড়া একটি পৃথক ঘটনায় তল্লাশি অভিযান শেষ করার পর ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিখোঁজ ও মৃত ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে ঘুমন্ত সাবেক স্ত্রীর মুখে এসিড নিক্ষেপ করে ঝলসে দেওয়ার মামলায় জুয়েল রানা (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জরিমানার টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত নারীকে দেওয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের এসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আবু হাসান খায়রুল্লাহ এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জুয়েল রানা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হারানহাট ইউনিয়নের দোগাছি গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৮ সালে একই জেলার হরিপুর ইউনিয়নের সোনিয়া খাতুনের (৩৫) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বনিবনা না হওয়ায় ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাদের তালাক হয়।
তালাকের পর সোনিয়া ফরিদপুরের মধুখালী পৌরসভার পশ্চিম গাড়াখোলা মহল্লায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘বীজ’র শাখায় চাকরি নেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের দোতলার একটি কক্ষে থাকতেন। তালাকের পরও জুয়েল তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৯ আগস্ট সোনিয়া ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এরপর ২০২২ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে জুয়েল ওই ভবনের নিচে গিয়ে সোনিয়াকে ডাকাডাকি ও গালাগাল করেন। সোনিয়া কোনো সাড়া না দেওয়ায় জুয়েল ভবনের পাশের একটি আমগাছে উঠে দোতলার খোলা জানালা দিয়ে ঘুমন্ত সোনিয়ার ওপর এসিড ছুড়ে মারেন।
এতে তার মুখ, গলা, ডান হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।
এ ঘটনায় পরদিন ১১ সেপ্টেম্বর সোনিয়ার বাবা মো. মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে জুয়েল রানাকে আসামি করে মধুখালী থানায় এসিড অপরাধ দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ননী গোপাল সরকার তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জুয়েল রানাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি রফিকুল ইসলাম বলেন, এসিড নিক্ষেপ একটি জঘন্যতম অপরাধ। যার ওপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়, তার জন্য এটি মৃত্যুর সমান। এ জঘন্য অপরাধে যাবজ্জীবন সাজা হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। আশা করি, এ রায়ের ফলে সমাজে এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কক্ষে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে এ ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেয়া হয়।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে এ চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী, বিআরটিএ‘র সহকারী পরিচালক এস এম মাহফুজুর রহমান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনুসহ উপকারভোগীরা।
বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সর্বমোট ২৭টি পরিবারের মাঝে এ আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে নিহত ২৫ জনের প্রতি পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত ২ জনের চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রদান করা হয় ৬ লাখ টাকা।
সহযোগিতা প্রাপ্তদের মধ্যে চলতি বছরের ১২ মার্চ বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের পরিবার রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ