ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন কোস্ট গার্ডের হাতে কিউবায় জ্বালানি নিয়ে আসা জাহাজ আটক


মার্কিন কোস্ট গার্ডের হাতে কিউবায় জ্বালানি নিয়ে আসা জাহাজ আটক

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড জানায়, জানুয়ারিতে কিউবার ওপর আরোপিত মার্কিন তেল অবরোধ লঙ্ঘন করে সেখানে জ্বালানি নেওয়া একটি জাহাজ আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর প্রকাশিত হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে ক্যারিবীয় সাগরে ‘এম ভি গ্রেস’ নামের জাহাজটিতে একটি বিশেষ দল তল্লাশি পরিচালনা করে। তখন জাহাজটি কিউবার দিকে যাচ্ছিল এবং এতে জ্বালানি বোঝাই ছিল।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি ২৭ অক্টোবর

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাহাজটি এমন কিছু কৌশল গ্রহণ করছিল, যা সাধারণত ‘ডার্ক ফ্লিট’ বা গোপনভাবে পরিচালিত জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়। এই ধরনের জাহাজ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত পণ্য পরিবহনের সময় পণ্যের উৎস, মালিকানা ও গন্তব্য গোপন রাখে।

পরে ‘গ্রেস’কে মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলের প্রগ্রেসো বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জাহাজটির ব্যালাস্ট ট্যাংকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে, যা মার্কিন কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কোস্ট গার্ড আরও জানায়, চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে তারা ‘জাইরা প্রোভাইডার’ নামে আরেকটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে সেটি আটক করে। ওই জাহাজটিতেও কিউবায় অবৈধভাবে জ্বালানি নেওয়া হচ্ছিল বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ওয়াশিংটন ও হাভানার সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: গাড়িচাপায় দুই পা হারালেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, ফ্লোরিডা থেকে মাত্র প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কমিউনিস্ট শাসিত কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি।

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ওয়াশিংটন কার্যত কিউবার ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ কার্যকর করেছে। এর ফলে প্রায় ৯৪ লাখ মানুষের দেশ কিউবা গভীর অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চ সুদের চাপ কমাতে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা : গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


উচ্চ সুদের চাপ কমাতে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা : গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান উল্লেখ করেছেন যে, ‘উচ্চ সুদহারে উদ্যোক্তাদের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেটি কিছুটা হ্রাস করতে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।’

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজশাহীর ভেড়িপাড়ার মোড়ের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গভর্নর আরও বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকঋণের বিদ্যমান সুদহার প্রায় ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। এ ধরনের উচ্চ ব্যয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে সফল হওয়া উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় স্বল্প সুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

তিনি জানান, “সম্প্রতি দেশের তরুণদের যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণ আমরা দেখেছি, সে শক্তিকে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই ‘উদ্যোগ’ নামে একটি স্কিমের পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে উদ্যোক্তা বাছাই করে ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে এ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে স্কিমটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে এটির কার্যক্রম শুরু হবে।”

মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, ‘১০ হাজার কোটি টাকার পুনরর্থায়ন স্কিমের আওতায় যাতে অধিকসংখ্যক প্রকৃত ও প্রান্তিক কৃষক সুবিধা পায়, সে লক্ষ্যে প্রচলিত জমি বা স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে বিকল্প জামানত ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য উৎপাদন পর্যায় থেকে সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কৃষিমূল্য শৃঙ্খলকে কার্যকর ও গতিশীল করতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনর্থায়ন স্কিম ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদারের সভাপতিত্বে সভায় রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে নূহের নৌকার খোঁজে রাডারে মানবসৃষ্ট কাঠামোর সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


তুরস্কে নূহের নৌকার খোঁজে রাডারে মানবসৃষ্ট কাঠামোর সন্ধান

পাহাড়ের ঢালে একটি অদ্ভুত আকৃতির দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, মাটির নিচে একটি বিশাল নৌযান রয়েছে। বহু বছর ধরে এই দৃশ্যটি গবেষকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। কিছু গবেষক মনে করেন, এটি একটি প্রাকৃতিক শিলাগঠন। অন্যদিকে, কিছু বিশেষজ্ঞের দাবি, এখানে বাইবেলে বর্ণিত নূহের নৌকার চিহ্ন লুকিয়ে থাকতে পারে।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তুরস্কের দুরুপিনার ফরমেশনে নতুন রাডার জরিপ সেই পুরোনো বিতর্ককে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। ‘নোয়াহ’স আর্ক স্ক্যানস’ নামের একটি গবেষণা সংগঠন দাবি করেছে, তাদের নতুন ভূগর্ভস্থ রাডার স্ক্যানে ওই স্থানের নিচে কিছু কাঠামোর সন্ধান মিলেছে, যা প্রাকৃতিক ভূতাত্ত্বিক গঠনের পরিবর্তে মানবসৃষ্ট কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। তবে এই দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি এবং গবেষণাটি পিয়ার-রিভিউডও নয়।

মাটির নিচে কী দেখা গেল?

নতুন জরিপে ব্যবহার করা হয়েছে প্রকৌশলী ড. খসরো বাখতারের তৈরি ‘বাখতাররাডার’ নামের একটি ভূগর্ভস্থ ইমেজিং প্রযুক্তি। নোয়াহ’স আর্ক স্ক্যানস (এনএএস) -এর দাবি, স্ক্যানে কয়েকটি সরলরেখা, কোণাকুণি সংযোগ, স্তরবিন্যাস এবং সম্ভাব্য ফাঁকা জায়গার অস্তিত্ব ধরা পড়েছে।

গবেষকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এসব বৈশিষ্ট্যকে সম্ভাব্য করিডর, কক্ষ বা অভ্যন্তরীণ একাধিক স্তরের অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তাদের মতে, এগুলো কেবল স্বাভাবিক শিলার অস্বাভাবিকতা নয়; বরং একই কোনো কাঠামোর অংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই ব্যাখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

ড. বাখতার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তার কয়েক দশকের কর্মজীবনে এমন অস্বাভাবিকতা তিনি আগে দেখেননি। তবে এসব কাঠামো আসলে কী- নৌযান, অন্য কোনো বস্তু, নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু- সে বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি তিনি।

নূহের নৌকার সঙ্গে যোগসূত্র কেন?

তুরস্কের দুরুপিনার ফরমেশন প্রথম নজরে আসে ১৯৫৯ সালে। কুর্দি এক রাখালের আবিষ্কারের পর তুরস্কের সেনা কর্মকর্তা ইলহান দুরুপিনারের নাম অনুসারে জায়গাটির নামকরণ করা হয় দুরুপিনার। এর অস্বাভাবিক নৌকার মতো আকৃতি এবং আরারাত পর্বতের কাছাকাছি অবস্থান দ্রুতই এটিকে নূহের নৌকার সঙ্গে যুক্ত করে দেয়।

বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, মহাপ্লাবনের সময় নূহের কিশতি আরারাত পর্বতমালার এলাকায় থেমেছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। সেই সূত্র ধরেই কয়েক দশক ধরে দুরুপিনারকে সম্ভাব্য নৌকার স্থান হিসেবে দেখার চেষ্টা চলছে।

কিন্তু এত বছরেও প্রত্নতাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিকভাবে এমন কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা জায়গাটিকে নূহের কিশতির ধ্বংসাবশেষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। বরং ১৯৯০-এর দশকে প্রকাশিত এক গবেষণায় আমেরিকান উদ্ধার বিশেষজ্ঞ ডেভিড ফাসোল্ড ও ভূতত্ত্ববিদ লরেন্স কলিন্স যুক্তি দেন, দুরুপিনারের গঠনটি আসলে প্রাকৃতিক শিলাগঠন। কথিত লোহার অংশ নিয়েও তাদের গবেষণায় প্রাকৃতিক আগ্নেয় খনিজের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছিল।

এবার খননেও জোর

২০২৬ সালে তুরস্ক সরকার দুরুপিনার এলাকায় আরও বিস্তৃত ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের অনুমতি দেয়। এর পরই নোয়াহ’স আর্ক স্ক্যানস (এনএএস) নতুন করে মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু করে। রাডার জরিপের পাশাপাশি গবেষকরা গঠনটির ভেতরে ড্রিলিং শুরু করেছেন। উদ্দেশ্য-মাটির বিভিন্ন স্তর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা এবং সেখানে কাঠ বা অন্য কোনো জৈব পদার্থের অস্তিত্ব আছে কি-না, তা পরীক্ষা করা।

এমনকি সরু ছিদ্র দিয়ে একটি ছোট ‘গোফার’ রোবটও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে নোয়াহ’স আর্ক স্ক্যানস (এনএএস)। সংগঠনটির দাবি, রোবটটি নিচে গিয়ে এমন কোনো শক্ত শিলা বা বেডরকে আটকে যায়নি, যা পুরো কাঠামোটিকে সাধারণ ভূতাত্ত্বিক গঠন হিসেবে ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে।

এ ছাড়া ফরমেশনের উন্মুক্ত পাশ ও কিনারা থেকেও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনায় জীবাশ্মকৃত কাঠ কিংবা মানুষের তৈরি কোনো উপাদানের চিহ্ন রয়েছে কি-না, তা পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

প্রমাণ মিলবে, নাকি রহস্যই থেকে যাবে?

দুরুপিনারকে ঘিরে নূহের কিশতির রহস্য নতুন নয়। কয়েক দশক ধরে নানা দাবি, অনুসন্ধান ও তত্ত্ব এই জায়গাটিকে আলোচনায় রেখেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দাবিই বৈজ্ঞানিকভাবে চূড়ান্ত প্রমাণে পরিণত হয়নি।

নতুন রাডার স্ক্যানের ফলাফল তাই কৌতূহল বাড়ালেও একে নূহের নৌকার প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ এখনই নেই। রাডারে দেখা অস্বাভাবিক কাঠামো আসলে কী, তা জানতে মাটির নমুনার পরীক্ষার ফল, আরও বিস্তৃত খনন এবং স্বাধীন গবেষকদের যাচাই প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় জাতীয় ক্রিকেট লিগের পর্দা উঠলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


খুলনায় জাতীয় ক্রিকেট লিগের পর্দা উঠলো

খুলনা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী ও বড় আসরটির প্রতি নতুন উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। আজ থেকে শুরু হলো ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের খেলা।

আজ শনিবার সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি পরিচালক, নারী উইংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম এবং শফিকুল ইসলাম হোসেনসহ বিসিবি ও ক্রীড়াঙ্গনের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের আটটি বিভাগীয় দল নিয়ে শুরু হয়েছে ৪ দিনের এই ক্রিকেট মহাযজ্ঞ। প্রথম রাউন্ডে স্বাগতিক খুলনা বিভাগের প্রতিপক্ষ বরিশাল বিভাগ। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল মোট ৭টি করে ম্যাচ খেলবে। আগামী ১৭ নভেম্বর টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটবে।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে খেলার সর্বশেষ প্রস্তুতি দেখতে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে বিসিবি’র টেকনিক্যাল টিম।

বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন বাসস’কে জানান, ‘এনসিএলের ম্যাচ আয়োজনের মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিন পর খুলনায় জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট মাঠে গড়ালো। মাঠে খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়াল ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিসিবি থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, কেবল এনসিএল নয়, আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ডি-থ্রি’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোও খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিসিবি টিমের এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল এনসিএল সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং ডি-থ্রি ও ভবিষ্যতে বিসিবি’র পরিকল্পিত বড় পরিসরের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরের ভেন্যু হিসেবে খুলনার সক্ষমতা যাচাই করা। যদিও ভেন্যুর কিছু সংস্কার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

এদিকে, এনসিএলের এই ম্যাচ শুরুর মাধ্যমে খুলনায় আবারও নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ফেরানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন এখন বেশি জনপ্রিয়, জানাল সমীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন এখন বেশি জনপ্রিয়, জানাল সমীক্ষা

লাতিন আমেরিকার প্রভাব বিস্তারে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে চীন অগ্রগামী হয়েছে। আঞ্চলিক একটি নতুন জরিপের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, লাতিন আমেরিকার অধিকাংশ জনগণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনকে অধিক ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করছে। চিলিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘ল্যাটিনোবারোমেট্রো’র ২০২৬ সালের সমীক্ষায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার ১৭টি দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই হার ৫৭ শতাংশ। ২০২০ সালে যেখানে ৪৮ শতাংশ মানুষ চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক মনে করতেন, সেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে। ১৭টি দেশের মধ্যে কেবল কোস্টারিকা এবং ডমিনিকান রিপাবলিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব চীনের তুলনায় বেশি জনপ্রিয়।

যদিও প্রভাবের দিক থেকে চীন এগিয়ে গেছে, তবুও সামগ্রিক পছন্দের বিচারে লাতিন আমেরিকার ৬৩ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে এবং ৫৮ শতাংশ মানুষ চীনকে পছন্দ করেন। এছাড়া, ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর গ্রেপ্তারের বিষয়টিকে আর্জেন্টিনা ছাড়া বাকি সব দেশের অধিকাংশ মানুষ সমর্থন করেছেন।

উল্লেখযোগ্য যে, মে থেকে জুন মাসের মধ্যে প্রায় ১৯ হাজার ২০০ মানুষের ওপর মুখোমুখি সাক্ষাৎকার নিয়ে এই সমীক্ষাটি পরিচালিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%