বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৯ পি.এম
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টায় তিনি তথ্য ভবনে এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘জুলাই নিয়ে যেন কেউ ব্যবসা করতে না পারে। জুলাইয়ের চেতনার উৎস বিন্দু হলো স্বাধীনতা।’ তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, আমাদের সমাজে যখনই অন্যায় এসে জনগণকে শোষণ করে এবং রক্তাক্ত করে, তখনই স্বাধীনতার উজ্জ্বল চেতনা সমাজে অনির্বাণ হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জলাশয় ভরাটের অভিযোগে তিনজন ব্যক্তিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় জলাশয় ভরাটের কাজে ব্যবহৃত পাইপ অপসারণ ও বিনষ্ট করার কাজ করা হয়।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি ডোবা ভরাটের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এই অভিযানে মো. টিটু মিয়া (৩৫) ও রথিন রায় (৩২) নামের দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ডোবা ভরাটের কাজে ব্যবহৃত প্রায় ২৫টি পাইপ বিনষ্ট করে দেওয়া হয়।
একই দিন রাত ১১টার দিকে কুটি বাজার ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন একটি জলাশয় ভরাটের অভিযোগে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির।
এই অভিযানে মো. রফিক নামের একজন ব্যক্তিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অতিরিক্ত, জলাশয় ভরাটের কাজে ব্যবহৃত পাইপগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে জলাশয় ভরাটের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর তথ্য ভবনে আয়োজিত এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল যোগ করেন, যারা আগে ঘুষ খেত, তারা এখনও ঘুষ খায়। বর্তমানে তারা বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজে গেছে। সমাজে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, সমাজে এখনও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়।
তবে, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিচালনার পাঁচ মাসেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের অনেক কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। তবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি করেছেন, সেটি বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর আঞ্চলিক শাখা এক তালেবান কর্মকর্তাকে হত্যার বিরল একটি হামলার দায় স্বীকার করেছে। এ তথ্য একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে।
বাদাখশান প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান জাবিউল্লাহ আমিরি মঙ্গলবার প্রাদেশিক রাজধানী ফয়জাবাদের পথে যাওয়ার সময় গুলিতে নিহত হন।
কাবুল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানভিত্তিক ইসলামিক স্টেট-খোরাসান (আইএস-খোরাসান) বুধবার দাবি করেছে, তারা ওই হামলাটি চালিয়েছে।
পর্যবেক্ষণ সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইএস-খোরাসান বলেছে, ‘খিলাফতের যোদ্ধারা ধর্মত্যাগী তালেবান মিলিশিয়ার এক কমান্ডারকে মেশিনগান দিয়ে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে তিনি এবং তার এক দেহরক্ষী নিহত হন।’
আমিরি ছিলেন দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ প্রদেশের গভর্নর আমানউদ্দিন মানসুরের ভাতিজা।
আফগানিস্তানের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানায়, ‘কাপুরুষোচিত এই হামলার’ পর এক হামলাকারী নিহত হয়েছে এবং আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসলামি সরকারের শত্রুদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এ ধরণের কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ড কখনোই আমাদের দৃঢ় সংকল্প ও অবিচল প্রত্যয়কে দুর্বল করতে পারবে না।’
২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর তালেবান আফগানিস্তানে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে তার পরেও দেশটিতে বিচ্ছিন্নভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে।
এসব হামলার মধ্যে কয়েকটির দায় স্বীকার করেছে আইএসের আঞ্চলিক শাখা। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কাবুলের কেন্দ্রস্থলে একটি চীনা রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে অন্তত সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী খলিল উর-রহমান হাক্কানি নিহত হওয়ার ঘটনায়ও দায় স্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬: বর্তমান সরকার দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে মানবপাচার ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের হাত থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও স্ক্যাম চক্রের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘ট্রাপেড বিহাইন্ড দি স্ক্যাম: এনডিং হিউম্যান ট্রাফিকিং ফর ফোর্সড ক্রিমিনালিটি’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারের ধরন পরিবর্তনশীল ও জটিল। এখন অপরাধী চক্রগুলো কেবল প্রচলিত উপায়ে নয়, বরং ডিজিটাল মাধ্যম, ভুয়া অনলাইন নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে তরুণ সমাজ ও চাকরিপ্রার্থীদের ফাঁদে ফেলছে। আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যতের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীদের বিদেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি করে চরম নির্যাতন, ভয়ভীতি ও জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, মানবপাচার চক্র এখন বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। এই সমস্যার মোকাবিলায় কেবল প্রথাগত আইনশৃঙ্খলা কেন্দ্রিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়; বরং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, অর্থলগ্নি সংস্থা, বেসরকারি খাত ও সচেতন সমাজকে নিয়ে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, সরকার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতি রেখে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান (প্রতিরোধ ও দমন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম কনভেনশন (ইউএনটিওসি) এবং সংশ্লিষ্ট প্রটোকলসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রণীত নতুন এই আইনে অনলাইন স্ক্যাম, প্রযুক্তিনির্ভর প্রলোভন ও জোরপূর্বক অপরাধে বাধ্য করার মতো আধুনিক অপরাধগুলোকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিধিমালা, ২০১৭’ যুগোপযোগী করার কাজও চলছে।
মন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকল অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)’ চূড়ান্ত করছে, যা প্রতিরোধ, সুরক্ষা, বিচার এবং অংশীদারিত্ব- এই চার প্রধান স্তম্ভকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।
ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ও পুনর্বাসন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মানবপাচারের শিকার প্রতিটি মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব। এজন্য ‘ন্যাশনাল রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম)’ জোরদার করা হচ্ছে, যাতে ভুক্তভোগীদের দ্রুত উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক আইনি, শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করা যায়।
তিনি আরও বলেন, তথ্যভিত্তিক নীতি নির্ধারণ ও নিখুঁত কেস ট্র্যাকিং নিশ্চিত করার জন্য একটি সর্বাধুনিক ‘ডিজিটাল পাচার প্রতিরোধ তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম’ তৈরি করা হচ্ছে। তরুণ সমাজ, নারী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং ভুয়া নিয়োগ চক্রের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য তিনি গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজকে আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জাতীয় সংলাপে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাইবা জারিনা এবং আইওএম বাংলাদেশ-এর চিফ অব মিশন ও জাতিসংঘের অভিবাসন নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী ড. লরা টম বোন্ডে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া।
উদ্বোধনী সেশনে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। এ বছরের বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবসের প্রতিপাদ্যের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন ইউএনওডিসি প্রোগ্রাম অফিস বাংলাদেশের প্রধান শাহ মোহাম্মদ নাহিয়ান।
উদ্বোধনী সেশন শেষে একটি তথ্যভিত্তিক ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান।
উদ্বোধনী সেশন শেষে আয়োজিত ওয়ার্কিং সেশনে ‘ট্রাপেড বিহাইন্ড দি স্ক্যাম: এড্রেসিং ট্রাফিকিং ফর ফোর্সড ক্রিমিনালিটি ডিসেপ্টিভ রিক্রুটমেন্ট এন্ড অনলাইন এক্সপ্লোয়েটেশন’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মুক্ত আলোচনা এবং ‘ট্রাপেড ইন পারসুইট অব এ বেটার লাইফ’ শীর্ষক একটি সচেতনতামূলক পুতুলনাচ প্রদর্শিত হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত দফতর (ইউএনওডিসি) এবং জাতিসংঘের অভিবাসন নেটওয়ার্কের কাউন্টার ট্রাফিকিং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। জাতীয় সংলাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ