মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১১ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মন্তব্য করেছেন যে, তেহরান ও মস্কোর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সুদৃঢ় ও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের তেহরান সফর এবং উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি করেছেন তিনি। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রাশিয়া যখন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই দুই দেশের এই অভূতপূর্ব কূটনৈতিক ও কৌশলগত ঐক্য আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বাণীতে উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের দীর্ঘ ইতিহাসের কোনো পর্যায়েই তেহরান ও মস্কো বর্তমান সময়ের মতো এত ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করেনি। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি বৈশ্বিক নিরাপত্তাকেও মারাত্মকভাবে বিপন্ন করে তুলছে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরান ও রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান মিত্রতা বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জন্ম দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তেহরান বলপ্রয়োগ বা চাপের মাধ্যমে অন্য কোনো দেশের অযৌক্তিক দাবি মেনে নেবে না। সোমবার (১৯ অক্টোবর) তিনি তেহরানে সফররত রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন।
একটি বিবৃতিতে, যা ইরানি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে, পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, সামরিক কমান্ডার, পরমাণু বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং দেশের অবকাঠামোয় হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, "এ ধরনের কর্মকাণ্ড সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন ও নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী।"
পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক কূটনীতির বিষয়ে বলেন, পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইরানের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই এবং তেহরান বিদ্যমান সমস্যা ও সংকটগুলো সমাধান করতে আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
বৈঠকে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মস্কো ও তেহরানের মধ্যে বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থানের গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক সক্ষমতাগুলোর সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা ইরান ও রাশিয়া বিগত বছরগুলোতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে মোকাবিলা করতে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। সূত্র: চায়না ডেইলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া ইশরাক হোসেনের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হত, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর চন্দনপুরায় একটি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রুকন সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।
ইশরাক হোসেনের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “দেখেন, এটা তাদের একটা দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তার পরে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এটা বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী এটা চেয়েছেন তার জন্য সে পদত্যাগ করেছে।
“মাদক তো সমাজ দেহকে শেষ করে ফেলতেছে। তার যেটা করা দরকার ছিল, সে বলেছে যে সেখানে পুলিশ ছিল ফোর্স ছিল। তার হাতে অস্ত্রটা না থাকলে ভালো হত। এতটুকু। তার কাজকে কেউ নেগেটিভ বলার সুযোগ নাই।” তিনি আরও বলেন, “কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি তো, একজন প্রতিমন্ত্রী তো। এভাবে যদি আপনি প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র হাতে বহন করেন বা কাউকে এটা দিয়ে তাক করেন। তাহলে তিনি হয়ত ভালো নিয়তে করেছেন। কিন্তু খারাপ নিয়তে প্রয়োগ করার মানুষের তো এই সমাজে অভাব নাই। এরা রেফারেন্স হিসেবে এটাকে ইউজ করবে। যদি আপনি সিভিল এটিচিউড থেকে নেন, এতটুকুই থাক। কিন্তু তার কাজের ব্যাপারে তো এখানে আপত্তি করার কিছু নেই।”
মাদক নিয়ে আপনার বার্তাটা কি, এমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, মাদক তো আমরা নির্মূল চাই। সংসদে আইন পাস হয়েছে মাদক নিয়ন্ত্রণ। আমরা তো নিয়ন্ত্রণ চাই না। আমরা নির্মূল চাই।”
মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা কেমন দেখছেন জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, “এটা তো আমার পক্ষ থেকে ইশরাকই বলে দিছে।”
সোমবার দুপুরে কয়েকশ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।
অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’ চালানোর ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এর আগে শনিবার বিকালে নিজের ফেইসবুক পেইজে গেণ্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন ইশরাক হোসেন।
একটি ভিডিওতে গেণ্ডারিয়ার রেললাইনের পাশের একটি এলাকায় তাকে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তির হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে সৈয়দপুর থেকে সামরিক বিমানে তিনি রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্যরা।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ পিপিএম, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার ফয়জুল কবির পিপিএম, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও জেলা পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তিনি রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর রংপুর যাওয়ার পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটি পথসভায় অংশ নেন তিনি।
পরে রংপুরের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী’—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি উল্লেখ করেছেন, এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধা ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সাদামাটির পাহাড় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ইতিমধ্যে পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রী শিগগিরই এ এলাকা পরিদর্শন করবেন। এর আগে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল এসে এলাকার পর্যটন সম্ভাব্যতা যাচাই করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে শিগগিরই এলাকার আকাশচিত্র বা এরিয়াল ভিউ ধারণের চেষ্টা করা হবে। পরে সেই চিত্র পর্যটন করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হবে।
কায়সার কামাল বলেন, এত দিন দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও নথিপত্রের ঘাটতি ছিল। এবার সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান তারা।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরার পরিকল্পনা
দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ অঞ্চলে রয়েছে চিনামাটির পাহাড়, গারো পাহাড় এবং স্বচ্ছ পানির সোমেশ্বরী নদী। পাহাড় ও নীল পানির সমন্বয়ে এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য অনন্য। তিনি মন্তব্য করেন, পাহাড়ের কিছু এলাকায় গেলে কাশ্মীরের মতো প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুভূতি পাওয়া যায়।
তবে এত দিন এ এলাকার যথাযথ পরিচর্যা হয়নি বলে উল্লেখ করেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুর-কলমাকান্দার সৌন্দর্য সারা দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তুলে ধরতে চান তাঁরা। দ্রুত এ অঞ্চলকে নির্দিষ্ট পর্যটন এলাকার আওতায় এনে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটন এলাকা ঘোষণার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং বিনিয়োগের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শীত মৌসুমে পর্যটকদের নিরাপত্তায় উদ্যোগ
শীত মৌসুমে দুর্গাপুরে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ সময়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। পর্যটকদের নিরাপত্তায় এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়ারও চেষ্টা করবেন।
কায়সার কামাল বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তার লক্ষ্য, এ অঞ্চলের পর্যটন নগরী হওয়ার প্রত্যাশা যেন শুধু কথায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নথিপত্রের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ