ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মকবুল মিয়া সড়ক: দুর্ভোগের আরেক নাম স্থানীয়দের দ্রুত সংস্কার দাবি


মকবুল মিয়া সড়ক: দুর্ভোগের আরেক নাম স্থানীয়দের দ্রুত সংস্কার দাবি

 

দুই দশক ধরে সংস্কার না হওয়ার ফলে বেহাল অবস্থায় রয়েছে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের মকবুল মিয়া সড়ক। এটি বৃহস্পতিবার 

সড়কটির মধ্যে অসংখ্য খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। কোথাও সড়কের অংশ ধসে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ খাদ।

আরও পড়ুন: স্বামীর হয়রানি থেকে মুক্তি ও নিরাপত্তার দাবিতে স্ত্রী ফারহানা ইসলাম শারমিনের সংবাদ সম্মেলন

বৃষ্টির কারণে কিছু অংশ পানির নিচে চলে যায়, আবার কোথাও উঁচু টিলার মতো দাঁড়িয়ে আছে। দুই যুগ আগে বসানো ইটের অস্তিত্বও বহুাংশে বিলীন হয়ে গেছে।

এ এমন অবস্থা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামের মকবুল মিয়া সড়কের। স্থানীয়রা জানান, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সড়কটির সংস্কার কিংবা উন্নয়নকাজ হয়নি।

তাদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবতা হলো কোনও উন্নয়ন হয়নি। সড়কটির দুরবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির পাশে রয়েছে আশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, আশিয়া বাংলা বাজার, একটি কিন্ডারগার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা। অপর পাশে রয়েছে বড়লিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কিন্ডারগার্টেন ও একটি মাদরাসা।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’ করার অভিযোগ

স্থানীয়রা জানান, বড়লিয়া হাসপাতালসংলগ্ন আকবর শাহ মাজার এলাকা থেকে শুরু হয়ে আশিয়া বাংলা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটি বড়লিয়া ও আশিয়া ইউনিয়নকে একত্রিত করেছে। প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটিতে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত করে।

এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ইজিবাইক চলাচল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সড়কটির সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।

আশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাসানের মন্তব্য, ‘প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার জন্য আমি এই সড়ক দিয়ে তিন-চারবার যাতায়াত করি। বৃষ্টি হলে রাস্তা দিয়ে হাঁটা হয় না। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাই। যদি সড়কটি সংস্কার হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের অনেক উপকার হবে।’

একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আদিল ইসলামের বক্তব্য, ‘এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট হয়। এ কারণে আমি প্রায়ই স্কুলে যেতে চাই না।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে দামী ফ্ল্যাটে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

স্থানীয় অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বর্ষাকালে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সড়কের খানাখন্দে পড়ে আহত হতে হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটি বেহাল অবস্থায় থাকার ফলে অসুস্থ রোগী অথবা গর্ভবতী নারীদের দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

বয়োবৃদ্ধ নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার ছেলে ছোটবেলা থেকে এই রাস্তার একই অবস্থা দেখে আসছে। এখন সে বিদেশে থাকে, কিন্তু রাস্তার কোনও পরিবর্তন হয়নি। আমি হাঁপানির রোগী। বাজার থেকে হেঁটে এই রাস্তা পার হতে গেলেই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।’

স্থানীয়রা আরও জানায়, জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা, অনেক সময় সিএনজিও প্রবেশ করতে পারে না। ফলে রোগীদের কাঁধে বা হাতে ধরে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়।

আরও পড়ুন: দায়িত্ব পেলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চান কাওসার খান

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিরা সবাই রাস্তার অবস্থা জানেন। কিন্তু কেউই গুরুত্ব দেন না। অতিথি বাড়িতে এলে রাস্তার কারণে লজ্জায় পড়তে হয়।’

মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নের প্রায় সব রাস্তা পাকা হয়েছে। শুধু এই সড়কটি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। বৃষ্টিতে রাস্তা পুরোপুরি পানির নিচে চলে যায়। স্কুলের ছেলে-মেয়েদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’

এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা সাবের আহমদ বলেন, ‘প্রায় ১৯ বছর আগে একবার ইট বসানো হয়েছিল। এরপর আর কোনও কাজ হয়নি। হিসাব করে বছরে পর বছর শুধু আশ্বাস শুনছি, কাজ দেখতে পাইনি।’

এদিকে, সড়কটির উন্নয়নের দাবিতে স্থানীয়রা সম্প্রতি চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

আরও পড়ুন: বিএনপি'র নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাজীর খাল সেতু থেকে ভূঁইয়া বাড়ি, কালারপাড়া হয়ে আশিয়া বাংলা বাজার পর্যন্ত মকবুল মিয়া সড়ক প্রায় দুই দশক ধরে উন্নয়নবঞ্চিত। এর ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বড়লিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবু মনছুর চৌধুরী বলেন, ‘সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি আমি জানি। নির্মাণের পর একবার ব্রিকসলিন করা হয়েছিল। এরপর আর কোনও সংস্কার হয়নি। বর্তমানে সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ বলেন, ‘সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক। প্রয়োজনীয় কারিগরি জরিপ ও প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার বা উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘সড়কটি স্থানীয় মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।’

আরও পড়ুন: ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ গ্রেফতার, উদ্ধার ৪০০ গ্রাম হেরোইন ও ১৫২০ পিস ইয়াবা

স্থানীয় সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, ‘পটিয়ার কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবহেলিত থাকবে না। স্থানীয়দের আবেদন আমার নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রস্তাবনা প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোটগ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোটগ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ২০ আগস্ট ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোটের শুরুতে এক ঘণ্টারও অধিক সময় ধরে সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ দেখলেন।

তাঁর পাশের আসনে ছিলেন দলের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সেখানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং প্রবীণ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী যখন নিজের আসনে বসে ছিলেন, তখন সংসদ সদস্যরা তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি হাসিমুখে সংসদ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।

বিকাল ৩টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সংসদ কক্ষ ছেড়ে তাঁর কার্যালয়ে চলে যান। সেখান থেকে 이동ের সময় তিনি দলের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সঙ্গে নেন।

বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাদ্দৌলা এবং সহকারি প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক প্রমুখ কর্মকর্তাদের সহ সাংবাদিক গ্যালারিতে এসে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া অবলোকন এবং সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাং-রবিনসনের বোলিং তোপে প্রথম দিনেই অলআউট পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


টাং-রবিনসনের বোলিং তোপে প্রথম দিনেই অলআউট পাকিস্তান

ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০২৬ : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন দুই পেসার জশ টাং ও ওলি রবিনসনের বোলিং তোপে সফরকারী পাকিস্তান ১৭১ রানে অলআউট হয়ে যায়। টাং এবং রবিনসন দুজনেই ৫টি করে উইকেট শিকার করেন।

প্রথম দিনের খেলা শেষে ইংলিশরা ২ উইকেটে ১১২ রান করেছে। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে তারা ৫৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে। লিডসে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রবিনসনের বোলিং তোপে পাকিস্তান ৬ রানে ২ উইকেট হারায়। ইনিংসের প্রথম বলে ওপেনার আজান আওয়াইস সাজঘরে ফিরে যান। রানের খাতা খুলে শান মাসুদ ৫ রানে বিদায় নেন।

তৃতীয় উইকেটে ৯১ রানের জুটিতে আরেক ওপেনার ইমাম উল হক এবং আব্দুল্লাহ শফিক শুরুতে যে ধাক্কা সামলে ওঠেন, পরে ৯৭ থেকে ১১৮ রানের মধ্যে পাকিস্তান ৩ উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে। এসময় ইমামকে ৪২ রানে আউট করেন টাং এবং শফিককে ৬১ ও সৌদ শাকিলকে ৫ রানে আউট করেন রবিনসন।

১১৮ রানে পঞ্চম উইকেট পতনের পর পাকিস্তানের পরের দিকের ব্যাটাররা টাংয়ের পেস সামলাতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে তারা শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায়। পরে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সালমান আঘা ২১, খুররাম শাহজাদ ১৪ ও উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ১২ রান করেন।

রবিনসন ৫১ রানে এবং টাং ৪৬ রানে ৫টি করে উইকেট নেন। রবিনসন তার ২২তম ম্যাচে পঞ্চমবার এবং টাং ১৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ইনিংসে ৫ উইকেট নেন। এরপর ৩৬ রানের সূচনা পাওয়ার পর ইংল্যান্ড ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায়। দুই ওপেনার বেন ডাকেট ১৫ এবং এমিলিয়ো গে ৩৩ রানে বিদায় নেন।

তৃতীয় উইকেটে ৬৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেন জর্ডান কক্স ও অধিনায়ক জো রুট। কক্স ২৩ এবং রুট ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন। মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলি ১টি করে উইকেট নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও তিন শিশুর। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭২ জন শিশু। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বর্তমানে সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গের কারণে মোট ৯২৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে নতুন কোন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮২৬ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে এবং নিশ্চিত করে আক্রান্ত হয়ে ৯৯ শিশুর প্রাণহানি হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগী পাওয়া গেছে ১ হাজার ৪ জন। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ৯৫০ শিশু নতুন করে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ৮৭৯ শিশু ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এর আগে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭১৫। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে ১৮ হাজার ১৪৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ২৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সেবা নিয়ে, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৪ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ঢাবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক, সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। সাক্ষাৎকালে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ, বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পরিচালিত যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম ও অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধিসহ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন। উপাচার্য এসময় মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ অন্যান্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ মর্যাদা প্রাপ্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফান্ড বৃদ্ধি, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন, অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি ও রোবোটিক্স বিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রেও উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান। শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে বিভিন্ন আবাসিক হল, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন। এক্ষেত্রেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা প্রদান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অ্যালামনাইদের সহযোগিতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে হবে। উপাচার্য আগামী জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য সমাবর্তনে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বলেন যে তিনি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি মমত্ববোধ ও এর শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সকল ক্ষেত্রে আন্তরিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%