ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বাড়িয়ে দেবে : সাইফুল হক


বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বাড়িয়ে দেবে : সাইফুল হক

বাজেটের আগে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তকে তড়িঘড়ি করে নেওয়া একটি স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, আরেক দফা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের কষ্ট আরো বৃদ্ধি পাবে।

বর্তমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরো নির্জীব করে তুলবে।

এই বক্তব্য তিনি বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন। সাইফুল হক আরো বলেন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পাইকারি ও ভোক্তাপর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, যদি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে চুরি, দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা কমানো যায়, তাহলে বর্তমান অবস্থায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন হবে না।

আরও পড়ুন: সংবিধান সংশোধনের বৈঠকে ছাত্র নেতাদের সমালোচনা, গণঅভ্যুত্থানের নেতারা

বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারকে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি প্রদান অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এসব চুরি ও দুর্নীতির জন্য সাধারণ মানুষ কেন শাস্তি পাবে? এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেন। তিনি বলেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে বিইআরসির গণশুনানিকে তিনি লোকদেখানো হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, তাদের কাজ হলো সরকারের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে জায়েজ করা।

বিদ্যুতের দাম কমানোর জন্য সুপারিশ করার উদ্দেশ্যে বিইআরসির বিদ্যমান আইন পরিবর্তনের আহ্বান জানান সাইফুল হক।

তিনি অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন। সাইফুল হক আগামী জাতীয় বাজেটে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দসহ সামগ্রিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের দাবিও জানান।

আরও পড়ুন: যুবদল নেতা সাকের হত্যায় মাগুরা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের অর্থায়নে সিলেটে হবে হাজার শয্যার হাসপাতাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


চীনের অর্থায়নে সিলেটে হবে হাজার শয্যার হাসপাতাল

সিলেটে নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি আধুনিক হাসপাতাল, যা হবে এক হাজার শয্যার। এই হাসপাতালটির নির্মাণে বিনিয়োগ করছে চীন। হাসপাতালটির সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ ও প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে সিলেট সফরে আসেন চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদল।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী চীনা প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৪ আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর, হাইটেক পার্কসহ কয়েকটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের পরে মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে চীন। হাসপাতাল নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও স্থানের নির্ধারণ নিয়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সিলেটের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর ঢাকামুখী হতে হবে না।’

চীনের প্রতিনিধিদলের প্রধান স্টোয়ার্ড চিয়ং জানান, ‘স্থান পরিদর্শন ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা বেশ আশাবাদী। সিলেটের ভৌগোলিক অবস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বিবেচনায় প্রকল্পটি সম্ভাবনাময় বলে মনে হচ্ছে।’

প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

এই পরিদর্শনের সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে হাসপাতাল প্রকল্পের স্থান নির্বাচন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে বৈঠক করেন চীনা বিনিয়োগকারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবি ও চোরাকারবারিদের মধ্যে সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবি ও চোরাকারবারিদের মধ্যে সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে সংঘর্ষের সেই ঘটনা সংঘটিত হয়।

এ সময় একে অপরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে, বিজিবির পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ি ভেঙে বিজিবির ওপর অভিযোগ চাপানোর চেষ্টা করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুরের দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি হলুদ পিকআপে করে একটি চক্র ভারতীয় চোরাইপণ্য নিয়ে আসে। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা টের পেয়ে গাড়িটি আটক করেন।

এ সময় বিজিবির সাথে চোরাকারবারিরা বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে, চোরাকারবারিরা নিজেদের মালামালকে চোরাইপণ্য নয়, বৈধ পণ্য বলে দাবি করে। বিজিবির দাবি হচ্ছে যে এগুলো চোরাই পণ্য।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে গাড়িগুলোর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিজিবির দাবি এই ঘটনায় চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে এবং বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।

শেষে, আটককৃত ভারতীয় পণ্যগুলো ছেড়ে দেয় বিজিবি।

এ বিষয়ে সুলতানপুর ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস.এম এম শরীফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী হলুদ পিকআপটি আটক করে কসবা উপজেলার নয়নপুর বাজারে। এ সময় চোরাকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মব সৃষ্টি করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

ঘটনাস্থলের পরিবেশ জটিল হয়ে পড়লে বিজিবি চোরাই পণ্যবাহী পিকআপটি ছেড়ে দেয়। উক্ত এলাকায় গুলি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গুলি এবং রক্তপাত এড়াতে মালামালগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিজিবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকল্পে দেরি হলে শাস্তি: সব মন্ত্রণালয়ে আসছে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


প্রকল্পে দেরি হলে শাস্তি: সব মন্ত্রণালয়ে আসছে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং ব্যবস্থা

অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ডিজিটাল সংস্কার ও কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানিয়েছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণের জন্য সব মন্ত্রণালয়, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হবে। এর পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে গাফিলতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের ধীরগতির মূল সমস্যা বরাদ্দ নয়, বরং বাস্তবায়ন সক্ষমতা। তার ভাষায়, “বরাদ্দ কোনও সমস্যা নয়। আমাদের সমস্যা হলো- আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারি।”

তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন তদারকি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যর্থতা বা স্থবিরতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন প্রকল্প অনুমোদন নীতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার চারটি মানদণ্ডে প্রকল্প অনুমোদন দেবে। সেগুলো হলো- ব্যয়-সাশ্রয়ীতা, বিনিয়োগের রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাব। এই চার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ প্রকল্প অনুমোদন পাবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

তিনি আরও জানান, পূর্ববর্তী প্রশাসন থেকে পাওয়া প্রায় এক হাজার ৩০০টি প্রকল্প এই মানদণ্ডে পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যেসব প্রকল্প অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, সেগুলো বাতিল করা হবে এবং যেসব প্রকল্পে ইতোমধ্যেই বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেগুলোর উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে পুনর্গঠন করা হবে।

মন্ত্রী দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে আস্থা পুনরুদ্ধারকে সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনেক ব্যাংক বর্তমানে মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নসহ বিভিন্ন কারণে বেসরকারি খাতও চাপের মধ্যে রয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন করপোরেশন-আইএফসি-সহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ব্যাংক পুনঃমূলধনীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ‘জেপি মরগান চেজ’-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানও এই উদ্যোগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমানতকারীরা যখন নিশ্চিত হবেন যে প্রয়োজন হলে তাদের টাকা তুলতে পারবেন, তখনই ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরে আসবে।

তিনি আরও জানান, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুনর্গঠন করা হবে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও বাজেট কৌশল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সংকোচন, বিনিয়োগ হ্রাস এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমে যাওয়ার কারণে এবারের জাতীয় বাজেট প্রস্তুত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

তার দাবি, আগের দুই প্রশাসন থেকে একটি দুর্বল অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া গেছে, যা পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। বাজেটের আকারকে সমর্থন করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে অতিরিক্ত ব্যয় প্রয়োজন। তিনি এই কৌশলকে ‘টিউবওয়েল চালুর আগে পানি ওঠানোর জন্য প্রাইমিং করার’ সঙ্গে তুলনা করেন।

তিনি জানান, আসন্ন অর্থবছরে ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের সহায়তায় ‘ফার্মার্স কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় সম্পর্কে বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশিরা এমনকি স্বল্প আয়ের দেশগুলোর তুলনায় বেশি ব্যয় করেন, যা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা নির্দেশ করে।

এই সমস্যা সমাধানে বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওর মাধ্যমে বড় পরিসরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিকে উৎসাহিত করতে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং অ্যামাজন ও ইবে’র মতো আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রবেশে সহায়তা দেবে।

মন্ত্রী ব্যবসা পরিচালনায় জটিলতা কমানোর জন্য লিসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একটি ‘সিঙ্গেল-পয়েন্ট অনুমোদন ব্যবস্থা’ চালু করা হবে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সব অনুমোদন দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও দফতর সাড়া না দিলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন হিসেবে গণ্য করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই হাত দূর থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, আলোচনায় চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


দুই হাত দূর থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, আলোচনায় চিকিৎসক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর খাবারের চামচে দুই হাত দূর থেকে ফুঁ দেওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওটিতে দেখা যায় কুমেক হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজকে ফুঁ দিতে।

এই ঘটনা ঘটে ২৫ মে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন। তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং চিকিৎসাসেবার মান লক্ষ্য করেন। পাশাপাশি রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে তিনি রান্নাঘরে গিয়ে নিজেই খাবার পরীক্ষা করেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে মন্ত্রী দেখতে পান তরকারি গরম আছে, তখন তিনি চামচে ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করেন। তখন তার পাশে থাকা ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজও দুই হাত দূর থেকে একই চামচে ফুঁ দেন। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়।

জানা গেছে, ডা. রিয়াজ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্রজীবনে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা studentদলের সভাপতি ছিলেন। ৩২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। এরপর ওএসডি হিসেবে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালনের পর তিনি পুনরায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন।

এদিকে এই ঘটনায় ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, "আমি মন্ত্রীর পাশে ছিলাম। তিনি যে খাবারটি পরীক্ষা করার জন্য নিয়েছিলেন, সেটি অনেক গরম ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "মন্ত্রীকে তোষামোদ করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না। আমি শুধু গরম খাবারটি ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।" সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "মানুষ বিষয়টিকে যেভাবে দেখেছে, তা আমি আগে ভাবিনি। আমরা পাশাপাশি থাকলে অনেক সময় হঠাৎ করে কিছু কাজ করে ফেলি, কিন্তু সেগুলো এতটা চিন্তা করে করা হয় না। এখন বুঝতে পারছি, এ ধরনের বিষয়েও মানুষ অনেক গুরুত্ব দেয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সচেতন থাকব।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%