ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি, ২০ গ্রাম প্লাবিত


কুড়িগ্রামে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি, ২০ গ্রাম প্লাবিত

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মুড়িয়ারহাট এলাকার বেড়িবাঁধের একটি অংশ রবিবার বিকেলে ভেঙে পড়ে। ঘটনাটির ছবি সোমবার দুপুরে তোলা হয়েছে। উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দুধকুমার নদীর মুড়িয়ারহাট এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। বর্তমানে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত ২০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে জানানো তথ্য অনুযায়ী, উজানের ঢলে জেলার সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদ নুনখাওয়া পয়েন্টে ৮৫ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ৬৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুধকুমার নদ পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী ও রৌমারী উপজেলায় বীজতলা, পাট ও শাকসবজিসহ ২০৪ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে, এ তথ্য কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে মুড়িয়ারহাট এলাকার বেড়িবাঁধে ধস দেখা দেয়। সময়মতো সংস্কার না করায় রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই নদীর পানি দ্রুত লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করে। ইতোমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানীপাড়া, পাটেশ্বরী, বোয়ালের ডারা, ধনিটারী ও বড়মানী গ্রাম ছাড়াও নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ারভিটা ও ফকিরটারী এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মান্নান বলেন, মিয়াপাড়া ও মুড়িয়ারহাট এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। কয়েকটি স্থানে বাঁধ উপচে পানি ঢুকতে দেখা গেছে। এতে ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ২০টি গ্রাম পানিবন্দি হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। দুধকুমার নদ বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের একটি নিচু সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সেখান দিয়ে পানি লোকালয়ে ঢুকছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জিও ব্যাগ ফেলে পানি ঠেকানোর চেষ্টা করা হবে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম খোদাদাদ হোসেন জানান, বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়ার পরপরই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি মেরামতের জন্য রওনা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, উজানের ঢলে প্লাবিত এলাকার মানুষের জন্য জরুরি সহায়তা হিসেবে দুই লাখ টাকা এবং ১১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ভাঙন রোধে জেলার প্রত্যেক উপজেলার জন্য এক হাজার করে জিও ব্যাগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নিখোঁজ নাহিদুরের স্ত্রী ও দুই মেয়ের সন্ধান চায় পরিবার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রত্যয়ে তিস্তাপাড়ে আনন্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় প্রত্যয়ে তিস্তাপাড়ে আনন্দ

 

জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যয়ে তিস্তাপাড়ের মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার দেখা দিয়েছে। সেই সাথে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে যারা আন্দোলন করেছেন, তাদের মাঝে স্বস্তি এসেছে। জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সোমবার দুপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিস্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রচার হতে শুরু করলে তিস্তা নদীর দুই পাড়ের মানুষ আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠেন। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা বলেন। সংসদ অধিবেশনের সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি, কৃষি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, শিক্ষা এবং জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ষা মৌসুমের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে সারা বছর যেন কৃষকরা নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ পান, সেই জন্য সরকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত জোরালো ভাষায় তিস্তা প্রসঙ্গে ঘোষণা করেন, “জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইনশাআল্লাহ এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।”

তিনি স্পষ্টত জানিয়ে দেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সংসদ সদস্যসহ উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের পানি এবং তিস্তা নিয়ে যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং এর স্থায়ী সমাধানে বদ্ধপরিকর। উত্তরাঞ্চলের পানির অধিকার নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সংসদ সদস্যরা, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের দুটি বড় কনসার্ন হচ্ছে পদ্মা ও তিস্তা নদী।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সংসদ ভবন থেকে মুঠোফোনে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত পরিকল্পিত রোডম্যাপ তৈরী করতে হবে।” জাতীয় বাজেটে যেহেতু তিস্তা নিয়ে কোনো বরাদ্দ নেই, তাই দ্রুত পরিকল্পনা প্রস্তুত করে তা বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামছুজামান সামু প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “তিস্তাপাড়ের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।” খরা মৌসুমে পানির জন্য হাহাকার এবং বর্ষায় দুইকূল প্লাবিত হওয়ার দৃশ্য দেখতে হবে না।

তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঘোষণায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদী এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখের কারণ হয়ে রয়েছে।” মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকের বৈঠকে পাশ করে কাজ শুরু করতে হবে।

গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজানুর রহমান, কাউনিয়া উপজেলার আসাদুজ্জামানসহ অনেকেই আনন্দ প্রত্যাশা করে বলেন, “প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদী শত শত মানুষকে নিঃশ্ব করে দেয়।” মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ ঘুচবে।

জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানি পাওয়া যায় ৮০০ থেকে এক হাজার কিউসেক। তখন তিস্তার চারিপাশে দেখা যায় ধুধু বালুচর। পানির অভাবে তিস্তা নদীর আশেপাশের এলাকায় পানি অনেক নীচে নেমে যাচ্ছে। পানির অভাবে অকোজো হয়ে পড়ার উপক্রম দেশের বৃহত্তম তিস্তা সেচ প্রকল্প। ভারত তিস্তার উজানে গজলডোবায় বাঁধ দিয়ে একতরফা পানি প্রত্যাহার করায় তিস্তা প্রকল্পে প্রতিবছরই পানির ঘাটতি দেখা দেয়। আবার বর্ষাকালে বিপদসীমা অতিক্রম করলে পানি প্রবাহ বেড়ে যায় ৪ লাখ কিউসেকে। প্রবল পানির তোড়ে ব্যারেজ ও আশপাশের অঞ্চল ঝুঁকির মুখে পড়ে। তখন ডালিয়া ব্যারেজের ৪৪টি গেট রাতদিন খুলে রেখেও পানি সরাতে কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে শুকনো এবং বর্ষা, দুই মৌসুমেই তিস্তা অববাহিকার মানুষের সময় কাটছে দীর্ঘশ্বাসে। শুকনো মৌসুমে ভারতে পানির ওপর নির্ভরতা থাকায় তিস্তা অববাহিকার ৫ জেলা নীলফামরী, লালমনির হাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় পানির জন্য হাহাকার দেখা দেয়। তিস্তা নিয়ে সরকারের মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে শুকনো মৌসুমে ভারতে কাছে পানির জন্য হাত পাততে হবে না। এছাড়া তিস্তা নদীকে ঘিরে প্রায় ১২০০ কিলোমিটারের বেশি খাল রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব খালে পানি ধরে রাখতে পারলে সারা বছর ধরে এই পানি ব্যবহার করা যাবে। নদীতে বারো মাস পানি থাকলে কৃষিকাজ থেকে শুরু করে এই অঞ্চলের আর্থ সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে। সেই সাথে পাল্টে যাবে দেশের চেহারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে কৃষকদের মাঝে ধানবীজ, সার ও চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে কৃষকদের মাঝে ধানবীজ, সার ও চারা বিতরণ

 

মুন্সীগঞ্জে দুই হাজার প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যের ভিত্তিতে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং ফলদ-বনজ চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন এবং কৃষি অফিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে এসব কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।

এখন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিয়াসাত সাদাত হোসেন।

বক্তারা এ সময় বলেন, সরকারের কৃষিবান্ধব এ প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় তারা কৃষকদের সঠিকভাবে কৃষি উপকরণ ব্যবহার করে অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ কর্মসূচির আওতায় ৬০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এর পাশাপাশি ১ হাজার ৪০০ জন কৃষকের মাঝে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ এবং ১২ জন উপকারভোগীর মাঝে বিভিন্ন গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রশাসন জানায়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার কৃষকদের মাঝে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা, লেবুর চারা এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণও বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনসিসির কার্যক্রম যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


বিএনসিসির কার্যক্রম যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনসিসির কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করতে যথাযথ বিনিয়োগের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ তারিখে, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বারা আয়োজিত ন্যাশনাল লেভেল স্টার্টআপ সায়েন্স প্রজেক্ট অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএনসিসি ক্যাডেটরা তাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী বিএনসিসি ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনসিসি তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বের গুণাবলি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্কুল, কলেজ থেকে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ ও সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য বিএনসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা উপজেলা পর্যায়ে বিএনসিসির কার্যক্রম আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যদি বিএনসিসির প্রশিক্ষণ কাজকে যুগোপযোগী করার জন্য যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এ বাহিনী তরুণ সমাজের নৈতিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দেশপ্রেমে মানুষকে জাগ্রত করতে অনন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাথরুমে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল দাপুনিয়ার যুবকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সজিব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার পাবনা

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


বাথরুমে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল দাপুনিয়ার যুবকের

পাবনা সদর উপজেলাডের দাপুনিয়া ইউনিয়নের খোঁকড়া গ্রামে বজ্রপাতে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। ওই যুবকের নাম রবি প্রামাণিক। তিনি মৃত বয়েন প্রামাণিকের ছোট ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (আজ) আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটের সময় তিনি নিজ বাড়ির বাথরুমে অবস্থানরত অবস্থায় হঠাৎ বজ্রপাতের কারণে গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই রবি প্রামাণিকের মৃত্যু ঘটে।

এই আকস্মিক ঘটনায় খোঁকড়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের মতে, রবি প্রামাণিক ছিলেন শান্ত স্বভাবের ও সবার প্রিয় একজন মানুষ।

রবি প্রামাণিকের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%