শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০১:৩০ এম
দেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের জানমাল রক্ষা করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে এবং এ পরিস্থিতি অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপি গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, দেশে আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং নাগরিকদের জানমাল রক্ষা করার গুরুত্ব অত্যধিক বেড়ে গেছে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসীরা কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে গুলি করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এই বর্বর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন দ্রুত সম্ভাব্য সময়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব দুষ্কৃতকারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনে বাধা দেওয়া এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা কখনোই দেশের জনগণ মেনে নেবে না। গণতন্ত্রকামী মানুষ সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে, ইনশাআল্লাহ।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটের দিনের জন্য তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে এবার বহু ষড়যন্ত্র ঘটতে পারে। বিএনপি নেতাকর্মীদের সবসময় সতর্ক থাকার কথা তিনি বলেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা পৌর স্টেডিয়ামে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেছেন।
তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্র থেমে নেই। একটি দলের স্বাধীনতার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সেজন্য তাদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, মানুষ তাদের ভুলে যায়নি।
তিনি আরও বলেছে, বিএনপি জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় আসলে মা-বোনদের জীবনকে উন্নত করে স্বাবলম্বী করার জন্য উদ্যোগী হবে। মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী ভাতা চালু করে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। জেলা-উপজেলা ও গ্রামে রাস্তার অবস্থা যে অত্যন্ত খারাপ, সেগুলো মেরামত করতে হবে। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সমস্যা এবং সরকারি হাসপাতালের মধ্যে চিকিৎসা সুবিধার অভাব নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। এসব সমস্যার সমাধান দ্রুত করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
এ জন্য নির্বাচন দিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।
এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রার্থীদের জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলম। এতে জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনন্যা পাণ্ডে সম্প্রতি আলোচনায় ছিলেন আদিত্য রয় কপূরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব এবং ওয়াকার ব্লাঙ্কের সঙ্গে নৈকট্যের কারণে। তাহলে কি তিনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
২০১৯ সালে কর্ণ জোহরের হাত ধরে ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার ২’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন চাঙ্কি পাণ্ডের মেয়ে অনন্যা।
কিন্তু সেই ছবিতে তাঁর অভিনয় নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়, প্রকাশ্যে আসে পক্ষপাতের প্রসঙ্গ। এটি প্রমাণ করে যে বলিউডের তারকাসন্তান হওয়ার পরও সাফল্য পেতে কঠিন ঠিকই, যা অনন্যা নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। একাধিক ছবিতে তিনি ব্যর্থতা দেখতে পেয়েছেন। তবে সম্প্রতি তাঁর অভিনয় দক্ষতা অনেক উন্নত হয়েছে। ‘খো গয়ে হম কহাঁ’, ‘কল মি বে’ এবং ‘কন্ট্রোল’ সিনেমাগুলিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শকদের। একই সঙ্গে, আদিত্য রয় কপূরের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ওয়াকার ব্লাঙ্কের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তিনি আবারও আলোচনায় উঠেছেন। সাথে, শুরুর দিকে ঈশান খট্টরের নামও তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাহলে কি অনন্যা সত্যিই নিজের জন্য সঠিক সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনন্যা বলেছিলেন, “আজ থেকে পাঁচ বছর পরে আমি নিজেকে বিবাহিত দেখতে চাই। একটি সুখী পরিবার, সন্তানের পরিকল্পনা এবং অনেক পোষ্য কুকুর।” টেলিভিশনের একটি রিয়্যালিটি শোতে গিয়ে, অনন্যার মা ভাবনা মেয়ের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন দিয়ে বলেন, “আমি চাই, অনন্যার বিয়েতে মাটনের বাহারি পদ, রসুনের আচার, ভারতীয় পদ্ধতিতে তৈরি তিরামিশু, এবং বেগুনি পরোটা থাকা উচিত।”
ভাবনা জানান, পাণ্ডে পরিবার বেশ খাদ্যরসিক, তাই তাঁরা বিয়েতে স্বাদের জন্য বাহারি সব পদ প্রস্তুত রাখতে চান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, বাংলাদেশ কি পুনরায় দখলদার, দুর্নীতিবাজ ও টেন্ডারবাজদের হাতে চলে যাবে তা আগামী নির্বাচনে নির্ধারণ হবে।
নির্বাচনটি আপনারাই করবেন এবং এই সিদ্ধান্ত আপনাদের ওপরই বরাবর। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুপুয়া বাজারে এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এ তথ্য জানান।
তাহের আরও বলেন, পূর্ববর্তী স্বৈরাচারদের সময় অনেক হিন্দু ভাই-বোনের সম্পত্তি দখল করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপনাদের ভালো জানা আছে, কিন্তু জামায়াতে ইসলামের কোনো কর্মী বা নেতার বিরুদ্ধে হিন্দুদের সম্পত্তি দখলের কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।
এসময় তিনি উল্লেখ করেন, হিন্দু সম্পত্তি দখল করেছে সেই ভারত, যারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনোই কারো সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে না বা লুটপাটও করে না।
এই নির্বাচনি সমাবেশে চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস, খলিলুর রহমান মজুমদার সভাপতিত্ব করেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সাত্তার, ভিপি শাহাব উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মুহা. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মো. বেলাল হোসাইন, পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. ইব্রাহীম, মিয়াবাজার কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল হারুনুর রশিদ, কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আহম্মেদ মজুমদার, আবুল খায়ের মজুমদার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাঢ় লাল সিকুইনড গাউন পরেছিলেন নূপুর। সেই প্রীতিভোজের আসরে স্টেবিনের বোন, অর্থাৎ নূপুরের ননদ, একই ধরনের একটি লাল সিকুইনড গাউন পরে উপস্থিত হয়েছিলেন।
সম্প্রতি কৃতি সেননের বোন নূপুর সেনন অভিজাতভাবে বিয়ে করেছেন। সেই বিয়ের বহু মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। প্রীতিভোজের অনুষ্ঠানে নূপুর গাঢ় লাল সিকুইনড গাউন পরে আসরের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। কিন্তু এখন কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন নূপুরের ননদ স্টেবি বেন, যিনি নূপুরের সাজের অনুকরণ করে লাল গাউন পরেছেন।
নতুন বৌয়ের সাজ সবসময়ই বিশেষাংকিত। প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানগুলোতে কনেরা যেমন কেন্দ্রে থাকেন, তেমনি পোশাকশিল্পী এবং প্রসাধন শিল্পীরাও সেদিকে নজর দেন। নূপুর তাঁর বিয়ে এবং প্রীতিভোজের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু স্টেবি বেন, যিনি নূপুরের বৌদি, তার সাজের নকল করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
নূপুর এবং প্রেমিক স্টেবিনের সঙ্গে উদয়পুরে বিয়ের পর মুম্বাইয়ে একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে নূপুর গাঢ় লাল সিকুইনড গাউন পরেছিলেন। ওখানে স্টেবিনের বোনও একই ধরনের পোশাক পরায় অনেকেই তার সমালোচনা করেছেন। এক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, “এ কারণে বিয়ের পোশাক কাউকে দেখানো উচিত নয়। কিছু কিছু মেয়ে বিয়ের কনের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখতে চান।” অন্য একজন নেটাগরিক কৌতুক করে বলেন, “এই কেবল মধ্যবিত্ত পরিবারে নয়, তারকা পরিবারেও এমন হয়। ননদেরা বৌদির সাজ নকল করতে চান, কিন্তু নূপুরের সৌন্দর্য তুলনাহীন।”
যদিও এ বিষয় নিয়ে নূপুর বা স্টেবি দুজনেই কোনো মন্তব্য করেননি। প্রীতিভোজের সময় কৃতি সেনন অলিভ সবুজ রঙের একটি শাড়ি পরেছিলেন। দুই বোনের নানা মুহূর্ত দেখে অনুরাগীরা মুগ্ধ হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ