ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ ডাকাতকে ধরল পুলিশ


দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ ডাকাতকে ধরল পুলিশ

 

দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ডাকাতি এবং চুরি মামলার ছয় আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত দুদিন ধরে দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজেদুল ইসলামের সহযোগিতায় গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী এবং কুমিল্লা জেলার বুড়িচং, সদর দক্ষিণ ও কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিন্ন ভিন্ন চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি মামলার ছয় আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন জেলার মুরাদনগর উপজেলার মুগসাইর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন, দড়িকান্দি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ আনিছ, দিঘীরপাড় গ্রামের হবি মিয়ার ছেলে মোঃ আলী আক্কাস, ভোলা সদরের শিবপুর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে সুমন, দাউদকান্দির সরকাপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে রবিউল আওয়াল এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আব্দুল্লাহর ছেলে মোঃ করিম।

আরও পড়ুন: নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দুই জন দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজার ও সুনামগঞ্জের স্বর্ণ চুরির ঘটনায় জড়িত বলে জানা গেছে। আসামী মোঃ আলাউদ্দিনের নামে ২১টি মামলা এবং মোঃ আনিছের নামে ১৭টি মামলা রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন থানায় স্বর্ণ চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে দায়ের করা হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম থেকে আন্ত:জেলা ডাকাত চক্রের সদস্যসহ বহু ডাকাতি ও ছিনতাই মামলার ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যাওয়া অবস্থায় অজ্ঞান পার্টির চক্রের খপ্পরে পড়ে স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরীক্ষার প্রবেশপত্র হারিয়ে ফেলেন দুই পরীক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা হলেন জান্নাতুল নাঈমা (১৯) ও প্রাহিমা আক্তার শশী (১৯)। উভয়েই নোয়াখালী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল সোনাপুর কলেজ।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে মাইজদী শহরের মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে এই ঘটনার উৎপত্তি হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নাঈমা ও প্রাহিমা একই এলাকার বাসিন্দা এবং সখ্যবান বান্ধবী। শনিবার সকালে তারা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সোনাপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠেছিলেন। কিন্তু অটোরিকশাটি মেহরান ডাইন রেস্তোরাঁর সামনে পৌঁছালে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে তাদের অচেতন করে ফেলে। এরপর তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার এবং সঙ্গে থাকা পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে সিএনজিচালক দুই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় রেখে চলে যান। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। বর্তমানে তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার কারণে তারা নির্ধারিত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, "পরীক্ষার্থীদের স্বজনরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি জানায়নি। তবে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে ২০০ রানের চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশের সামনে ২০০ রানের চ্যালেঞ্জ

ধবলধোলাই এড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে আজ ২০০ রানের লক্ষ্য স্থির করেছে জিম্বাবুয়ে।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রীড়া ডেস্ক জানায়, সিরিজ বাঁচাতে বাংলাদেশ পারেনি। ফলে মেহেদী হাসান মিরাজের দলের সামনে ধবলধোলাইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশকে ২০০ রান করতে হবে, এই লক্ষ্যই আজ ছিল জিম্বাবুয়ের, যারা প্রথমে ব্যাট করে অলআউট হয়েছে ১৯৯ রানে।

হারারেতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল একটি কঠিন মিশন। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে তাদের প্রথম এলিমিনেশন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে আরও কম রানে অলআউট করার সুযোগ তৈরি করেছিল।

দলীয় ১০৮ রানে ৬ উইকেট তুলে নেওয়ার পরও বাংলাদেশ সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি।

তবে জিম্বাবুয়ের দুই হাফসেঞ্চুরিয়ান ওয়েসলি মাধেভেরে ও ব্র্যাড ইভান্স ধাক্কা সামলে দিয়েছেন। প্রথমে শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের শুরু ধাক্কা সামলে ৩০৬ রান গড়ায় মাধেভেরে, যিনি এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন।

চতুর্থ উইকেটে ইনোসেন্ট কাইয়ার সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়ে তারা দুইশোর ভিত গড়েন।

ব্যক্তিগত ২৫ রানে কাইয়া আউট হওয়ার পর জিম্বাবুয়ে আবারও ধাক্কা খায়। সপ্তম উইকটে ইভান্সের সঙ্গে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল মাধেভেরে। তবে ৭৫ রানে আউট হলে তাদের ৪৩ রানের জুটি ভেঙে যায়।

৫ চার ও ১ ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি বিদায় নিলে পরে ইনিংস একাই টানেন ইভান্স। ৫ চার ২ ছক্কায় কাঁটায় কাঁটায় ৫০ রান পুর্ন করেন এবং জিম্বাবুয়ে দুইশোর কাছাকাছি পৌঁছে দেয়।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। তাসকিন ও তানভির ইসলাম দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ এর আগে এই হারারেতেই প্রথম দুই ওয়ানডে পরপর হেরে সিরিজ খুইয়েছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৫ রানের বিপরীতে ১৩ রানে পরে হারতে হয় বাংলাদেশকে। এছাড়া একমাত্র টেস্টে ৮৫ রান ও ইনিংস ব্যবধানেও হেরেছে বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম আহসানুল হক মিলন বলেছেন, মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাত আজ বিশ্বব্যাপী একটি বৃহৎ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে।

মেধার যথাযথ বিকাশও অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকীকরণের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি শুদ্ধ, মানবিক ও মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করার প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীরা এক সময় বাংলাদেশে পড়তে আসলেও বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশমুখী হচ্ছে।

এই প্রবণতা কমিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা, গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।

একজন শিক্ষার্থীর জীবনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে শিক্ষা।

স্বাধীন ও অলাভজনক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয়।

সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়িয়ে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার যে ব্যয় বহন করে, তা অনেক শিক্ষার্থী উপলব্ধি করে না।

কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা ব্যয় বহন করে।

এ কারণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন, যা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বপ্ন ছিল।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, গণমানুষের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি দেশের উচ্চশিক্ষায় একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ।

সত্যিকার অর্থেই গণমানুষের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটি দেখতেই আমি এখানে এসেছি।

মন্ত্রী আরো বলেন, গণ বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলক কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করছে, যা দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুসরণীয়।

কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক, গবেষণামুখী ও প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে উন্নয়নের যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতেই আমার এ সফর।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তরিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে এবং শিক্ষকদের আরও শিক্ষাকেন্দ্রিক হতে হবে।

সाथে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যুগে সৃজনশীল ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা যেন কখনো বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত না হয়; বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. তমিজ উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ না করলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ না করলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার

পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে যদি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করত, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি জানিয়েছেন যে, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট যদি ১৯৭১ সালের পাক বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করত, তবে এ দেশ এখনও পাকিস্তানই থাকত।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা শহরের মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ নামক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

হাফিজ উদ্দিন জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীতে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। তিনি সাধারণত ফুটবল নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। জগন্নাথ কলেজে প্রভাষকের চাকরিও পেয়েছিলেন। একই সময় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্যও তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

তার বাবা তাকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দেখতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা হয়নি। পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় থাকার সময় ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি মেজর মোহাম্মদ মালিক তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছিলেন।

তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলের মাঠে ফুটবল খেলার সময় তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতি উঠে আসেন। স্পিকার বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের মধ্যে ফুটবল খেলা চলছিল। এখানে তিনি দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ছিলেন। হাফিজ উদ্দিন বলেছেন, রেফারি হুইসেল বাজিয়ে তাকে ডাকেন। হাফপ্যান্ট পরে, সাদা শার্ট পরিহিত, চোখে একটি সানগ্লাস ছিল। তিনি তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে বলেছিলেন, ‘আই অ্যাম মেজর জিয়া। তুমি পাস আউট করে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যাবে। মাই ব্যাটালিয়ন ইজ নোন অ্যাজ সিনিয়র টাইগারস। সেনাবাহিনীর সবচেয়ে চ্যাম্পিয়ন ফুটবল টিম সিনিয়র টাইগারস।’

হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, এ দেশের মহান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। তার কথাতেই আমি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছি, অন্যদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সেটি হয়েছিল ছয় দফার ভিত্তিতে। তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সম্পদ ও সুযোগের সমবণ্টন ছিল না। সেই বৈষম্য নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল। পশ্চিম পাকিস্তানের চারটি প্রদেশকে যেভাবে তত্ত্বাবধান করা হত, পূর্ব পাকিস্তান ছিল অবহেলিত। পূর্ব পাকিস্তানে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছিল না। তখনকার আন্দোলনের নাম ছিল ‘সাম্যের । দুটি অঞ্চলের মধ্যে সমতা ছিল না। সম্পদের সমবণ্টন ছিল না। এজন্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষুব্ধ ছিল। এটিকে সম্বল করে আওয়ামী লীগ তৎকালীন নির্বাচনটি জিতেছিল।

মুক্তিযুদ্ধকে কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন স্পিকার। তিনি জানিয়েছেন, এটি ছিল জনতার যুদ্ধ। ১৯৭১ যারা দেখে নাই তারা দুর্ভাগা। আমাদের মধ্যে ভাগ্যবানরা ১৯৭১ সাল দেখতে পেয়েছে। আমাদের কাছে তো মাত্র পাঁচটা ব্যাটালিয়ন ছিল। চার হাজার সৈনিক। মুক্তিবাহিনী ছিল প্রায় লাখের মতো। ছাত্র, শিক্ষক, রিকশাচালক, দোকানদার, বাসের চালক, সহকারী, পিয়নসহ সব পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%