১১:১৮ পি.এম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সম্প্রসারণ প্রকল্পের শুরুর ইতিহাস তুলে ধরে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মাঠ পর্যায়ের কৃষক ও গবেষকদের মধ্যকার সমন্বয় অধিকতর বৃদ্ধির করতে হবে। এজন্য বার্ষিক কর্মশালার গুরুত্ব অপরিসীম।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্রের (বাউএক) আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাষি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় চব্বিশের ঐতিহাসিক ছাত্র- জনতার গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে সেই উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপট বর্ণনায় স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন প্রফেসর ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
আরও পড়ুন: বাবার কাঁধে চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা জিন্নাত এইচএসসিতে উত্তীর্ণ
এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধী অবস্থান নিয়ে যেরকম একটি সংগঠন আপামর বাঙালির নিকট ঘৃণিত হয়েছিল, তেমনি ২০২৪ সনে গণতন্ত্রকামী ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল তাদেরও এদেশের মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে ঘৃণিত হওয়া অবশ্যম্ভাবী।
কর্মশালায় বাউএক-এর পরিচালক প্রফেসর ড. ইফফাত আরা মাহজাবীনের সভাপতিত্বে এবং ইসমত আরা রুমির সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাউএক এর অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ আফরোজা বেগম।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক, বাউরেসের পরিচালন প্রফেসর ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।
এছাড়াও কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন আইকিউএসি-র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।
আরও পড়ুন: গোপালপুরের যমজ ভাইয়ের এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ অর্জন
কর্মশালায় সভাপতি প্রফেসর ড. ইফফাত আরা মাহিজাবীন অংশগ্রহণকারী কৃষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে বাউএক-এর পক্ষ থেকে এ ধরণের আরও কৃষকবান্ধব ও আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
জানা যায়, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির বিস্তার এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ কর্মশালায় অত্র অঞ্চলের ৭৮ জন নির্বাচিত কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
দিনব্যাপী চলমান এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কৃষক ও কৃষাণীকে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, ফসলের রোগবালাই ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত কৃষি প্রযুক্তির প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে শুভেচ্ছা স্মারক ও উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ, ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীবৃন্দ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীসহ আমন্ত্রিত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে মাদকের বিস্তার, তরুণ প্রজন্মের ঝুঁকি বাড়ছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন