মোঃ ফারুক হোসেন টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি
০৭:০৭ পি.এম
গাজীপুরের টঙ্গীতে ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা করাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও সুইচ গিয়ার দিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও রুপার ব্রেসলেট ছিনিয়ে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
রবিবার (০৪ অক্টোবর) টঙ্গী পূর্ব থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (০৮অক্টোবর) বিকেলে সবুজ আহমেদ রায়হানসহ আহতরা টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে নিশ্চিত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ও এজাহারকারী সবুজ আহমেদ রায়হান (৩০) জানান, তিনি ও তাঁর বন্ধু মো. বাবু আহমেদ (৩৪) টঙ্গী বাজারের মিতালী পাম্পের সামনে ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ ওই স্থানে ব্যবসা করতে বাধা প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, গত ০৪/১০/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টায় দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পূর্ব আবিচপুর কালভার্ট মসজিদের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাঁদের পথরোধ করে। সেখানে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ১ নং বিবাদী নূর মোহাম্মদ জাকারিয়া রিসাল হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো রামদা দিয়ে কোপ দিলে তা হাত দিয়ে ফেরাতে গিয়ে সবুজ আহমেদ রায়হানের দুই হাতের আঙুল কেটে গুরুতর জখম হয়।একই সময়ে তাঁর বন্ধু মো. বাবু আহমেদ এগিয়ে আসলে বিবাদীরা তাঁকেও রামদা দিয়ে মাথায় কোপ মারে ও ২ নং বিবাদী সজীব ওরফে (বেস্তি সজীব) সুইচ গিয়ার দিয়ে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে বিবাদীরা মো. বাবু আহমেদের সাথে থাকা ৬ ভরি ওজনের একটি রুপার ব্রেসলেট (আনুমানিক মূল্য ২৫,০০০ হাজার টাকা) ও ১৫,০০০ হাজার টাকা ভর্তি মানিব্যাগ এবং সবুজ আহমেদের ২ ভরি ওজনের একটি রুপার ব্রেসলেট (আনুমানিক মূল্য ১২,০০০ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে আহতদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনা অন্য আসামিরা হলেন, নাঈম, লিটন ও রাতুল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ নূরমোহাম্মদ জাকারিয়া রিসাল
টঙ্গী পূর্ব থানার ছাত্রদলের সভাপতির পরিচয় দিয়ে একদল কিশোর গ্যাং নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, এই ঘটনায মামলা হয়েছে আসামীদের গ্রেফতার কহতে পুলিশ চেষ্টা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সরকার স্থানীয় শ্রমিকদের পাশাপাশি সব বিদেশি শ্রমিকদের মাসিক মজুরি ১,৭০০ রিঙ্গিত থেকে বৃদ্ধি করে ২,০০০ রিঙ্গিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খবরটি প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া মাদানি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সংসদে ২০২৭ সালের বাজেট পেশ করার সময় এই মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। এটি কার্যকর হবে ২০২৭ সালের জুন মাস থেকে। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন এই মজুরি হারের ফলে চল্লিশ লাখেরও বেশি কর্মী উপকৃত হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার ন্যূনতম মজুরির নিয়ম বিদেশি কর্মীদের জন্যও প্রযোজ্য। বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য দেশের শ্রমিকরা মালয়েশিয়ার কর্মীদের মতো একই আইনসম্মত ন্যূনতম মূল মজুরি পাওয়ার অধিকারী।
মালয়েশিয়া ২০১৩ সালে ন্যূনতম মজুরি নীতি চালু করে, যেখানে মাসিক মজুরি ৯০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে তা বেড়ে ১,০০০ রিঙ্গিত, ২০১৯ সালে ১,১০০ রিঙ্গিত, ২০২০ সালে ১,২০০ রিঙ্গিত, ২০২২ সালে ১,৫০০ রিঙ্গিত এবং ২০২৫ সালে ১,৭০০ রিঙ্গিত হয়েছে। সর্বশেষ এই বৃদ্ধির ফলে ন্যূনতম মজুরি তার মূল হারের দ্বিগুণেরও বেশি হবে।
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন যে, বার্ষিক টার্নওভার ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কম এমন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি আকারের শিল্পোদ্যোগগুলো নতুন এই শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবে। এই অব্যাহতির উদ্দেশ্য হলো ছোট ব্যবসাগুলোকে তাদের ব্যবসায়িক মডেল সমন্বয় করার জন্য সময় দেওয়া।
তিনি বলেন, "শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা ও তাদের মজুরির মধ্যকার ব্যবধান আমাদের কমাতে হবে।" ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে আয় তাল মেলাতে ব্যর্থ হওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। দেশের মজুরি কাঠামো উন্নত করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সরকার আধা-দক্ষ কর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন ২,৫০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করার পরিকল্পনাও করছে।
আনোয়ার বলেন, "ন্যূনতম মজুরি শ্রমিকদের আয়ের কেবল একটি সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করে।" দক্ষ শ্রমিকদের এখনও তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না। সরকার অনিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ রোধ করতে কর বিধিমালা কঠোর করারও পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থা অনুযায়ী, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য সংস্থাগুলোকে মজুরি ব্যয়ের ওপর কর ছাড়ের যোগ্যতা অর্জনের জন্য কর্মসংস্থান আইনে অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মজুরি পরিশোধ করতে হবে।
মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক নেপালি শ্রমিক কর্মরত আছেন। আশা করা হচ্ছে, এই বৃদ্ধির ফলে ন্যূনতম মজুরি নীতির আওতাভুক্ত নেপালি এবং অন্যান্য বিদেশি শ্রমিকদের আয় বাড়বে। তবে, ২০২৭ সালের জুনে এটি কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ছাড়ের কারণে সব শ্রমিক তাৎক্ষণিকভাবে এর সুবিধা পাবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলে পুকুরে ডুবে ছাত্রদল নেতার ভাতিজার মৃত্যু
নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার মদিনাপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশু শাহরিয়ার আহমেদ রাফির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
রাফি মদিনাপাড়ার সাদেকুর রহমান উজ্জ্বলের ছেলে এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার ভাতিজা।
পরিবার ও স্বজনেরা জানান, রাফি বাড়ির পাশে ঘোরাফেরা করছিল। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে পড়ে মারা যায়। সিসিটিভির ফুটেজেও বাড়ির পাশে ঘোরাফেরা করার দৃশ্য দেখা গেছে। তার মৃত্যুতে বাবা-মাসহ পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের মাঝে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
এদিকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু সুলতান ও লোহাগড়া পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা লাক্সমি জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের নাওরা গ্রামে শিশু রাফির জানাজা শেষে দাফন অনুষ্ঠিত হবে। এ ঘটনায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শিশু রাফির পরিবার-পরিজনের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। #
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, দুর্গাপূজা এখন আর একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর জেএমসেন হলে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু উল্লেখ করেন, আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি, যেখানে সকল মানুষের জন্য সমান অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা যেন সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়, সেটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দুর্গাপূজা একটি ধর্মীয় উৎসব হলেও এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় উৎসবে রূপ নিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই পূজার আনন্দ ও উৎসবে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা সবাই মিলে একটি দেশ গড়তে চাই, যেখানে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নয়, বরং সবাই সমান সুযোগ পাবে। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে। তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।
সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রতিটি সমাজে কিছু দুষ্ট লোক থাকে। তাদের কারণে যেন মানুষের মধ্যে বিদ্যমান সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও ঐক্য নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। এজন্য সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, এবারের দুর্গাপূজার আগে থেকেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। মানুষের মধ্যে স্বস্তি, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির পরিবেশ থাকলে আনন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সরকার সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চায়। যদিও কিছু ছোটখাটো অসুবিধা থাকতে পারে, তবে সেগুলোকে বড় করে না দেখে দেশের সামনে থাকা সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, চট্টগ্রামে যখন বন্যা হয়েছিল, তখন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব, পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবেও মানুষের পাশে থাকা আমাদের অঙ্গীকার।
আজ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসবের আয়োজনেও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ আপনাদের পাশে রয়েছে। আমরা চাই, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ থাকুক।
তিনি আরো বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণভাবে এবং আনন্দঘন উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সবার সহযোগিতায় এবারের দুর্গাপূজা সম্প্রীতি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমার এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পুলিশের পিকআপভ্যান একটি খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় দুই আসামিসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মনিপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল মো. মোস্তফা (৩০), মো. জুম্মান (৩০) এবং পিকআপভ্যানের চালক নায়েক তোফায়েল আহমেদ (৪২)। আহত দুই আসামির মধ্যে একজন হলেন মাদক মামলায় রিমান্ডে থাকা মহন মিয়া (৪৫) এবং অপরজন পারিবারিক মামলার আসামি রুজিনা বেগম (৩৫)। উভয়ের বাড়ি বিজয়নগর উপজেলায় অবস্থিত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুপুরের দিকে বিজয়নগর থানা থেকে দুই আসামিকে নিয়ে পুলিশের একটি পিকআপভ্যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে যাচ্ছিল। মনিপুর এলাকায় যাওয়ার সময় পিকআপভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। ফলে তিন পুলিশ সদস্য ও দুই আসামি আহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ