০৭:৫৫ পি.এম
জাতীয় সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ ক্ষেত্রে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ সময় বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন এবং জানান, বৃষ্টির দিনে তাঁর নিজের কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে। এটি কি কারণে হচ্ছে এবং সমস্যাটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তাই তাঁকেও ঘরে পানি আটকে রাখতে বাটি রাখতে হয়। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে, পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করেন হুইপ জি কে গউছ। তিনি কথা বলেন সংসদ ভবনের ওপরের তলায় থাকা মসজিদ সম্পর্কে, যেখানে অসংখ্য সংসদ সদস্য জামাতে নামাজ আদায় করেন। কিন্তু বর্তমানে মসজিদের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে, যা সত্যিই দুশ্চিন্তার বিষয়।
পানি আটকাতে সেখানে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। যেই সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়, সেই সংসদ ভবনের মসজিদের এমন ক্রমাবস্থা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।
আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা
এ সময়, ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি তাঁরও জানা আছে এবং তিনি বলেন, 'কষ্টের কথা কাকে বলব। বৃষ্টির দিনে আমি যখন নিজের ঘরে ঘুমাতে যাই, তখন আমার ঘরের ছাদেও পানি পড়ে। তাই আমাকেও বাটি দিয়ে পানি আটকে রাখতে হয়।' এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে কিছুক্ষণ হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
পরে, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভবনের যেসব স্থানে পানি পড়ছে, সেগুলো মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ সময়, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, চিফ হুইপ বিষয়টি তুলে ধরেছেন। মন্ত্রী যদি এ বিষয়ে কিছু বলেন, তাহলে সবাই আশ্বস্ত হবেন। অন্তত বৃষ্টির দিনে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন। জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন জানান, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। সংসদ ভবনের যেসব স্থানে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে, সেগুলো সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, দ্রুতই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: আলীকদমের ৩৮ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন