শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫২ পি.এম
নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি চত্বরের নাম গত কয়েক বছরে তিনবার পরিবর্তন করা হয়েছে।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে স্থানটির নাম ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চত্বর’ রাখা হয়েছে। একই স্থানে বারবার নাম পরিবর্তনের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, যখন যে দল বা সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের পছন্দের নামে চত্বরটির নামকরণ করা হয়ে থাকে। ২০২০ সালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর স্মারক হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ও মুজিব চত্বর’ স্থাপন করা হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটি উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।
পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ওই চত্বরের নাম ‘ওসমান হাদি চত্বর’ ঘোষণা করেন জুলাই সর্বদলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হারুনুর রশীদ আজাদসহ জামায়াত, শিবির ও জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে স্থানটির নাম ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চত্বর’ ঘোষণা করা হয়। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই নামকরণের ঘোষণা দেন।
একই স্থানে বারবার নাম পরিবর্তনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকের মতে, নতুন কোনো স্থাপনা বা চত্বর নির্মাণ না করে বিদ্যমান স্থাপনাগুলোর নাম বারবার পরিবর্তন করা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী।
এদিকে নোয়াখালী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর কোনো স্থাপনার নামফলক মুছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে চত্বর করার ইচ্ছা দলটির নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি সস্তা রাজনীতি করে না। নোয়াখালীতে কেউ নিজ উদ্যোগে এমন কিছু করলে তার দায় বিএনপি নেবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নুরুল আমিন খান আরও লেখেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে এক নামে আর ক্ষমতায় না থাকলে অন্য নামে চত্বর করার সংস্কৃতির অবসান হওয়া উচিত।’
নোয়াখালী জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক রবিউল হাসান পলাশ বলেন, ‘কোনো চত্বরের নামকরণ করতে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয়। মুজিব চত্বর করার সময় তা মানা হয়েছিল কি না জানি না। ঠিক একইভাবে হাদি চত্বর করার সময় সরকারি অনুমতি নেয়া হয়েছিল কি না তা-ও জানা নেই। এখন শহীদ জিয়া চত্বর করতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নেয়া হয়েছে কি না, তা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদই ভালো বলতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। দেশটির অভিবাসন পরিষেবা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের শেষ নাগাদ জাপানে ৪২ লাখ ৮১ হাজার ২৬ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষের তুলনায় এ সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৩১ বেড়ে গেছে।
জাপানের সংবাদমাধ্যম এনএইচকে ও জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বসবাসের অনুমতির ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশি স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে রয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা ৯ লাখ ৬১ হাজারের বেশি। এরপর প্রকৌশলী, মানবিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সেবায় কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা রয়েছে। এ শ্রেণিতে ৫ লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন।
নাগরিকত্বের দিক থেকে জাপানে সবচেয়ে বেশি চীনের নাগরিক বসবাস করছেন। তাঁদের সংখ্যা ৯ লাখ ৪১ হাজারের বেশি। পরবর্তীতে ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছেন ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮০০ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক সংখ্যা ৪ লাখ ৮ হাজার ৭০০। ফিলিপিন্সের নাগরিকদের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৬৩ হাজার।
এদিকে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ বিদেশি নাগরিক জাপানে প্রবেশ করেছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা সামান্য কমেছে।
জাপানে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি নিয়ে প্রবেশকারীর সংখ্যা কমেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এ ধরনের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেছেন ৬৩৫ জন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৩ হাজার ৩০০। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এ ধরনের অনুমতি পাওয়ার শর্ত কঠোর করা হয়েছিল। এর ফলে সংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত জাপানে বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৬৫ হাজার ২০০ বিদেশি নাগরিক দেশটিতে অবস্থান করছিলেন। জানুয়ারির হিসাবের তুলনায় এ সংখ্যা ৩ হাজার ৩০০ কম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবে হামলার খবর এবং একের পর এক ক্রীড়া আয়োজন পিছিয়ে যাওয়ার কারণে ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপের আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল প্রতিযোগিতাটি নির্ধারিত সময়েই আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব।
স্থানীয় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলছে। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের স্থানীয় আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, মাঠ, অবকাঠামো এবং আনুষঙ্গিক সেবাসহ টুর্নামেন্ট আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে।
কমিটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আয়োজন ও পরিচালনার সব ক্ষেত্রে প্রস্তুতি অনুমোদিত সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে ভেন্যু, সুযোগ-সুবিধা এবং সহায়ক সেবার কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘টুর্নামেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিযোগিতাটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।’
হামলার পর বাড়ছে অনিশ্চয়তা
সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলার পর আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসর আয়োজনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গত শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এই পরিস্থিতির প্রভাব সৌদি আরবের ক্রীড়া সূচিতেও পড়তে শুরু করেছে। টেনিসের প্রদর্শনী প্রতিযোগিতা সিক্স কিংস স্ল্যাম অক্টোবর থেকে পিছিয়ে ডিসেম্বরে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফিফা ও সৌদি ই-স্পোর্টস ফেডারেশন ফিফা-ই ফাইনালস ২০২৬ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
একের পর এক আয়োজনের সূচি পরিবর্তনের কারণে এশিয়ান কাপের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পিছিয়ে যেতে পারে এশিয়ান কাপ
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা চলতি সপ্তাহে জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ২০২৭ এশিয়ান কাপ এক বছর পিছিয়ে ২০২৮ সালে আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তবে আয়োজক কমিটি এখনই প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে, যেন টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত নিশ্চিত করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে সেচকল নিয়ে বিরোধের ফলস্বরূপ সংঘর্ষে আহত মো. হারেছ (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি চারিতলা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের পুত্র ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের চারিতলা গ্রামে সেচকল নিয়ে বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় একই গ্রামের মামুন মিয়ার লোকজন হারেছকে মারধর করে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু ঘটে।
করিমগঞ্জ থানার ওসি সোয়েব খান জানান, ‘এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ নিয়ে কেউ আসেনি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে মাদকসহ আটক দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিতে জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে। এ ঘটনার পর পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—শুভ (২০), ছানোয়ার হোসেন হৃদয় (২৩) ও ইয়াসিন (২৬)। ঘটনার রাতেই গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) সদর মেট্রো থানা-পুলিশ এবং রেলওয়ে পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় একটি মামলা এবং মাদকসহ দুজনকে আটকের ঘটনায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য এটিএসআই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা রেলওয়ে থানায় উভয় মামলাটি দায়ের করেন।
ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি জয়নাল আবেদিন জানিয়েছেন, ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকসহ আটক আনিছ (১৮) ও শিমলা আক্তার (২২) হামলা ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর মেট্রো থানা-পুলিশ তাদের রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে এবং তাদের ঢাকার আদালতে পাঠানো হবে।
আনিছ ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের হারেছ মিয়ার ছেলে এবং শিমলা আক্তার গাজীপুর সদর থানার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের চা-বাগান বাঁশতলা এলাকার সেলিম মিয়ার মেয়ে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে তাদের পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। তাদের আটকের খবর পেয়ে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা আটক দুজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় বাধা দিলে হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এটিএসআই নুরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আশিকুর রহমান আহত হন। তাদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ