শিবচর(মাদারীপুর) প্রতিনিধি মোঃআসাদুজ্জামান
০৮:০৩ পি.এম
মাদারীপুর শিবচরে চশ্যামাইল নদীর পাড় বাজারের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা ও ময়লা আবর্জনা জমে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।
স্থানীয়রা বলছেন শিবচরের চরশ্যামাইলের এই নদীর পাড়ের বাজারটি বহু বছর ধরেই জাক জমক ভাবেই মিলে আসছে এই বাজারে কাঁচা সবজি থেকে শুরু করে মাছ গোছ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সবই পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা আরো বলেন বিগত সরকারের আমলে রাস্তা মেরামত এর কাজ শেষ করলেও করতে পারেনি রাস্তার দু ধারে ড্রেনের কাজ
আর তখন থেকে শুরু হয় ভোগান্তি।
বাজারে সকল পানি এবং ময়লা আবর্জনা জমে থাকে রাস্তার
দুই পাড়েই এমনকি কখনো বৃষ্টির প্রচন্ডতা বেড়ে গেলে বাজারের ময়লা আবর্জনাও ঢুকে যায় দোকানের ভিতরে যার ফলে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তেহয় ক্রেতা বিক্রেতাদের
নতুন সরকারের কাছে স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন রাস্তার দু'ধারে ড্রেনের ব্যবস্থা করলেই এই ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পাবেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ৭ আগস্ট, ২০২৬৯ : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, সরকার দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
দেশের প্রতি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড নিশ্চিতকরণ, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, এইচপিভি টিকাদান এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ‘ওপেন এসআরপি’ কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে বরিশালে একটি মাল্টি-সেক্টোরাল অ্যাডভোকেসি সভা শুক্রবার সকাল ১০টায় নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড পার্কের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এই অধিকারের বাস্তবায়নের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যক নাগরিকের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে এবং দেশের যেকোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা প্রদান সহজ হবে।
প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শুধুমাত্র চিকিৎসা কেন্দ্রিক না রেখে ধাপে ধাপে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্দেশ্যে কাজ করছে। কারণ, রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা দেয়ার চেয়ে বেশি কার্যকর ও সাশ্রয়ী। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দায়িত্বশীল, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও প্রোঅ্যাকটিভ ভূমিকা পালন করেন, তা হলে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এর জন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কার্যকর তদারকি এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি অধিকারে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোতে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব জনবল ও প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি পরিবারে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা, টিকাদান, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। জনগণ অচিরেই এর কার্যকর সুফল দেখতে পাবে।
অ্যাডভোকেসি সভায় বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দারের সভাপতিত্বে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং বাংলাদেশ ইউনিসেফ এর হেলথ ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন।
এছাড়াও বরিশাল বিভাগের সকল সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রীদের মাসিক বেতন ১০ লাখ টাকা এবং সংসদ সদস্যদের ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
উল্লেখ্য, তিনি শুক্রবার (৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
নুরুল হক নুর বলেন, এখন একজন সংসদ সদস্য মূল বেতন ও বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা বেতন পান। কিন্তু নির্বাচনী এলাকায় চিকিৎসা, শিক্ষা, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহায়তা করতে গিয়ে অনেক জনপ্রতিনিধি অতিরিক্ত আর্থিক চাপের সম্মুখীন হন। বর্তমান বেতন কাঠামো বাস্তবতার তুলনায় অপ্রতুল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, যেসব জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত সম্পদ নেই, তাদের জন্য এই বেতনে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই দুর্নীতি প্রতিরোধে সম্মানজনক ও বাস্তবসম্মত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন লক্ষ্য করা হচ্ছে।
এমপিদের জন্য সরকারি গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবও তিনি দিয়েছেন। নুর বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় একজন সংসদ সদস্যকে একটি সরকারি গাড়ি প্রদান করা যেতে পারে এবং মেয়াদ শেষে সেই গাড়িটি সরকারি পরিবহন পুলে ফেরত নেওয়া হবে।
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব দেশে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন কাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়েছে।
অনুষ্ঠানে তিনি নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন এবং প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে শিগগির ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই কার্ডধারীরা مختلف সরকারি সেবা গ্রহণে অগ্রাধিকার পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে অক্ষম একটি অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারের শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম সিআইপি। তিনি শিশুটির চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেছেন এবং একইসাথে তিনি ভবিষ্যতে পরিবারের পাশে থাকার পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে ফখরুল ইসলাম সিআইপির নজরে আসে যে, অর্থের সংকটে এক দম্পতি তাদের অসুস্থ শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছে না। বিষয়টি জানার পরপরই তিনি কোনও কালবিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে বারইয়ারহাট পৌরসভার শেফা ইনসাফ হাসপাতালে সরেজমিনে উপস্থিত হন।
হাসপাতালে গিয়েই তিনি শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নগদ ১৮ হাজার টাকা জমা দেন। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেন, শিশুটির সুচিকিৎসার জন্য যা যা প্রয়োজন, তিনি ও তার পরিবার সেই দায়িত্ব বহন করবেন।
ফখরুল ইসলাম সিআইপির মানবিক পদক্ষেপে শিশুটির স্বজন ও উপস্থিত স্থানীয়রা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার এই তাৎক্ষণিক সহায়তা পুরো এলাকার মধ্যে প্রশংসিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরে দিন দিন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট ও বিশৃঙ্খলা।
বিশেষ করে সকাল, দুপুর ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাজার এলাকার যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ হলো, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত অটোরিকশা চলাচল, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডের অভাব, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা এবং ট্রাফিক নিয়ম না মানার কারণে প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
শহরের আনারস চত্বর, বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাজার, হাসপাতাল মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ সমস্যা সবচেয়ে প্রকট।
ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘ যানজটের কারণে অনেক সময় ক্রেতারা বাজারে আসতে অনীহা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও রোগীবাহী যানবাহনও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় ভোগান্তি বাড়ছে।
পথচারীদের অভিযোগ হলো, ফুটপাত না থাকায় অটোরিকশার ভিড়ের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক চালক ট্রাফিক আইন অমান্য করে উল্টো পথে চলাচল ও সড়কের মাঝখানে যাত্রী ওঠানামা করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, অটোরিকশা চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রুট ও স্ট্যান্ড নির্ধারণ, যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে এ সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি হলো, পরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে মধুপুর শহরের যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ