বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৭ পি.এম
সুনামগঞ্জের শাল্লায় নিয়মিত মামলায় নিরোদ চন্দ্র দাস (৬০) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শাল্লা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত নিরোদ চন্দ্র দাস উপজেলার হরিনগর (নয়াহাটি) গ্রামের মৃত কিরণ শশী দাসের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় শাল্লা থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শাল্লা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. কামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে শাল্লা থানার এফআইআর নং-৫, তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং জিআর নং-৯১, তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মামলায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৬/৩২৩/৩৮০/৫০৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বৃহ:রার তাকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে শাল্লা থানা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ৪নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমিন জিহাদী। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
সম্প্রতি নিজ এলাকার সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে সাক্ষাৎকারে বলেন আমি দল মত নির্বিশেষে সবাই কে নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। প্রার্থিতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ৫নং ওয়ার্ডের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মো. রুহুল আমিন জিহাদী ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন, উন্নয়ন-সেবার নতুন রূপরেখা প্রদান, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আমি শুধু প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করতে চাই না। বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে চাই। ওয়ার্ডটিকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, যোগাযোগবান্ধব ও জনসেবামুখী ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, দল-মত নির্বিশেষে ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়কবাতির ব্যবস্থা করা।
জনস্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন: নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং জরুরি স্বাস্থ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি।
শিক্ষা ও তরুণ সমাজ: ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং যুবসমাজের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।
কৃষকদের সরকারি সুবিধা ও পরামর্শ পেতে সহযোগিতা প্রদান, নারী, শিশু, প্রবীণ ও অসহায়দের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা নিশ্চিত করা।
সামাজিক পরিবেশ ও সেবা: পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের কাজে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি ৫নং ওয়ার্ডসহ সমগ্র ৪নং কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন, ছিলেন হিন্দু’ বলে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৮৭৬ সালে বোম্বেতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গুজরাটের একটি খোজা পরিবারের সদস্য ছিলেন, যারা মাছ বিক্রি করত। তবে ঐতিহাসিক বিভিন্ন সূত্রে জিন্নাহর বাবা জিন্নাহভাই পুঞ্জাকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের সরকারি সূত্রে তাঁর পরিবারকে গুজরাটের প্যানেলি গ্রামের মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
জিন্নাহর রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি প্রথমে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯১৬ সালের লখনৌ চুক্তিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সমঝোতায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯২৯ সালে তাঁর ঘোষিত ১৪ দফায় মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক দাবি ছিল।
তিনি বলেন, ‘১৪ দফা দিল, হিন্দু-মুসলমান দুই জাতি করল, জিন্নাহ একটা পাকিস্তান বানাইলো।’
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতাদের ভূমিকার প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘পাকিস্তান আমরা সবাই মিলেই বানাইছিলাম, আমরা তো অস্বীকার করি না। কিন্তু বানাইয়া যখন দেখলাম পাকিস্তান ভালো না, তখন ৫২ সালেই আমরা ফাইট শুরু করলাম।’
ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত রাজনৈতিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা ধর্মীয় জাতীয় সত্তায় নয়, আমরা নৃতাত্ত্বিক জাতীয় সত্তায়, ভাষাভিত্তিক জাতীয় সত্তায় আমরা দেশ বানাইতে চাই।’
তিনি বলেন, ৫২ সনের ভাষা আন্দোলন এবং তার পথ ধরে ৫৪’র ইলেকশন, ৫৮’র আইয়ুব খানের শাসন। এরপর ছয় দফা, ১১ দফা ও ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার আন্দোলন এগিয়ে যায়।
১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘সারা পাকিস্তানে মেজরিটি ভোট পায় শেখ মুজিবুর রহমান। এরপরও ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় যুদ্ধ শুরু হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
মুক্তিযুদ্ধে নিজের অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমার বয়স তখন ২৩ বছর। আমি যুদ্ধে গিয়েছিলাম। যুদ্ধে যাই নাই শুধু, যুদ্ধকে সংগঠিত করেছিলাম।’
মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘This is not the arms that fights, but the man behind the arms, and ideology behind the man that fights।’
জাতীয় পতাকা ও ‘আমার সোনার বাংলা’ গান নির্বাচনের সময়কার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধই সত্য। যখন কেউ বলছে মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই তখন সেই কথা আমার বুকে লাগছে।’
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সত্যের পথে চলো। সত্য কথা বলো। অন্ধকারকে আলোকিত করার জন্য অন্তত একটা মোমবাতি হলেও হাতে নাও।’
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধক ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলফারুন নাহার রুমার সভাপতিত্বে এবং রবীন্দ্র সৃজন কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম বেগম, কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মামুন সরকারসহ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় এক সার ডিলারকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে দীঘিনালা বাস স্টেশন এলাকায় এস এস ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও -অ.দা) ফারিয়া সুলতানা।
এই অভিযানে সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত সার মজুত রাখার অভিযোগে এবং বরাদ্দকৃত সার নির্ধারিত গুদামে না রেখে অন্যত্র সংরক্ষণের কারণে ২১ মেট্রিক টন সার জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে অনাদায়ে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় কারাদণ্ড কার্যকর করা হয়নি।
ইউএনও ফারিয়া সুলতানা বলেন, ‘অতিরিক্ত সার মজুত করায় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী এসএস ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেনকে (২৭) জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ২১ মেট্রিক টন সার জব্দ করে উপজেলা কৃষি অফিসারের জিম্মায় রাখা হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে স্থানীয় নির্বাচনের আগাম ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং পুনর্বিন্যাসের পর, চরফ্যাশনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটার এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণার তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ জনপদে রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সীমানা জটিলতা নিরসন এবং মেয়াদ শেষ হওয়া ৮টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নির্বাচনী মাঠে প্রবেশ করেছেন।
চরফ্যাশন উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়ন সম্পূর্ণ আইনি জটিলতামুক্ত এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সেগুলো হলো- চরমাদ্রাজ ইউনিয়ন, নুরাবাদ ইউনিয়ন, চরকলমি ইউনিয়ন, হাজারি গঞ্জ ইউনিয়ন, জাহানপুর ইউনিয়ন, এওয়াজপুর ইউনিয়ন, ঢালচর ইউনিয়ন ও আহম্মদপুর ইউনিয়ন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই ৮টি ইউনিয়নে ভোটের জন্য প্রশাসনিক ও আইনি সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো সময় আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।
এদিকে, এই নির্বাচনকে সামনে রেখে চরফ্যাশন উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য (মেম্বার) এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রার্থীরা প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত গণসংযোগ, কুশল বিনিময় থেকে শুরু করে প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা এবং অনানুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। হাট-বাজার ও চায়ের দোকানগুলো সম্ভাব্য প্রার্থীদের ছবি সংবলিত শুভেচ্ছা ব্যানার, ফেস্টুন এবং পোস্টারে ছেয়ে গেছে। গ্রামের প্রধান প্রধান মোড় ও চায়ের দোকানগুলোতে এখন একটাই আলোচনা, কে হচ্ছেন কার প্যানেলের প্রার্থী এবং কার পাল্লা কতটুকু ভারী।
অন্যদিকে, তৃণমূলের সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে তাদের পছন্দের সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে নিজস্ব হিসাব-নিকাশ শুরু করেছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে এমন নেতৃত্বকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। সাধারণ ভোটাররা চান একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যার মাধ্যমে সৎ, যোগ্য এবং জনবান্ধব প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রানুযায়ী, এই ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোট কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ এবং অন্যান্য লজিস্টিকসগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে সবুজ সংকেত পেলেই যেকোনো দিন এই ইউনিয়নগুলোর নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন অফিস সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তফসিল ঘোষণার পর এই নির্বাচনি আমেজ ও আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। চরফ্যাশনের এই নির্বাচনি আবহ তৃণমূলের মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ