০৯:৪৫ এম
প্রশ্ন ফাঁসের খবরের পর পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতিমন্ত্রী রাত জেগে নতুন প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যুব উন্নয়ন অধিদফতরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের বাছাই পরীক্ষাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। অবশেষে এই বহুল চর্চিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৫ হাজার ৩৮৬ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) অধিদফতরের যুগ্ম সচিব ও বিভাগীয় নিয়োগ কমিটির সভাপতি ডি এম আতিকুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ফলাফল জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদফতরের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (গ্রেড-১১) পদের জন্য ২৪২টি শূন্য পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই পরীক্ষা পরিচালিত হয়।
আরও পড়ুন: মাতারবাড়ী বন্দর ঘিরে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে চায় জাপান: দ্য হিন্দু
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রাক-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র পরবর্তী সময়ে যুব উন্নয়ন অধিদফতরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.dyd.gov.bd) এবং প্রার্থীদের মুঠোফোনে টেলিটকের মাধ্যমে খুদে বার্তার সাহায্যে জানিয়ে দেয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার যে কোনো পর্যায়ে কোনো প্রার্থী অসদুপায় অবলম্বন বা অনিয়ম করলে তার প্রার্থিতা ও ফলাফল সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষাটি ১০ অক্টোবর হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ায় তা স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর স্থান পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নতুন প্রশ্নে ১৬ অক্টোবর পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার আগের রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক নিজেই সচিবালয়ে রাত কাটান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে: ভারতীয় হাইকমিশনার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন