বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১৪ পি.এম
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব কেদারপুর গ্রাম থেকে গাঁজাসহ মো. আলাউদ্দিন খান (৩৭) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি মো. আফসার উদ্দিনের ছেলে এবং কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব কেদারপুর গ্রামের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব কেদারপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনতার বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছে অবৈধ গাঁজা উদ্ধার হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনার আদালত তার বিরুদ্ধে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, ‘মাদকের বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা সর্বদা তৎপর রয়েছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে মাদকাসক্ত সন্তানের নির্যাতনের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনের কাছে মামলা করেন। পরে অভিযোগ পাওয়ার পর প্রশাসনের অভিযান শুরু হয়। অভিযানের ফলে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামক ওই যুবককে আটক করে পুলিশ।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শরিফুলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ১টার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় যে, শরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে প্রায়ই তিনি তার মায়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সুব্রত কুমার রায় জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বুইকারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের সরঞ্জামসহ অভিযুক্তকে আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শেখ সালাউদ্দীন দিপু সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠকে জানান, ‘শরিফুল ইসলাম নামে মাদকাসক্ত এক ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার মা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। শুনানি শেষে ইয়াবা ট্যাবলেট সংরক্ষণ ও পরিবহনের অপরাধে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল অতীত ইতিহাস নন, বরং তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ হয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, বাংলাদেশ সচিবালয়ে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্ম নেন, যারা আমাদের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক জীবন কিংবা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, সামাজিক দর্শন ও আমাদের মনোজগতে প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। কবি নজরুল তেমনই একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কৈশোর থেকে পরিণত বয়স, আমাদের জীবনের সব পর্যায়েই তেঁর প্রভাব অপরিসীম।
কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্রোহী কবি, প্রেমের কবি, বিরহের কবি, তারুণ্যের কবি, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয়, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে তার আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো।
তিনি বলেন, পরাধীনতা, জুলুম, নির্যাতন, শোষণ, অসাম্য, বৈষম্য, কুসংস্কার, তথা যা কিছু অন্যায়, অবিচার ও অসুন্দর, তার বিরুদ্ধে কবির কলম ছিল শাণিত অস্ত্র। বিপ্লব, বিদ্রোহ কিংবা রণ-সঙ্গীত, ইসলামী তাহজীব তমদ্দুন কিংবা ইসলামী মূল্যবোধের গান অথবা ভজন-কীর্তন কিংবা শ্যামা সংগীত, প্রেম, প্রকৃতি কিংবা মানবিক মূল্যবোধ, কৈশোরের আনন্দ কিংবা যৌবনের উন্মাদনা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই নজরুল প্রকাশ ছিল শুদ্ধ।
‘মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রেও কাজী নজরুল ইসলাম অন্যতম প্রধান দিশারি’ এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, সংগ্রাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য তার রচনার মধ্যে মহিমাময় হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে। কবি নজরুলের সৃষ্টিশীলতার মধ্যে আতিথ্য রয়েছে সব কালের, সব মানুষের।
তিনি বলেন, অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজন ফুরানোর নয়।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার কবিতা ও গান যেমন ছিল অনুপ্রেরণার প্রবল উৎস, তেমনি আমাদের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টিশীলতাই হয়ে ওঠে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মূল ভাষা।
তিনি বলেন, শুধু অতীত ইতিহাস নয়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য, এমনকি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নজরুল আমাদের জীবনে প্রাসঙ্গিক। এ কারণেই আমাদের জাতীয় কবির জীবন ও কর্মের সঙ্গে, গণমানুষ বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের সম্পর্ক আরও গভীর ও নিবিড় করার লক্ষ্যে নানা আয়োজনে ‘নজরুল বর্ষ’ শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাগণ, নজরুল গবেষক এবং নজরুল সংগীত শিল্পীগণ যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন, সবাইকে অভিনন্দন।
তিনি অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ে নজরুল গবেষক ও নজরুলপ্রেমীদের প্রাধান্য দেওয়ার ইঙ্গিত করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে যেমন নজরুল গবেষকদের উপস্থিতি মানায় না, তেমনি নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠানেও আমলাদের চেয়ে নজরুল অনুরাগীদের অংশগ্রহণই বেশি কাম্য।
নতুন প্রজন্মের ওপর তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান জটিল বাস্তবতায় আমাদের উদীয়মান প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাতে নজরুলের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি’ কিংবা ‘থাকব নাকো বদ্ধ ঘর’-এর মতো নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন কবিতা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তিনি বলেন, নজরুল আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ। নজরুল কেবল অতীত ইতিহাস নয়, তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও প্রেরণার উৎস।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলেন ‘বাংলাদেশের মন’। তিনি আজীবন সাম্যের গান গেয়েছেন, যেখানে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-খ্রিস্টানের কোনো ভেদাভেদ নেই। বর্তমান সরকারও এমন এক বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ এবং এমনকি প্রতিটি প্রাণীও নিরাপদে থাকবে।
এ সময় সারাদেশে নজরুল বিশেষজ্ঞ ও নজরুল প্রেমীদের নিয়ে গঠিত ‘নজরুল বর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটি’র মাধ্যমে বছরব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন, গবেষণা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক উৎসব, নজরুল সংগীতের আসর, নাট্যোৎসব এবং চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন সফল করার আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে বর্তমান জটিল বৈশ্বিক বাস্তবতায় নতুন প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে কবির নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সাহিত্যকে আলোকবর্তিকা হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিশেষে জাতীয় কবির জীবন, কর্ম, সাহিত্য ও মানবিক চেতনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’ এর বছরব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট ও লোগো উন্মোচন করা হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)।
উল্লেখ্য, সরকার ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কালকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর পাশাপাশি কবির স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলায় নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানাকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ আদালত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এর পর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার প্রসঙ্গে, এর আগে, ২৬ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম এই মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক গত ২৯ জুন দ্বিতীয় দফায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এখন, মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৯ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কিছু সদস্য পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মিরপুর মডেল থানাধীন মিরপুর-১ অ্যাপেক্স ভবন সংলগ্ন বাটা শো-রুমের সামনে পাকা রাস্তার ওপর জমায়েত হয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার উদ্দেশ্যে মিছিল করছিলেন। এর ফলে উপস্থিত জনগণের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের জকিগঞ্জে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন আরেক ভাই| ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে| পরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়| বুধবার (১লা জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রামে এ ঘটনা ঘটে|
নিহত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের ওয়ারিছ আলীর ছেলে| তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন| গ্রেফতারকৃত পারভেজ আহমদ (৩২) একই গ্রামের মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের চাচাতো ভাই|
জকিগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে পারভেজ আহমদ ও আলম আহমদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়| একপর্যায়ে পারভেজ আহমদ ছুরি দিয়ে আলমকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান| পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আলম আহমদকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন|
ঘটনার খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘাতক পারভেজ আহমদকে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের নানাবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে| এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়|
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়| এর জের ধরেই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে| পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করেছে| নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে| এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ