ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওবামার কড়া আক্রমণ


এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওবামার কড়া আক্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতি ও কর্মকাণ্ডের উপর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার অভিযোগ তুলেছেন, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধকে অপ্রয়োজনীয় আখ্যা দিয়ে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ওবামা। তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো এমন একটি যুদ্ধ শুরু করা, যা কেউ চায়নি।

ওবামা ভোটারদের রিপাবলিকান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গত দুই বছরে বিশৃঙ্খলা, নিষ্ঠুরতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতা দেখা গেছে। এবার ভোটারদের সামনে এসবের বিরুদ্ধে যথেষ্ট হয়েছে বলার সুযোগ এসেছে।

আরও পড়ুন: মেঘনায় নৌ পুলিশের অভিযানে ৩৩ জেলে আটক, ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পরে মিশিগানের ডেট্রয়েটে আরেকটি সমাবেশে অংশ নিয়ে ওবামা আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটকে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির লাগাম টানার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ট্রাম্প নিজের স্বার্থে ক্ষমতা ব্যবহার করছেন এবং সুবিধা বিক্রির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ের দাবি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেন ওবামা। তার মতে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হামলার হুমকি দিয়ে ইরান এখন বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহের ওপর আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে।

ওহাইওর গভর্নর পদপ্রার্থী অ্যামি অ্যাক্টনকে নিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীর প্রচার বিজ্ঞাপনেরও সমালোচনা করেন ওবামা। বিজ্ঞাপনটিতে অ্যাক্টনের মা তার মেয়ের শৈশবের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ভোটারদের তাকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান। ওবামা বলেন, রাজনৈতিক প্রচারে এমন কিছু সীমা থাকা উচিত, যা কেউ অতিক্রম করবে না। তিনি অ্যাক্টনের পাশে থাকার কথাও জানান।

মিশিগানের সমাবেশে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের পক্ষেও কথা বলেন ওবামা। তিনি এল-সাইয়েদের নাম ও মুসলিম পরিচয়কে ব্যবহার করে তাকে আক্রমণ করার অভিযোগ তোলেন। ওবামা বলেন, এল-সাইয়েদ তারই মতো মূল্যবোধ ধারণ করেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে ৮ হাজার প্রবাসী ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে নেমেছেন ওবামা। আগামী সপ্তাহে জর্জিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের আরেকটি সমাবেশে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলা

রাজধানীর মগবাজারে নিজের গাড়িতে গুলির ঘটনার জন্য মামলা দায়ের করেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে হাতিরঝিল থানায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে কোনো নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনো এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর পৌনে ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে আসিফ আকবরের গাড়ির দিকে গুলি ছোড়া হয়। ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না; তিনি বিশাল সেন্টারে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয় বা স্টুডিওতে ছিলেন। গাড়িতে অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ফলে এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। তবে গাড়িটির পেছনের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় এসে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি গাড়ির দিকে গুলি ছোড়েন। পরে তিনি ওই অটোরিকশায় করে মালিবাগের দিকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে একটি গুলির কার্তুজ উদ্ধার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার জন্য আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গুলির ঘটনার উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হচ্ছেন একটি শক্তিশালী ও উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হচ্ছেন একটি শক্তিশালী ও উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রাতে টোকিওর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করছেন চার দিনের সরকারি সফরে। এই উচ্চপর্যায়ের সরকারি সফরটি ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে তার সঙ্গে যোগ দিচ্ছে একটি শক্তিশালী ও উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও মিডিয়া টিম।

সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে, মেট্রোরেলসহ বাংলাদেশে চলমান মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য-অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

চার দিনের সফরের সময়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে, তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন করবেন এবং ঐতিহ্যবাহী ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে’ মূল বক্তব্য দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপাল ফের বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


নেপাল ফের বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু

আগস্ট মাসের ভয়াবহ বন্যার ফলে দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থগিত হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ রপ্তানি গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পুনরায় শুরু করেছে নেপাল। ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের জাতীয় গ্রিড বা ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৬ আগস্ট ভোটেকোশী নদীর তীব্র বন্যায় ত্রিশূলি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই কেন্দ্র দুটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমতি ছিল। বন্যার কারণে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানিও আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (সিইএ) অন্যান্য বিকল্প জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পরই এই রপ্তানি পুনরায় শুরু করা সম্ভব হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত ব্যবস্থার অধীনে, এখন থেকে ‘সোলু খোলা’ এবং ‘কাবেলি বি-১’ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পাঠাবে নেপাল। ‘লোয়ার মোদি খোলা’ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে ভারতের হরিয়ানায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। পূর্বে অনুমোদিত ত্রিশূলি, চিলিমে এবং দেবীঘাট কেন্দ্রগুলোর স্থলাভিষিক্ত হলো এই নতুন প্রকল্পগুলো।

দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা মন্তব্য করেছেন, "বন্যা ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও দ্রুত বাংলাদেশে সরবরাহ চালু করতে পারা এবং অন্যান্য প্রকল্পে বিদ্যুৎ বিক্রি বজায় রাখা নেপালের আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য এক বড় অর্জন। বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্য বাড়াতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"

এছাড়া, মৌসুমভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (এনইএ) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে ৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে নেপাল।

ভারতে বিদ্যুৎ রপ্তানি এবং নেপালের রেকর্ড আয়

এদিকে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এনইএ ভারতে মোট ৫.৯২৫ বিলিয়ন রুপি (৫৯২.৫ কোটি রুপি) মূল্যের বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে। একাধিক কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও যা গত বছরের একই সময়ের এবং বিগত মাসের আয়ের চেয়েও বেশি।

এনইএ-এর লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এলডিসি)-এর তথ্যমতে, আলোচ্য এক মাসে নেপাল ভারতে ৬৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার (৬৩৩.৯৮৬ মিলিয়ন) ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করেছে। বানের তোড়ে ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদিত কয়েকটি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে পড়ায় রপ্তানি সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও চূড়ান্ত আয়ে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

গত বছরের এই নির্দিষ্ট সময়ে নেপালের আয় ছিল ৪.৯৬৩ বিলিয়ন রুপি, যা থেকে এবার অতিরিক্ত ৯৬২ মিলিয়ন রুপি বেশি অর্জিত হয়েছে। চলতি বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মেয়াদের আয় (৫.০৯২৫ বিলিয়ন রুপি) থেকেও এবার ৮৩২.৫ মিলিয়ন রুপি বেশি আয় করেছে দেশটি।

দুইটি প্রধান মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বিক্রি করা হয়েছে। এরমধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিদ্যুৎ বিক্রি চুক্তির আওতায় ভারতের হরিয়ানা ও বিহার রাজ্যে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জ (আইইএক্স)-এর ডে-অ্যাহেড ও রিয়েল-টাইম মার্কেটে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা হয়েছে।

স্বদেশি চাহিদা মেটানোর পর বর্ষাকালে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাইরে বিক্রি করে থাকে এনইএ। মধ্যমেয়াদী চুক্তির ভিত্তিতে প্রতি বছর জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত হরিয়ানা ও বিহারে এই বিদ্যুৎ পাঠানো হয়।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই নেপাল সর্বমোট ১৬.১৫১৩ বিলিয়ন (১,৬১৫.১৩ কোটি) রুপির বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে।

পরিচালক শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদে নেপালের রপ্তানি আয় বহুগুণ বেড়েছে। এই সময়ে ভারতে প্রেরিত মোট বিদ্যুতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই গেছে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে এবং বাকিটা বিক্রি হয়েছে ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২২ বছর পর সেই রক্তাক্ত দিন: র‍্যাবের কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা মেহেদী, স্বজনদের আকুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


২২ বছর পর সেই রক্তাক্ত দিন: র‍্যাবের কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা মেহেদী, স্বজনদের আকুতি

বরিশালের রাজনীতিতে আলোচিত যুবনেতা মাহবুবুল আলম মেহেদীর মৃত্যুর ২২ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর র‍্যাবের কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন তিনি। মৃত্যুর সময় মেহেদী ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং তৎকালীন বরিশাল মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘ ২২ বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে পরিবারের পক্ষ থেকে তোলা অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন আলোচনায় রয়েছে। ২২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করে পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। তাঁদের লেখায় উঠে এসেছে মেহেদীর ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক স্মৃতি, অকালমৃত্যুর বেদনা এবং দীর্ঘদিন ধরে বয়ে চলা শোকের কথা।

মেহেদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর বড় ভাই শফিকুল আলম গুলজারের স্ত্রী আসমা পারভীন রত্না দেবরকে নিয়ে একটি আবেগময় স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট দেন। সেখানে তিনি মেহেদীর ব্যক্তিত্ব, শৈশব, পারিবারিক বন্ধন এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁর বিশেষ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। পোস্টটি কেবল একজন প্রয়াত স্বজনকে স্মরণ করার আবেগেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দীর্ঘদিন আগে হারিয়ে যাওয়া একজন প্রিয় মানুষের স্মৃতি কীভাবে পরিবারের মনে আজও জীবন্ত রয়েছে, সেটিও প্রকাশ পেয়েছে তাঁর লেখায়।

আসমা পারভীন রত্নার স্মৃতিচারণে মেহেদী ছিলেন সৌন্দর্য, সৌম্যতা ও সরলতার এক অনন্য সমন্বয়। তাঁর চোখে মেহেদী ছিলেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষ। অভিজাত ও সৌম্য চেহারা, মায়াভরা চোখ এবং শিশুর মতো সরল মন তাঁকে পরিবারের অন্যদের কাছে বিশেষ করে তুলেছিল। পোশাক-পরিচ্ছদেও তিনি ছিলেন পরিপাটি। বিশেষ করে পাঞ্জাবি পরলে তাঁকে খুব সুন্দর লাগত বলে স্মৃতিচারণে উল্লেখ করেন আসমা পারভীন রত্না। ছোটবেলা থেকেই মেহেদী নিজের পরিচ্ছন্নতা ও গোছানো জীবনযাপনের প্রতি যত্নশীল ছিলেন বলেও জানান তিনি।

নিজের বিয়ের সময় মেহেদীর বয়স ১২ থেকে ১৩ বছরের মতো ছিল উল্লেখ করে আসমা পারভীন রত্না লেখেন, চোখের সামনে তাঁকে শৈশব পেরিয়ে কৈশোর এবং পরে তারুণ্যে পা দিতে দেখেছেন। সময়ের সঙ্গে মেহেদীর বেড়ে ওঠা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং নানা স্মৃতি আজও তাঁর মনে অমলিন। পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের এই মানুষটির অকালমৃত্যু যে কতটা গভীর শূন্যতা তৈরি করেছিল, তাঁর স্মৃতিচারণে সেই বেদনার প্রতিফলন দেখা যায়।

মেহেদীর মাতৃহীন শৈশবের কথাও স্মরণ করেন আসমা পারভীন রত্না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মেহেদীর বয়স যখন মাত্র দেড় বছর, তখন তাঁর মা মারা যান। মায়ের স্নেহ, ভালোবাসা ও আঁচলের নিরাপদ আশ্রয় বোঝার আগেই মাতৃহারা হতে হয়েছিল তাঁকে। পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসায় বেড়ে ওঠা মেহেদীর জীবনের এই অধ্যায়ও তাঁর স্মৃতিচারণে বিশেষভাবে উঠে এসেছে।

পোস্টের শেষাংশে মেহেদীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফেরদৌস প্রার্থনা করেন আসমা পারভীন রত্না। তাঁর কবর নূরের আলোয় আলোকিত করা, পরকালের হিসাব সহজ করে দেওয়া এবং জান্নাতে উত্তম স্থান দেওয়ার জন্যও দোয়া করেন তিনি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও একজন প্রিয় স্বজনকে হারানোর বেদনা যে পরিবারের সদস্যদের মনে কতটা গভীরভাবে রয়ে গেছে, তাঁর এই প্রার্থনা ও স্মৃতিচারণে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


মাহবুবুল আলম মেহেদী বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং তৎকালীন বরিশাল মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর র‍্যাবের কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটেছিল পবিত্র রমজান মাসে, সন্ধ্যার পর। সে সময় তাঁর মৃত্যু বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য, অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য সামনে আসে।

একজন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা নেতার মৃত্যু ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন রয়েছে বলে দাবি করে আসছে তাঁর পরিবার। বিশেষ করে মৃত্যুর পেছনের পরিস্থিতি, ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা ছিল কি না এবং ঘটনার পর দায়ের করা মামলা নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি, তদন্তের ফলাফল এবং আদালতের সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ।

মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ২০২২ সালে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়, যখন তাঁর বড় ভাই শফিকুল আলম গুলজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে পরোক্ষ যোগসাজশের অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্যে তৎকালীন বরিশালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মেহেদীর মৃত্যুর পেছনে সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আসে।

গুলজারের অভিযোগে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আসাদুজ্জামান খসরু, অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন জুম্মন, কে এম শহিদুল্লাহ ও হাসানের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবে বিবেচ্য। অভিযোগগুলোর সত্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

শফিকুল আলম গুলজার সে সময় দাবি করেন, মেহেদীর জনপ্রিয়তা এবং রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, এই বিরোধের জেরেই মেহেদীকে হত্যার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় গুলি চললেও সেটি দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ছিল না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রকৃতি ও পরিস্থিতি নিয়ে যেসব বিবরণ সামনে এসেছিল, সেগুলো নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে।

গুলজার আরও দাবি করেন, মেহেদীর মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবারের অজান্তেই মামলাটি খারিজ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভাইয়ের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কথা বলে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পাওয়ার হতাশা এবং ভাইয়ের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়।

তবে গুলজারের এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ ওঠার পর বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ার তা অস্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, মেহেদী তাঁদের দলের কর্মী ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁরা প্রতিবাদ, আন্দোলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিলেন। গুলজারের অভিযোগকে তিনি মিথ্যাচার বলে আখ্যা দেন। ফলে ঘটনাটি নিয়ে পরিবারের অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নেতার অস্বীকৃতিও আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ঘটনাটিকে রহস্যজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। ঘটনার পেছনের কারণ এবং কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগে তাঁর নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্যে একদিকে ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে, অন্যদিকে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে আপত্তিও প্রকাশ পায়।


মেহেদীর মৃত্যুর ২২ বছর পূর্ণ হলেও ঘটনাটি ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণের প্রশ্ন রয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে পরোক্ষ যোগসাজশ, ঘটনার প্রকৃতি এবং মামলা খারিজ হওয়া নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও নথিভিত্তিক অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁদের বক্তব্য এবং অভিযোগ অস্বীকারের বিষয়টিও সংবাদে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শী, নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বাইরে গিয়ে প্রামাণ্য তথ্য, মামলার নথি, তদন্তের ফলাফল এবং আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দায়ী করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি অভিযোগগুলো যাচাই না করে উপেক্ষা করাও যথাযথ হবে না।

মেহেদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের সদস্যদের আবেগঘন স্মৃতিচারণে আবারও সামনে এসেছে তাঁকে হারানোর দীর্ঘদিনের শোক। আসমা পারভীন রত্নার স্মৃতিতে মেহেদী আজও পরিবারের আদরের, পরিপাটি ও সরল স্বভাবের সেই মানুষটি, যাঁর অনুপস্থিতি সময়ের ব্যবধানেও মুছে যায়নি। অন্যদিকে, তাঁর বড় ভাইয়ের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা।

একজন নির্বাচিত কাউন্সিলর ও যুবদল নেতার মৃত্যুর ২২ বছর পরও ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন ও অভিযোগ আলোচনায় থাকা বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে। পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রামাণ্য তথ্যের আলোকে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মেহেদীর পরিবার যে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আসছে, সেই প্রত্যাশার নিষ্পত্তি নির্ভর করবে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ, যথাযথ তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%