ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

আলফাডাঙ্গায় কবরস্থানের পাশে জীবনের ঠিকানা খুঁজছেন নদীভাঙনের শিকাররা


আলফাডাঙ্গায় কবরস্থানের পাশে জীবনের ঠিকানা খুঁজছেন নদীভাঙনের শিকাররা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ নদীভাঙনে টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া গ্রামের আশ্রয় প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামের অধিকাংশ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। একসময় এসব আশ্রয় প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামে প্রায় ৪৩০টি পরিবার বসবাস করলেও বর্তমানে গুচ্ছগ্রামে মাত্র ১০টি এবং আশ্রয় প্রকল্পে একটি ঘর টিকে আছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

নদীভাঙন রোধ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে চাপুলিয়া গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয় প্রকল্পসংলগ্ন নদীর পাড়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাপুলিয়া ও শিকিপাড়া গ্রামের তরুণদের উদ্যোগে এলাকাবাসী এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লোকজন বিভিন্ন দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে নদীভাঙন ও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার পরও কি জাগবে প্রশাসন? বরিশালে প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম

স্থানীয়রা জানান, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত আশ্রয় প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৪৩০টি পরিবার বসবাস করত। কিন্তু মধুমতি নদীর ভাঙনে একে একে ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে অবশিষ্ট ১১টি ঘরও চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

শিকিপাড়া ও চাপুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, আলফাডাঙ্গা থানা শাখার সভাপতি মাওলানা শরীফুল ইসলাম, আকিব আহমেদ, মাহমুদ হোসেন, নিয়ামুল মোল্যা ও তাইফুর রহমানসহ একাধিক যুবক বলেন, ৪৩০টি পরিবার যেখানে দীর্ঘদিন বসবাস করেছে, সেখানে এখন হাতে গোনা কয়েকটি ঘর অবশিষ্ট রয়েছে। নদীভাঙনে মানুষ ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন আরও তীব্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগী আরিফুল মোল্লা (৪৫), বিলু মোল্যা (৩৮), আজগার হোসেন (৪৫) ও লিয়াকত আলী (৭০) সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ২৫-৩০ বছর ধরে তারা এই এলাকায় বসবাস করছেন। এখানেই তাদের জীবন কেটেছে, সন্তানদের বড় করেছেন। কিন্তু নদীভাঙনে একে একে ঘরবাড়ি, বসতভিটা, জমিজমা ও শেষ সম্বলটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন তাদের মাথা গোঁজার মতো কোনো জায়গা নেই। খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। জীবিত মানুষ হয়েও এখন কবরস্থানের পাশে আশ্রয় নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কতিপয় অসাধু বালু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। তাদের দাবি, বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও তীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে ভাঙন বাড়ছে।

আরও পড়ুন: পাবনায় সাঁথিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, উপভোগ করলেন লক্ষাধিক মানুষ

টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান বলেন, নদীভাঙনে চাপুলিয়ার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। আশ্রয় প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামের অধিকাংশ ঘর বিলীন হয়ে গেছে। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন প্রয়োজন। অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফরিদপুরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মজিবর রহমান বলেন, চাপুলিয়া এলাকায় নদীভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদীতীর রক্ষায় সম্ভাব্য কারিগরি ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহাগড়ায় সমাজসেবামূলক প্লাটফর্ম আমাদা-লক্ষীপাশা জাগরণী সংঘের আত্মপ্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


লোহাগড়ায় সমাজসেবামূলক প্লাটফর্ম আমাদা-লক্ষীপাশা জাগরণী সংঘের আত্মপ্রকাশ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা সদরের লক্ষীপাশা এলাকায় আত্মপ্রকাশ হলো সমাজসেবামূলক প্লাটফর্ম ‘আমাদা-লক্ষীপাশা জাগরণী সংঘ’। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ সংঘের আত্মপ্রকাশ হয়। এখানকার সদস্যরা হলেন-লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আমাদা গ্রামের সন্তানরা। যারা বর্তমানে লক্ষীপাশায় বসবাস করছেন।

এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন-অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য বদরুল ইসলাম।
 
এ সময় বক্তব্য রাখেন, লোহাগড়া লক্ষীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলাম, আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক খান হাবিবুর রহমান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ তসলিমুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক কায়সার উদ্দিন খান হারুন, প্রধান শিক্ষক এসএম আজাদ হোসেন, শিক্ষক কে এম রবিউল ইসলাম এবং কে এম নজিবার রহমান।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন-কে এম মিরাজুল ইসলাম, কে এম জাহিদুল ইসলাম, কে এম সিরাজুল ইসলাম, শাহিন তালুকদার, জিয়া সরদার, দেলোয়ার হোসেন খান, তারিকুল ইসলাম ছবি, মনিরুজ্জামান কাঞ্চন, শফিউর রহমান, হিরু মন্ডলসহ অনেকে।  

বক্তারা বলেন, সমাজসেবামূলক প্লাটফর্ম আমাদা-লক্ষীপাশা জাগরণী সংঘের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো-একে অপরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা, বিপদে-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং সমাজসেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করা।

এদিকে, সংগঠনের উপদেষ্টা এবং আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। এর মধ্যে উপদেষ্টা হলেন- আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোলাম মোর্তজা খান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য বদরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক খান হাবিবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক মধু মঙ্গল বিশ্বাস এবং লায়েক হোসেন মৃধা।

এছাড়া সংগঠনের আহবায়ক হলেন-অবসরপ্রাপ্ত প্রধান  শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলাম ও সদস্য সচিব স্কুল শিক্ষক কে এম রবিউল ইসলাম। সদস্য আছেন-তসলিমুজ্জামান, তারিকুল ইসলাম ছবি, কে এম নজিবর রহমান, জিয়াউর রহমান ও শাহিন তালুকদার।

আহবায়ক কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পরবর্তী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান প্রাদুর্ভাব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’। আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিশেষ জাতীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এর আগে, গত বুধবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিবৃতিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং এই বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময়কে ডেঙ্গু বিস্তারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। যথাযথ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে আগামী তিন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বাস্তবতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ বৈঠক করেন এবং সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন।

সংসদে দেওয়া ওই বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ ছাড়া দেশের অন্য পাঁচ বিভাগ—যথা ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ডেঙ্গু সংক্রমণ ও এডিস মশার প্রজনন সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৪৫ হাজারের অধিক ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ।

এই ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর না করে, প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ এবং চারপাশের অঙ্গিনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত কিট, স্যালাইন এবং বিশেষ মশারি নিশ্চিত করার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই সংক্রমণ বিস্তার লাভ করতে না পারে।

আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউট, রোভার স্কাউট এবং বিএনসিসির মতো বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরুণ কর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা তিন মাসব্যাপী এই সামাজিক আন্দোলন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে দেশজুড়ে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে উঠবে বলে জোরালো প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নন্দীগ্রামে চেয়ারম্যান পদে আবারো আলোচনায় আবুল কালাম আজাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


নন্দীগ্রামে চেয়ারম্যান পদে আবারো আলোচনায় আবুল কালাম আজাদ
 
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৫নং ভাটগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো আলোচনায় রয়েছে টানা দুই বারের নির্বাচিত জন-নন্দিত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। এবার নির্বাচিত হলে তিনি হ্যাট্রিক করবেন। 
 
সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্যমতে, উন্নত স্বাস্থ্য সেবা, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, জন-নিরাপত্তা, হয়রানীমুক্ত সেবা প্রদান সহ সার্বিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কাজ করছে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। তার দায়িত্বকালে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ইউনিয়নে সর্বাধিক রাস্তার কাজ হয়েছে এবং চলমান ও পরিকল্পনাধীন রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সরকারি সকল অনুদান সততার সাথে (কোন দালাল বা ঘুষ বানিজ্য ছাড়ায়) সঠিক উপকার ভোগীদের মাঝে পৌঁছেছে। বিগত দিনে অনেকেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন তবে কেউ জরাজীর্ণ পরিষদ ভবন নিয়ে ভাবেনি, অথচ একমাত্র চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ নিজের জমি দান পূর্বক সেই জমিতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মান করে জনগনের জন্য বিশাল অবদান রেখেছে। যেমন অবদান রেখে গেছেন তার মরহুম পিতা নশরতুল্ল্যা প্রামানিক চেয়ারম্যান অত্র ইউনিয়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মানের মাধ্যমে। 
 
ইউনিয়ন বাসী জানান, ইউনিয়ন বাসীর জন্য মরহুম নশরতুল্ল্যা প্রামানিক চেয়ারম্যান যা করে গেছেন তা কখনো ভুলবার নয়। তেমনি তার সুযোগ্য সন্তান আবুল কালাম আজাদ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তার বাবার মত ইউনিয়ন বাসীর জীবন মান উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে। এখন আর পরিষদে হয়রানীর শিকার হতে হয়না। দালালদের দৌরাত্ব নেই। কেউ চেয়ারম্যানের লোক বলে নির্যাতন কিংবা ভয়ভীতি দেখায় না। যে কোন বিপদ আপদে সরাসরি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে পারি কথা বলতে পারি এবং সঠিক সমাধান পাই। সুতরাং আমরা অনেক ভালো আছি। আগামীতেও আমরা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবো ইনশা-আল্লাহ। এভাবেই পাড়া-মহল্লা কিংবা চায়ের দোকানে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো আলোচনায় বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।
 
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৪ পি.এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবর্তন আনতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে দেশ গঠন করতে চাইলে কোনো বাধাই তা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আগামী তিন মাস ডেঙ্গু সমস্যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। শতভাগ সমাধান সম্ভব না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

তিনি বলেন, নিজেকে সুস্থ রাখি, সমাজকে সুস্থ রাখি। প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা করে পরিচ্ছন্নতার জন্য সময় দিলে অবশ্যই পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে পরিবর্তন সম্ভব। এবার রাষ্ট্রকে পরিবর্তন করি।
 

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে করমর্দন করেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%