দেবাশীষ মন্ডল আশীষ নেছারাবাদ পিরোজপুর প্রতিনিধি
০৯:২৫ এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদে যুব সমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে সুস্থ বিনোদন ও ক্রীড়াচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হিসেবে ঐতিহাসিক কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের উড়িবুনিয়া সংলগ্ন বেলুয়া নদীর তীরে ১০ম কলার ভেলা বাইচ ও সাঁতার প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়। এতে শত শত দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন “শেষ ঠিকানা”, এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল স্থানীয় যুবসমাজ। সুলতান মাহমুদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক নরুল আলম বিপ্লব, বিরুলিয়া ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, ‘সবার আগে বলদিয়া’ টিমের সভাপতি মো. মাসুদ পারভেজ এবং শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. কিবরিয়া।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এলাকার স্থানীয়রা এই আয়োজনকে ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত এবং সামাজিকভাবে সচেতন রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে। আগামী বছর থেকে কলার ভেলার পরিবর্তে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয় যুবনেতা ও সমাজসেবক নুরুল আলম বিপ্লব বলেন, চরাঞ্চল হওয়ায় এলাকায় বিনোদনের বেশি সুযোগ নেই। তাই স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে প্রতিবছর এই ভিন্নধর্মী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে, যা গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে।
প্রধান আয়োজক মো. সুলতান তালুকদার জানান, শিশুদের আনন্দ দেওয়া এবং তাদের বিদ্যালয়মুখী রাখতে গত এক দশক ধরে এই প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট এবং অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীর মাঝে জার্সি বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, “শেষ ঠিকানা” নামের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি অসহায় মানুষের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা ছাড়াও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করে থাকে। সংগঠনের আয়ের উৎস হিসেবে সদস্যদের দৈনিক এক টাকা সঞ্চয়ের উদ্যোগ চালু রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনজুড়ে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় রাতভর চলাকালীন অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্ভাব্য বড় আকারের রুশ হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় দিনিপ্রো শহরে অনুষ্ঠিত হামলায় ৭৩ বছর বয়সী এক নারীসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। সেই হামলায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
এদিকে খবর পাওয়া গেছে যে খারকিভ শহরে আটজন এবং কিয়েভে চারজন আহত হয়েছেন। রাতভর চলা হামলায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র রাজধানীতে আঘাত হানে। হামলার সময় হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো এক সতর্কবার্তায় বলেন, শহরে বিস্ফোরণ হচ্ছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। সবাই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করুন। অন্যদিকে, কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে।
ভিটালি ক্লিচকো আরও জানান, হামলায় দুটি বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আসন্ন হামলার বিষয়ে জেলেনস্কি ভিডিও বার্তায় নাগরিকদের বিমান হামলার সতর্কসংকেতের প্রতি বিশেষভাবে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি জানান, রাশিয়ার হামলা সংক্রান্ত গোয়েন্দা সতর্কবার্তা এখনও কার্যকর রয়েছে এবং বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেখা গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পূর্ব ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ব্যাপকভাবেই অস্থির হয়ে উঠেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে উভয় পক্ষই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।
ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর, জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বারবার হামলার শিকার হয়েছে। পাল্টা হিসেবে, ইউক্রেনও রাশিয়ার সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে আঘাত হেনেছে।
যুদ্ধের কারণে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারেও এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন সময়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে রাশিয়া নিজেদের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের কথা বলে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলা এবং দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতির পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির দক্ষিণ উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
এই ভূমিকম্পের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোন হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বার্তাসংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের কাছে গত সোমবার (১ জুন) গভীর রাতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এই ভূমিকম্পটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পরেও তাৎক্ষণিকভাবে কোন হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ফক্স ওয়েদারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরের দিকে দক্ষিণ ইতালির বাসিন্দারা এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন। ইউএসজিএস জানায়, ইতালির সারাসেনা শহরের প্রায় ১০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে স্থানীয় সময়ে মঙ্গলবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫৩ মাইলের বেশি এবং এটি কালাব্রিয়ার কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ২৩ মাইল দূরে ছিল।
ইউএসজিএসের তথ্যমতে, মডিফায়েড মারকেলি ইনটেনসিটি স্কেলে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক তীব্রতা ছিল ৪ মাত্রার। যদিও এই মাত্রার কম্পনকে তুলনামূলকভাবে হালকা ধরা হলেও ঘরের ভেতর অবস্থানরত অনেক মানুষ তা অনুভব করতে সক্ষম হন এবং ঘুমন্ত অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যায়।
এ ধরনের কম্পনে বাসাবাড়ির থালা-বাসন, জানালা ও দরজা কেঁপে উঠতে পারে, এবং দেয়াল থেকে খটখট শব্দও শোনা যেতে পারে। পার্ক করে রাখা যানবাহনও দুলে উঠতে পারে। তবে খোলা জায়গায় অবস্থানরত অনেক মানুষ হয়তো কম্পনটি অনুভব নাও করতে পারেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা আহত হওয়ার ঘটনা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা এলাকাটিতে পরবর্তী কোনো ভূকম্পন ঘটে কি না তা পর্যবেক্ষণ করছেন।
অবশ্য ইতালিতে ভূমিকম্প নতুন কোন ঘটনা নয়। আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইতালি ডট কম-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায়ই ছোট-বড় ভূমিকম্প হয়ে থাকে। কখনও তা হালকা কম্পন, আবার কখনও শক্তিশালী ভূমিকম্পে রূপ নেয়।
গত মাসেও ইতালির বাকোলি এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। এদিকে, জুন মাস থেকে ইতালিতে গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুম শুরু হয় এবং এ সময় দেশটিতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় একটি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে একজন ইউনিয়ন যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের মর্তুজাপুর কলেজ গেটসংলগ্ন এলাকায় এটি ঘটে।
নিহত পলাশ হোসেন (৪০) ছিলেন নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার চাকলা গ্রামের বাবু মন্ডলের পুত্র এবং পাহাড়পুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, পলাশ হোসেন মোটরসাইকেলে করে দুপচাঁচিয়া থেকে আক্কেলপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। মর্তুজাপুর কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে সে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিল। এতে ঘটনাস্থলেই পলাশের মৃত্যু ঘটেছে এবং তার সঙ্গের আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে ওই আরোহী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজলিমুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এতে একজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৮৬-এর মেক্সিকো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ৪০ বছর পরে ইরাক আবারও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে উত্তর আমেরিকায়। বিশ্ব ফুটবলের সর্ববৃহৎ আসরে নিজেদের প্রথমবারের মতো উপস্থিতিতে ‘লায়ন্স অব মেসোপটেমিয়া’ খ্যাত ইরাক দলটি গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচেই পরাজিত হয়েছিল। তবে এবারে তারা সেসব হতাশাজনক স্মৃতিকে কল্পনার সাগরে ডুবিয়ে কিছু ভালো করার প্রত্যাশা করছে।
এবারের লক্ষ্যে, গতকাল (১ জুন) শক্তিশালী একটি দল ঘোষণা করেছেন ইরাকের কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড। ২৬ সদস্যের এই দলের বেশ কিছু খেলোয়াড় ইউরোপের নানা ক্লাবে খেলেন, এবং দলটির মধ্যে এমএলএসে খেলা ফুটবলাররাও রয়েছেন। ইরাকের ডাগআউটে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রধান কোচ আর্নল্ড ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এবারের বিশ্বকাপে ইরাকের গ্রুপে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইরাকের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের দুই ডার্ক হর্স নরওয়ে ও সেনেগালও রয়েছে।
বিশ্বকাপে ইরাকের তারকাদের মধ্যে আছেন:
এশিয়ান বাছাইপর্বে ইরাকের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন আয়মেন হুসেন। ৩০ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার আটটি গোল করেছেন। এছাড়া, বলিভিয়ার বিপক্ষে প্লে-অফের ফাইনালে জয়সূচক গোল করে ইরাককে উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছেন।
অন্য ফরোয়ার্ড আলী আল-হামাদি সেই ম্যাচে প্রথম গোলটি করেছিলেন। তিনি প্রথম ইরাকি ফুটবলার হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার রেকর্ড গড়েছেন; গত মৌসুমের জন্য তিনি ইপসসুইচ টাউনের হয়ে খেলেছিলেন।
মিডফিল্ডে সৃজনশীলতার অন্যতম ভরসা হলেন আমির আল-আম্মারি। সেই সাথে রয়েছেন জিদান ইকবাল, যিনি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এবং বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের এফসি উট্রেখটের হয়ে খেলছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে ইরাকের গ্রুপপর্বের সূচি হল—
১৬ জুন, রাত ৪টা: ইরাক বনাম নরওয়ে — ফক্সবোরো, যুক্তরাষ্ট্র;
২২ জুন, রাত ৩টা ৫ মিনিট (ইডিটি): ফ্রান্স বনাম ইরাক — ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র;
২৬ জুন, রাত ১টা: সেনেগাল বনাম ইরাক — টরন্টো, কানাডা।
ইরাকের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিম্নরূপ:
গোলরক্ষক: ফাহাদ তালিব (আল তালাবা), জালাল হাসান (আল জাওরা), আহমেদ বাসিল (আল শর্তা);
ডিফেন্ডার: হুসেন আলী (পোগোন্ শেচিন), মানাফ ইউনিস (আল শর্তা), জাইদ তাহসিন (পাখতাকর), রেবিন সুলাকা (পোর্ট), আকাম হাশেম (আল জাওরা), মারকাস দোসকি (ভিক্টোরিয়া প্লাজেন), আহমেদ ইয়াহিয়া (আল শর্তা), জাইদ ইসমাইলি (আল তালাবা), ফ্রান্স পুত্রোস (পারসিব বান্দুং), মোস্তফা সাদুন (আল শর্তা);
মিডফিল্ডার: আমির আল-আম্মারি (ক্রাকোভিয়া), কেভিন ইয়াকুব (এজিএফ), জিদান ইকবাল (উট্রেখট), আমির শের (সার্পসবর্গ), ইব্রাহিম বায়েশ (আল ধাফ্রা), আহমেদ কাশেম (ন্যাশভিলে এসসি), ইউসেফ আমিন (এইকে লারানাকা), মার্কো ফারজি (ভেনেজিয়া);
ফরোয়ার্ড: আলী জসীম (কোমো), আলী আল-হামাদি (ইপসউইচ টাউন), আলী ইউসেফ (আপোলন লিমাসল), আয়মেন হোসেন (আল কারমা) এবং মোহানাদ আলী (দিব্বা)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ