ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক


মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ এক শোকবার্তায় তিনি বলেছেন, মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ করা সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জাতি তাঁর অবদানকে সর্বদা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। পাশাপাশি তাঁর কাজ ও আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হলেন জাহাঙ্গীর আলম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরহুমের আত্মার চিরশান্তি কামনাও করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আজ সকালে মুস্তাফা মনোয়ার (৯০) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

চিত্রকলা, পাপেটশিল্প, শিশুতোষ অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য মুস্তাফা মনোয়ার দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

আরও পড়ুন: দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক নিহত

মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম তার পৈতৃক নিবাস। প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার তিনি সন্তান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। সংসদভবন, ২৯ জুন,  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘এ সেশনে আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করছি সরকারি দলের সদস্য হিসেবে একে আমি একটি নামকরণ করতে চাই। আর সেটি হচ্ছে এ বাজেট ‘জীবনবান্ধব’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি, অনেক বক্তব্য রেখেছি। অতীতে ভালোমন্দ কি হয়েছে আমি সে বিতর্কে আর যাবো না। আমাদেরকে অবশ্যই সামনে চলতে হবে।'

তিনি বলেন, 'দুঃখজনকভাবে একটি চিত্র আমরা বারবার দেখেছি। সেটি হচ্ছে আমরা যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে যাই তখন অনেক বেশি অতীত নিয়ে কথা বলি। অথচ দেশের প্রত্যেকটি মানুষ চায়, আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলি।'

সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। সমাপনী বাজেট আলোচনায় প্রথমে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান এবং পরে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখেন।

রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাজেটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাস্তবতা অনেক কঠিন। তারপরেও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে যে বাজেটটি আমরা এখানে উপস্থাপন করেছি, অবশ্যই আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের সর্বোচ্চ বুদ্ধি, বিবেক ও জ্ঞান দিয়ে এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করতে যাতে শ্রেণী-পেশা ও সমাজের সকল মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তির শ্বাস ফেলতে পারে।'

সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়েনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অতীতে লক্ষ্য করেছি যে বাজেট উপস্থাপনের আগে ও পরে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হঠাৎ করে কোন কারণ ছাড়াই বেড়ে যেত। তবে এ বছর আমরা সেরকম কোনো দৃশ্য দেখিনি।

তিনি বলেন, 'নিত্য প্রয়োজনীয় বলতে আমরা সাধারণত যা বুঝে থাকি এরকম ৬১ টি পণ্যের ওপর থেকে পূর্বের নির্ধারিত ট্যাক্স প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।'

তারেক রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, রাজনৈতিক সরকার হিসেবে আমরা মনে করি আমাদের জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব তার একটু হলেও আমরা হয়ত পূরণ করতে পেরেছি। কিছুটা হলেও আমরা জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।'

তিনি বলেন, 'আমাদের সকলের জানা আছে গতকালকেও এখানে বিরোধী দলের চিফ হুইপ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন, কোন প্রেক্ষাপটে এই সংসদ, এই সরকার গঠিত হয়েছে। আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব যখন গ্রহণ করেছিলাম তখন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছিলাম। তার ভেতরে দুর্নীতি, লোপাট, অব্যবস্থাপনা এবং ভুলনীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসস্তুপ হয়ে গিয়েছিল। এই অবস্থা থেকে আমরা অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলের নেতাও বলেছেন আগে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছিল, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবেও যেটি স্বীকৃত। দেশের উৎপাদন এবং বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। মূল্যস্ফীতি কি অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল আজ থেকে দুই আড়াই বছর আগে সেটি বোধহয় আমরা সকলেই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলাম।'

তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজার অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাত এমন অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছিল মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যাও করেছিল। হাজার কোটি টাকা পাচার ও অপচয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছিল সেটি নিশ্চয়ই কারো অজানা নয়। টাকার যে এক্সচেঞ্জ এটি ৪০ শতাংশ নেমে গিয়েছিল।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেশ কিছু ভ্যানিটি প্রজেক্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে অহেতুক দেশী বিদেশী ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল যা এখন জাতির ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখান থেকে রেভিনিউ কালেক্ট হয় না। ফলে বাইরে থেকে টাকা দিয়ে এই বৈদেশিক ঋণগুলোকে শোধ করতে হচ্ছে এবং শুধু অল্প সময় না লম্বা একটি সময় ধরে আগামীতে হয়তো জাতিকে এই বোঝা টানতে হবে।'

তিনি বলেন, 'সংক্ষেপে যে সংকটের কথা আমি বললাম একে অস্বীকার করতে চাই না। অস্বীকার করে আমরা থাকলেও পারবো না। এটি বোকামি হবে। তবে একই সাথে সংকটকে আমরা অজুহাত বানাতে চাই না। সেজন্যই বিরোধী নেতার সাথে আমি সম্পূর্ণভাবে একমত। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং কার্যকর নীতির মাধ্যমে সফলভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে চাই।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। যাত্রা শুরু করার সাথে সাথেই আমাদেরকে রমজান সামাল দিতে হয়েছে। যাতে করে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল কিছু মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে অন্তত থাকে। যতটুকু সম্ভব একই সাথে ভঙ্গুর অর্থনীতির সংক্ষিপ্ত যে চিত্র আমি তুলে ধরলাম, যা সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের কমবেশি ধারণা আছে তাও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের সম্মিলিত চেষ্টায় এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারব।'

এদিকে প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করছিলেন তখন সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে না বলা গল্প শোনালেন ভিনিসিয়ুস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে না বলা গল্প শোনালেন ভিনিসিয়ুস

এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দাদি নিলজারের আবেগময় বার্তা শোনার পর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। শৈশবের স্মৃতি এবং পরিবারের ত্যাগ, বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এবং বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নিজের লড়াই, সবকিছুই তার আবেগময় কথোপকথনের মধ্যে উঠে এসেছে।

অনুষ্ঠানে ভিনিসিয়ুস বলেন, ছোটবেলায় বাবা বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকতেন, ফলে মা, ভাইবোন ও দাদির সঙ্গেই তার বেড়ে ওঠা হয়েছে। ছোট্ট একটি বাড়িতে দাদির পাশে ঘুমিয়ে কাটানো অসংখ্য রাত আজো তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি মনে করেন। তিনি বলেন, তার দাদি জীবনে এমন এক ছাপ রেখে গেছেন, যা কখনো মুছে যাবে না।

শৈশবের সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমাদের বাড়িটি খুব ছোট ছিল। অসংখ্য রাত আমি তার পাশেই ঘুমিয়েছি। সত্যি বলতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। তিনি আমার জীবনে এমন এক ছাপ রেখে গেছেন, যা কখনো মুছে যাবে না।"

মৃত্যুর অনিবার্য বাস্তবতা প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস জানান, "আমি জানি, একদিন মানুষ চলে যায়। তাই আমি তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত যতটা সম্ভব হৃদয়ে ধরে রাখতে চাই।"

পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করে ২৫ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বলেন, "নিজের স্বপ্ন পূরণে তার পরিবার মানুষের পক্ষে যা সম্ভব, সবই করেছে।" তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারাকেই তিনি তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন।

ব্যক্তিগত অনুভূতির পাশাপাশি ব্রাজিলের বিশ্বকাপ লক্ষ্য নিয়েও কথা বলেন ভিনিসিয়ুস। তার বিশ্বাস, বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়রা আবারও ব্রাজিলকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্নই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে এই তারকা ফুটবলার বলেন, "আমার ছোট ভাইসহ আগামী প্রজন্ম যেন এমন বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটিই আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।" মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের অনুপ্রেরণা হওয়াকেও তিনি নিজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করেন।

এ সময় ভিনিসিয়ুস ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রশংসা করে বলেন, "তার অধীনে দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে দারুণ সমন্বয় তৈরি হয়েছে, যা বিশ্বকাপে দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের হামলার ফলে জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করলেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


ইউক্রেনের হামলার ফলে জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করলেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে রাশিয়ায় কিছুটা জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। তবে, তিনি বলেছেন, এটি এখনো ‘গুরুতর নয়’। রোববার ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে, পুতিন জানান, গত চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। গত ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকেই রাশিয়ান বাহিনী ইউক্রেনের শহর, বেসামরিক নাগরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থিত তেল শোধনাগার ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ পরিচালনা করে আসছে। এসব হামলাকে ‘ন্যায্য প্রতিশোধ’ বলে দাবি করে ইউক্রেন। পুতিন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ক্ষেত্রে এসব আক্রমণ আমাদের অবকাঠামোতে সমস্যা তৈরি করে, এটা স্পষ্ট। তিনি জানান, ‘এখন আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি লক্ষ্য করছি, তবে এটি সংকটজনক কিছু নয়।’ পুতিন আরও জানান, রাশিয়ার এখন প্রধান কাজ হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং বিশেষ করে ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করতে মস্কো সফর করবে। রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জ্বালানির ঘাটতি ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে, যার পেছনে ইউক্রেনের লজিস্টিক চেইন ও তেল স্থাপনাগুলোতে চালানো হামলাকে দায়ী করা হয়েছে। ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ওই অঞ্চলটি সংযুক্ত করে নেয়, তবে এই পদক্ষেপকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। এর কয়েক ঘণ্টা আগে, ইউনাইটেড রাশিয়া দলের কংগ্রেসে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন প্রতিশ্রুতি দেন যে রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে। ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে পাল্টা হামলা জোরদার করার প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজিয়া মিছিলে হামলার পরিকল্পনার মূল হোতাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


তাজিয়া মিছিলে হামলার পরিকল্পনার মূল হোতাকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

মুম্বাইয়ের তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন ভারতীয় নাগরিক ফাইয়াজ প্রেমজি। ভয়ংকর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে গত ২৬ জুন ফাইয়াজ তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণ করতে যান। কিন্তু, স্বেচ্ছাসেবকদের গতি এনে তার পরিকল্পনা লুকালকে বাধা দেয়।

নাশকতার পরিকল্পনাকারী ফাইয়াজ প্রেমজির গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে চলেছে জোর তদন্ত। এই তদন্তের মধ্যে পুলিশ তার সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ধার করেছে। খবর এনডিটিভির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পুনেতে তার বাড়ির আশেপাশে ইঁদুরের ব্যাপক উপদ্রব দেখে ফাইয়াজ এই নৃশংস পরিকল্পনা করেন। ক্যাপসুল তৈরিতে তিনি জিঙ্ক ফসফাইড নামের পাউডার ব্যবহার করেছিলেন, যা মূলত ইঁদুর মারার বিষ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

পুলিশ জানায়, জিঙ্ক ফসফাইডের বিভিন্ন মাত্রার ডোজ মানবদেহে কিভাবে প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে গুগল এবং এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে তিনি ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছিলেন। রাসায়নিকটি সংগ্রহ করাও ছিল তার জন্য সহজ। তিনি ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি জিঙ্ক ফসফাইড অর্ডার করেছিলেন।

ফাইয়াজ প্রেমজি ৩৯ বছর বয়সী এবং পুনের বিমান নগরের বাসিন্দা। গত কয়েক বছর ধরে তিনি বিমান নগরের কোনার্ক নগর টাউনশিপের ২৫ নম্বর রো হাউসে বসবাস করছিলেন। তার বাবার একটি রঙের কারখানা রয়েছে, যেখানে তিনি কাজ করতেন।

তদন্তকারী সূত্রের বরাতে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ দেখেছে যে ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ফাইয়াজ ১৯ বার বিদেশ সফর করেছেন। বলাই বাহুল্য, মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে তিনি তিনবার ইরান সফর করেছিলেন।

ফাইয়াজের কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বা বিদেশি ষড়যন্ত্রের প্রমাণ খুঁজছে তদন্তকারীরা। তারা তার আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এবং আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড খতিয়ে দেখছেন। তবে, এখন পর্যন্ত বিদেশি ষড়যন্ত্রের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মেলেনি।

ফাইয়াজ প্রেমজির প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন।

এদিকে, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে প্রায় ১৫ হাজার বিষাক্ত ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়। এমনকি, বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণকে তিনি ‘মহৎ কাজ’ বলেও দাবি করেন এবং এ কাজের জন্য আরও কয়েকজনকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%