ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটি সচেতন নাগরিকদের সংগ্রহে রাখার মতো দলিল : তথ্যমন্ত্রী


‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটি সচেতন নাগরিকদের সংগ্রহে রাখার মতো দলিল : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সিনিয়র সাংবাদিক মারুফ কামাল খানের ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইটি কেবল একটি সুখপাঠ্য সাহিত্য বা স্মৃতিকথা নয়; বরং এটি রাজনৈতিক কর্মী, সমাজকর্মী এবং সচেতন নাগরিকদের জন্য সংগ্রহে রাখার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

তিনি বলেন, ‘বইটিতে যেমন সাধারণ পাঠক ইতিহাস চিনে হালকা আনন্দের খোরাক পাবেন, তেমনি গভীর ও অনুসন্ধানী পাঠকরাও জ্ঞান লাভ করবেন। রাজনৈতিক সংস্কৃতির আঁকাবাঁকা জটিল পথ অতিক্রম, ক্ষমতার সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক এবং মানুষের বিচিত্র প্রবৃত্তির রূপান্তর বইটিতে অত্যন্ত সাবলীলভাবে ফুটে উঠেছে।’

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সূচিপত্র প্রকাশনী আয়োজিত লেখক মারুফ কামাল খানের ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: দাঁড়িপাল্লার বিজয়ে তৎপর জামায়াতসহ ১১ দল

লেখককে নিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘দেশ, সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে আমাদের ভাবনাগুলো অনেক কাছাকাছি। স্বাধীনতার পর থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত রাজনৈতিক অঙ্গনের বহু ঘটনা, চরিত্র ও পরিস্থিতি এখানে উঠে এসেছে। মহাভারতের মতো মহাকাব্যে যেভাবে চরিত্রগুলোর মাধ্যমে মানব প্রবৃত্তিকে ফুটিয়ে তোলা হয়, লেখক অসচেতন বা সচেতনভাবেই হোকÑএই বইয়ের বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে মানুষের সেই সুকুমার কিংবা বিপরীতমুখী প্রবৃত্তিগুলোকে সামনে এনেছেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে মারুফ কামাল খানের দায়িত্ব পালনকালের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, সেই সময়ে তাদের অফিস কক্ষটি ছিল একটি নির্ভরযোগ্য আড্ডার জায়গা। স্মৃতির ভাণ্ডার থেকেই লেখক একে একে রাজনীতির সদরে ও অন্দরের সত্য ঘটনাগুলোকে নিয়ে এই ইতিহাসনির্ভর বইটি সাজিয়েছেন।

প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সম্মানিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড

গ্রন্থকারের বক্তব্যে ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ’-এর সম্পাদক মারুফ কামাল খান বইটির রচনা ও পটভূমি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সূচিপত্র প্রকাশনীর প্রকাশক ও প্রধান নির্বাহী সাঈদ বারী।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুরির মামলায় জামিন পেলেন অভিনেত্রী রূপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


চুরির মামলায় জামিন পেলেন অভিনেত্রী রূপা

২০২২ সালে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় পকেটমারির অভিযোগে আলোচনায় আসা বাঙালি অভিনেত্রী রূপা দত্ত, এবার মুম্বাইয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে জামিন পেয়েছেন।

মুম্বাইয়ের কোলাবা পুলিশ ৬ আগস্ট তারিখে রূপা দত্তকে গ্রেপ্তার করে। এরপর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর, মুম্বাইয়ের একটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেছে।

জানা যায়, গত ১২ জুলাই ডিম্পল সিঙ্ঘভি নামে এক নারী কোলাবা থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, বাবুলনাথ মন্দির থেকে কোলাবার জনাকীর্ণ এলাকায় যাওয়ার সময় তার পার্স চুরি হয়ে যায়।

অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের হিরে বসানো সোনার ব্রেসলেট, ১০ হাজার টাকা নগদ, ১৫ হাজার টাকা মূল্যের অ্যাপল এয়ারপডস এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি ছিল।

অভিযোগ পাওয়ার পর কোলাবা পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এবং দাবি করে, ওই নারীকে অনুসরণ করতে দেখা গেছে রূপা দত্তকে। ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, অভিনেত্রীর কাছ থেকে চুরি যাওয়া কিছু সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছিল।

তবে মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও আদালত রূপা দত্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনন্দময় শেখার পরিবেশ তৈরিতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


আনন্দময় শেখার পরিবেশ তৈরিতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

চট্টগ্রাম, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : প্রাথমিক শিক্ষায় শুধুমাত্র পাঠ্যবই নির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে খেলাধুলা, আনন্দ ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা, কৌতূহল ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে বিদ্যালয়ে খেলনা, শিক্ষা উপকরণ এবং শিশুবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আজ চট্টগ্রামে পিটিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’-শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকগণের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর গত ১৮০ দিনে যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ‘জিরো আউট অব স্কুল চিলড্রেন’। অর্থাৎ প্রাক-প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির বয়স সীমার কোনও শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ে শিশুদের আকৃষ্ট করা, পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী উলে­খ করেন, একটা বিস্কুট বা এক প্যাকেট দুধ দেওয়ার বিষয়টিকে বাইরে থেকে যতটা সাধারণ মনে হয়, এর পিছনে ততটাই বিস্তৃত পরিকল্পনা ও গবেষণা রয়েছে। পাঁচ থেকে দশ বছর বয়সি শিশুদের দৈনিক ও সাপ্তাহিক পুষ্টির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

পাইলট কর্মসূচি থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে আগামী জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির তদারকি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা মাঠে যে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করছেন, সেগুলো আমাদের জানান। কেন্দ্র থেকে বসে শুধু নির্দেশনা দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য নয়, বাস্তবে আপনারা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, কীভাবে এর সমাধান করা যায় এবং কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত আমরা জানতে চাই।

বিদ্যমান সমস্যা ও কর্মসূচিতে অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

একই সঙ্গে বাস্তব সমস্যাকে চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে এবং কোনো ঘটনার প্রকৃত কারণ যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকেও সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন, জবাবদিহি নিশ্চিত করা, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর শিক্ষার পরিবশেসৃষ্টির উদ্যোগ একই লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক, চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুম্বাই হামলা মামলায় হাফিজ সাইদসহ ৬ সন্ত্রাসীর বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


মুম্বাই হামলা মামলায় হাফিজ সাইদসহ ৬ সন্ত্রাসীর বিচার শুরু

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে আক্রমণ ঘটেছিল। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার ১০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ে প্রবেশ করে এবং একযোগে নানা জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও গ্রেনেড ব্যবহার করে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

এসব হামলায় ১৬৬ জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়। ১৮ বছর পর, হামলায় জড়িত পলাতক ছয় পাকিস্তানি আসামির বিরুদ্ধে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজ সাইদ এই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ আল-কায়েদা এবং তালেবানের সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে লস্কর-ই-তৈয়বাকে নিষিদ্ধ করে।

২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাইদকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকাম জানিয়েছেন, প্রধান পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন: হাফিজ মুহাম্মদ সাইদ, জাকি-উর-রহমান লাখভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আসিম ওরফে আবু কাহাফা এবং মেজর আবদুর রহমান পাশার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। মুম্বাই পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫৬ ধারার অধীনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকামের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।

প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকাম নিশ্চিত করেছেন যে, একটি বিচারিক আদালত ইতিমধ্যে ছয় পলাতক আসামির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করেছে। এই হুলিয়া সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর, ছয় সন্দেহভাজনের অনুপস্থিতিতে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ‘অনুপস্থিতি’ বিচারের মাধ্যমে যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে আসামিদের যখনই ভারতে আনা হবে, তখনই তারা তাৎক্ষণিক সাজা ও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

এর আগে জুলাই মাসে, পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলা মামলায় হাফিজ সাইদের বিরুদ্ধে জম্মুর একটি আদালত অনাদায়ী পরোয়ানা জারি করেছিল। জাতীয় তদন্ত সংস্থা একটি সম্পূরক চার্জশিটে তাকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করার পর এই পরোয়ানা জারি করা হয়। তদন্তের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, সামরিক সুরক্ষায় পাকিস্তান থেকে কার্যক্রম চালানো সাইদের বিচার তার অনুপস্থিতিতেই করা হবে।

২৬/১১-এর ঘটনায় মুম্বাইয়ে চারদিনে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাস, তাজমহল প্যালেস হোটেল, ওবেরয় ট্রাইডেন্ট হোটেল, লিওপোল্ড ক্যাফে, নরিমান হাউস এবং কামা হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছিল। হামলাকারী ১০ সন্ত্রাসীর মধ্যে ৯ জনই ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়। একমাত্র আজমল কাসভ নামের এক সন্ত্রাসীকে জীবিত গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর পুনের ইয়েরওয়াড়া জেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কাসভের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির ইতিহাস বিভাগে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


জবির ইতিহাস বিভাগে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগে আউটকাম বেইজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ক্লাস ডিজাইন অ্যান্ড ইভালুয়েশন স্ট্র্যাটেজি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এই কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের মধ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইনস্টিটিউট ও বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা অত্যাবশ্যক। এ ক্ষেত্রে ইতিহাস বিভাগ যেভাবে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুবই গর্বের বিষয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইতিহাস বিভাগ শুধুমাত্র কারিকুলাম প্রণয়ন করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করেনি, বরং কার্যকর মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও একটি ধাপ এগিয়ে গেছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষণ ফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মশালাটি দুটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাউসার ‘ওবিই ইন প্র্যাকটিস : ডিজাইনিং ক্লাসরুম টিচিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন ফর ইফেক্টিভ অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

তিনি ওবিই-এর মূলনীতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিকল্পনা, শিক্ষণ ফলভিত্তিক মূল্যায়ন এবং কার্যকর অ্যাসেসমেন্ট কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ‘সিএলও বেইজড কোয়েশ্চেন সেটিং : আ হ্যান্ডস-অন অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য দেন।

কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কর্মশালা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুর্শিদা বিনতে রহমান। ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শহীদ কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

কর্মশালায় ইতিহাসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%