শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আসাদ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থান সম্পূর্ণরূপে অটুট রয়েছে। দেশের সব ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ধর্ম পালন করছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব হয়েছিল। আমরা যখন অশুভ শক্তি ও অপশক্তির বিরুদ্ধে কাজ করব এবং কথা বলব, আমি বিশ্বাস করি আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সর্বদা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য উদাহরণ। এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করতে পারে।
শৈলকূপার উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, "যদি কোনো কুপরামর্শ বা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।" তিনি সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান, যেন যেকোনো ধরনের অপপ্রচার বা গুজবে কান না দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে আইনমন্ত্রী জন্মাষ্টমীর উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলের প্রান্তিক জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় আশার আলো দেখা দিয়েছে, যদিও নানা সংকট বিদ্যমান। তীব্র জনবল সংকট এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুনরায় অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়া এবং বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহের ফলে অবহেলিত এলাকার বাসিন্দারা নতুনভাবে আশার আলো দেখছেন।সুবিধাভোগীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অপ্রতুল বেড সংখ্যা, জলাবদ্ধতা এবং বিশুদ্ধ পানির অভাব ছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পুনরায় চালু হয়েছে। গাইনি, সার্জারি এবং এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার পোস্টিং না থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য উপজেলা থেকে নির্দিষ্ট দিনে নিয়মিত সিজার, মহিলাদের জরায়ু অপারেশনের মতো জটিল অস্ত্রোপচার করছে। রোগীদের জন্য ওষুধও সরবরাহ করা হচ্ছে।ফলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলের প্রায় ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসার অন্যতম ভরসা হচ্ছে উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতাল। যেখানে ৪২ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত মাত্র ১৫ জন চিকিৎসক। তাদের মধ্যে ডেপুটেশন ও ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন মাত্র ১২ জন চিকিৎসক।এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এবং অন্যান্য জনবলও কম রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এখানকার চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দক্ষতার সঙ্গে নানা সংকট মোকাবেলা করা হচ্ছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন এবং অন্তর্বিভাগে ৩৫ থেকে ৫০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন, যা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। হাসপাতালে এনসিডি কর্নার নামে একটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে, যেখানে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হাঁপানি রোগীদের বিশেষ সেবা দেওয়া হচ্ছে।ছোট বাচ্চাদের জন্য দুগ্ধ পান করার ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার এবং শিশুদের খেলার জন্য কিডস কর্নারও রয়েছে। এছাড়া বহির্বিভাগে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা সেবা চালু আছে। বিনামূল্যে বিভিন্ন রোগের ঔষধ প্রদান করা হচ্ছে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য সার্বক্ষণিক অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পুরো হাসপাতালের আন্তঃবিভাগ, জরুরি বিভাগ, নার্সেস ডিউটি রুমে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আইপিএস সেট করায় লোডশেডিং কমছে।
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আধুনিকায়ন, দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদ সংস্কার, মোটরসাইকেল পার্কিং শেড এবং পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে। তবে হাসপাতালের মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং প্যাথলজি সেবা ব্যহত হচ্ছে। প্যাথলজি না থাকলেও কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে সবসময়ই ইসিজি, ডায়াবেটিস পরীক্ষার স্ট্রিপ, প্রেগনেন্সি টেস্ট কীট, হার্ট অ্যাটাক পরীক্ষার জন্য কার্ডিয়াক ট্রপোনিন আই ডিভাইস, ডেঙ্গু পরীক্ষা কীট, গর্ভের বাচ্চার কন্ডিশন বুঝতে ফিটাল ডপলার মেশিনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা রোগীদের সেবায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এছাড়া সাপে কাটা রোগীর জন্য জীবন রক্ষাকারী এন্টিভেনম পর্যাপ্ত আছে। এ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাক্সিনও রয়েছে এবং দরিদ্র রোগীদের জন্য সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।
দক্ষিণ বেদকাশী থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আনজুমারা বেগম বলেন, ‘এক সময় নিয়মিত চিকিৎসক ও ওষুধ পাওয়া যেত না। হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এখন হাসপাতালে আসলেই চিকিৎসকের দেখা মেলে। আমরাও আন্তরিকতার সঙ্গে আধুনিক ও উন্নত সেবা পাচ্ছি। বিনামূল্যে ওষুধও দিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।’
উপজেলার সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে রিয়াদ শেখের গ্রাম। হাসপাতালে মাকে ভর্তি করেছিলেন তিনি। হাসপাতালের সেবা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা অনেক আন্তরিক। হাসপাতাল থেকে ওষুধ খাবার দেওয়াসহ নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছে। হাসপাতালের ভেতরের পরিবেশটাও এখন অনেক সুন্দর। দুই বছর আগে একবার এসেছিলাম, তখন আর এখন অনেক পরিবর্তন।’
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘হাসপাতালটিতে সেবার মান বাড়াতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছি। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকসহ শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ এবং চলমান উন্নয়নকাজ শেষ করা জরুরি।’
তিনি আরো বলেন, বর্তমান জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হলে হাসপাতালের সেবার পরিধি ও মান আরো অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালের চলমান নতুন ভবনের কাজটি শেষ হলে ভোগান্তি আরো লাঘব হবে।
তবে স্বাস্থ্য সেবা উন্নতকরণে স্থায়ীভাবে গাইনি, সার্জারি, এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার এবং এ্যম্বুলেন্সের জন্য একজন সরকারি ড্রাইভার ও প্যাথলজির জন্য একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান পদায়ন জরুরি বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানাচ্ছে, তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চার ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ চার লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুক্রবার ভোরে উপজেলার মালিয়াবো গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী হাজী আব্দুর রশিদ মিয়া জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ৮ থেকে ১০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি রামদা, চাপাতি ও বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে আব্দুর রশিদ মিয়ার গলায় ছুরি ধরে এবং তার স্ত্রী সাফিয়া বেগমকে বেঁধে ফেলে। পরে পুত্রবধূ কনা বেগমের চোখও বেঁধে দেওয়া হয়।
ডাকাতরা এরপর ঘরের আলমারি ভেঙে চার ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ চার লাখ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা ঘরের বিভিন্ন আসবাব ও জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ডাকাতরা বাড়াবাড়ি করলে পরিবারের আরও বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেয়।
পরে ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে রেখে পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাঁধন খুলে তাদের উদ্ধার করেন।
ঘটনার পর থেকে ওই ব্যবসায়ী পরিবারসহ স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের একটি ঘটনার ভিডিও তারা পেয়েছেন। ঘটনার প্রকৃতি চুরি নাকি ডাকাতি, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষার গুরুত্ব নৈতিক ও আধুনিক শিক্ষার মানদণ্ডে অপরিসীম। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় বেড়ে ওঠার ফলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা বোধের সৃষ্টি হয়। এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নের ফলে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করে মেধা তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সিংড়া উপজেলার শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা মসজিদের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।এমপি আনু আরও জানান, শোলাকুড়া মাদ্রাসায় পর্যায়ক্রমে ফাজিল ও কামিল চালু করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যেতে না হয়। মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দও দেওয়া হবে। তারেক রহমানের সরকার মাদ্রাসা শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি অধ্যাপক মো. এনতাজ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মোতাররফ হোসেন, সিংড়া ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেন, কলম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ফটিক।এছাড়া পৌর বিএনপির সদস্য মহিদুল ইসলাম, আলহাজ রেজাউল করিম বাবলু, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র মো. আব্দুল মন্নাফ, মাওলানা ওমর ফারুক অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ এর গেজেট প্রকাশের অপেক্ষা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বর্তমানে পে স্কেলের খসড়া বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগে কয়েকটি আনুষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন করার কাজ চলছে।তবে প্রজ্ঞাপন জারির পর পে স্কেল নিয়ে আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। রবিবার প্রজ্ঞাপন জারি হলে নবম পে স্কেলের বিস্তারিত বিধান প্রকাশিত হবে।এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ, বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় এবং বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।সূত্র জানায়, বিজি প্রেসে খসড়া পাঠানোর মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়া কার্যত শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও এসআরও নম্বর পাওয়ার পর নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬-এর গেজেট চূড়ান্ত হবে। তাই আগামী রবিবার শুধুমাত্র একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের দিন নয়; বরং সরকারি বেতন কাঠামোর নতুন অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনার দিন হিসেবেও এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।গত সোমবার মন্ত্রিসভা নবম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো চালুর ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এখন প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।এর আগে সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। তবে প্রজ্ঞাপন জারির জন্য নির্ধারিত প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা বেশি সময় লাগছে।ফলে বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে রবিবারকে নতুন সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ