শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
১২:১০ এম
অভিনয়জগৎ থেকে সরে গেলেও নম্রতা শিরোদকরের নাম এখনও খবরের শিরোনামে উঠে আসে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য তার স্বামী মহেশবাবুর কেরিয়ার।
মডেলিং দিয়ে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে, তার পরিচিতি হিসেবে তিনি দক্ষিণী তারকা মহেশবাবুর স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। ৯০-এর দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্মদিন ২২ জানুয়ারি, যিনি এখন ৫৪ বছর বয়সী।
অভিনয় জগত ত্যাগ করলেও, তিনি যুগে যুগে খবরের বিষয় হয়ে থাকেন। যেহেতু মহেশবাবু বর্তমানে দক্ষিণী পরিচালক এসএস রাজামৌলীর প্রজেক্ট ‘বারাণসী’ নিয়ে ব্যস্ত। সেখানে মহেশবাবুর পারিশ্রমিক একটি বড় অঙ্কের অর্থ, যা প্রতি বছরে ৫০ কোটি টাকা। ফলে, নম্রতাও সম্পত্তির দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
১৯৯৮ সালে, নম্রতার প্রথম তিনটি ছবি ‘জব পেয়ার কিসিসে হোতা হ্যায়’, ‘মেরে দো অনমোল রতন’ এবং ‘হিরো হিন্দুস্থানি’ মুক্তি পায়। তার পরবর্তী সময়ে তিনি দক্ষিণী ছবিতে কাজ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘হেরা ফেরি’, ‘দিল বিল পেয়ার বেয়ার’, ‘এলওসি: কার্গিল’। তিনি ইংরেজি ছবি ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’-এও অভিনয় করেছেন। ২০২২ সালে তেলুগু সিনেমা ‘মেজর’-এেও কাজ করেছেন তিনি।
২০০৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি মহেশবাবুর সাথে গাঁটছড়া বাঁধেন নম্রতা। তাদের সম্পর্ক বরাবর অনুরাগীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। বিনোদনদুনিয়াতে তাদের ‘পাওয়ার কাপল’ বলে অভিহিত করা হয়। অভিনয়ের জগত থেকে সরে যাওয়ার পর নম্রতার ব্যবসায়েও হাত রয়েছে। বহুতল নির্মাণ এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর ব্যবসায় তারা দু’জনেই ভূমিকা রাখতে থাকেন।
নম্রতার ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে জানা গেছে। এই অর্থের মধ্যে রয়েছে অভিনয়ে সঞ্চিত অর্থ এবং ব্যবসায়িক লাভ। অন্যদিকে, মহেশবাবুর সম্পত্তির আর্থিক পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকার। সুতরাং, তাদের মোট সম্পত্তি প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ঘরে প্রবেশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি সপ্তাহের জন্য সঠিক সময়ে প্রকাশিত টিআরপি তালিকা এসেছে। আবারও দেখা যাচ্ছে, লড়াইয়ের আবহে সবকিছু বদলে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথম পাঁচের মধ্যে কোন ধারাবাহিকগুলো স্থান পেয়েছে?
এখন চলছে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা। এক সপ্তাহ শীর্ষে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ থাকছে, আবার পরবর্তী সপ্তাহে এগিয়ে রয়েছে ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর কাহিনি। চলতি সপ্তাহেও টিআরপি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, যা আবার সবকিছু উল্টে দিয়েছে। এবারে পরশুরাম ও তটিনীর কাহিনী আবারও অন্য কাহিনিগুলোকে টেক্কা দিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে।
আগের সপ্তাহে সর্বোচ্চ স্কোর পেয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করলেও, মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে পরিস্থিতি যেন পাল্টে গেছে। একসময় পরশুরামের কাহিনি টানা প্রথম স্থানে ছিল। যদিও মাঝে মাঝে তাদের অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে, এবার আবার তারা প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’ ধারাবাহিকের টিআরপি নম্বর হল ৭.৩। দ্বিতীয় স্থানে ৭.১ পেয়ে রয়েছে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। এই প্রতিযোগিতায় ‘পরিণীতা’ ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। যদিও তারা কখনও প্রথম পাঁচ থেকে বাইরে যায়নি, তবে তাদের নম্বর আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ৬.৯ পেয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে তারা।
চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’। সম্প্রতি ধারাবাহিকটির একটি দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু শত সমালোচনার সত্ত্বেও, তারা প্রথম পাঁচের মধ্যে স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তারা পেয়েছে ৬.৬, এবং বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে দুই ধারাবাহিক, যারা ৬.৫ স্কোর নিয়ে সমান অবস্থানে রয়েছে, সেগুলি হল ‘ও মোর দরদিয়া’ এবং ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ দুই ধারাবাহিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান এবং বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিনকে ডিবি পুলিশ পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে জেলগেট থেকে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায়, বেশ কিছু মামলায় আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের গেট থেকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জসিম উদ্দিন একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত অভ্যুত্থানের সময় বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের ওপর সংগঠিত সশস্ত্র হামলা, বিএনপি অফিসে ভাঙচুর এবং অন্যান্য ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জসিম উদ্দিনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই ব্যাপারে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।
পূর্বে, গত বছরের ১৮ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল নগরীর সাগরদী খালপাড় এলাকা থেকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও-হাতিরঝিল-শেরেবাংলা নগর) বিএনপি সমর্থিত কোদাল মার্কার প্রার্থী সাইফুল হক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে কাওরান বাজারের প্রগতি ভবনের সামনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং কোদাল মার্কার প্রার্থী সাইফুল হক তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “গত ১৭ বছর ধরে এ দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে হবে। যারা কালো টাকা ও পেশিশক্তি দিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চান তারা ভুলে যান সেসব পুরানো দিনের কথা।”
তিনি জনগণকে প্রতিশ্রুতি देते বলেন, “নির্বাচিত হলে আমি প্রতি ছয় মাস অন্তর প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণশুনানি করবো। মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শুনে তৃণমূল থেকে প্রতিকারের ব্যবস্থা করা হবে।”
সাইফুল হক উল্লেখ করেন, ঢাকা-১২ আসন বর্তমানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং মাদকের কারণে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। যারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, আগামী নির্বাচনে এই আসনের সচেতন জনগণ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। আগামী নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে।
তিনি বক্তব্যের শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ঢাকা-১২ আসনের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিএনপি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য আলহাজ এল রহমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী আকবর খান, নারীনেত্রী বহ্নিশিখা জামালী, ড. মোশরেকা অদিতি হক এবং তেজগাঁও ও হাতিরঝিল থানা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশের পর একটি বিশাল প্রচার মিছিল কারওয়ান বাজার ও নাখালপাড়া এলাকা প্রদক্ষিণ করে নাবিস্কো মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি বাসার বাথরুমে বালতির পানিতে পড়ে ফারজানা আক্তার নামে এক বছরের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কামরাঙ্গীরচর চান মসজিদ কসাই গলির একটি বাসায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে শিশুটির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে শিশুটির মা ময়না আক্তার বলেন, তাদের বাড়ি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার গেন্দুকরি গ্রামে অবস্থিত। শিশুটির বাবা ওমর ফারুক একটি রিকশা চালক। বর্তমানে তারা কামরাঙ্গীরচর চান মসজিদ কসাই গলির একটি চারতলার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার নানী মর্জিনা বেগমের কাছাকাছি ছিল এবং খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর শিশুটি নানীর নজর এড়িয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়। যখন নানী তাকে খুঁজতে বের হন, তখন তিনি বাথরুমে পানি ভর্তি বালতির মধ্যে শিশুটিকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। সরাসরি সেখান থেকে তুলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ