ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১


মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জে ঘটনার একটি দুর্ঘটনায় দুটি শিক্ষার্থী ও একজন নারীসহ অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হন।

আক্রান্তদের মধ্যে একজন নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। অন্যদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে সাড়ে ১১ টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর থানাধীন গোলড়া চরখড এলাকায় আকিজ স্কুলের সামনে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

হাইওয়ে পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকাগামী একটি ট্রাক স্কুলের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ করে ট্রাকটির একটি চাকা বিকট শব্দে ফেটে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে পথচারীদের ওপর উঠে যায়। এসময় রাস্তা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করা অজ্ঞাত পরিচয় দুটি শিক্ষার্থী ও একজন নারী গুরুতরভাবে আহত হন। ট্রাকের আঘাতে গাড়ির চালকের সহকারীসহ (হেলপার) আরও দুই জন সাধারণ যাত্রীও আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে ডিসি গোল্ড কাপ ২০২৬ ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে,

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিক্ষার্থী ও দুই হেলপার চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে আহত অপর একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। এদিকে দুর্ঘটনার পর পুলিশ ট্রাকের চালক বিল্লাল হোসেনকে আটক করেছে। একই সাথে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মাতুব্বর জানান, চালককে আটক করা হয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। এই ঘটনায় গোলড়া হাইওয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


ফরিদপুরে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর ‘জুন ক্লোজিং ২৬’ উপলক্ষ্যে উন্নয়ন কর্মী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে এক বিশেষ প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি
এর ফরিদপুর সার্ভিস সেল কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানে জুন ক্লোজিংএর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের ডিএমডি (ইনচার্জ উন্নয়ন প্রশাসন) ও বীমা ব্যক্তিত্ব রফিকুল ইসলাম নান্নু।
ফরিদপুর অঞ্চলের জিএম (উন্নয়ন) তাসলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিএম (উন্নয়ন) মোঃ এনামুল হক রুবেল ও এজিএম (উন্নয়ন) আসমা আক্তার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আকরাম হোসেন ও ওবায়দুর রহমানসহ স্থানীয় কর্মকর্তা ও উন্নয়ন কর্মীবৃন্দ।

সভায় বক্তারা জীবন বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বীমা খাতের ভূমিকা অপরিসীম। গ্রাহক সেবার মান বাড়াতে এবং আধুনিক বীমা সেবাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিতে কর্মীদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রশিক্ষণ পর্বে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা ও বীমা বিপণন কৌশল বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ সেশন পরিচালনা করা হয়। সভা শেষে উপস্থিত কর্মকর্তারা জুন ক্লোজিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আলোচনা সভায় রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল

‘সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


‘সভ্য ও উন্নত সমাজের পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা’

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, একটি সভ্য, অমানবিকতামুক্ত এবং উন্নত সমাজের প্রধান পূর্বশর্ত হলো নারী ও শিশুর নিরাপত্তা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, নারী ও শিশুরা কেবল একটি পরিবারের সদস্য নয়, বরং তারা রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো জানান, সমপ্রতি রামিসার মতো শিশুদের ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা পুরো সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে, যা নৈতিকতার ভিত্তিকে নাড়িয়ে দেয়। এমনকি খোদ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও অনেক ক্ষেত্রে নিজ নিজ সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বিচার চাওয়ার বিষয়ে অনীহা বা শঙ্কা একটি এলার্মিং পরিস্থিতি তৈরি করছে, যদিও সরকার এক মাসেরও কম সময়ে বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

ডিসি কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে অনেক কঠোর আইন রয়েছে, যেমন পাচার বিরোধী আইন এবং অ্যাসিড নিক্ষেপ বিরোধী আইন। তবে তিনি জানান, কেবল রাষ্ট্রের পক্ষে বা এককভাবে আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যার সঠিক সমাধান সম্ভব নয়। তিনি মন্তব্য করেন, অ্যাসিড নিক্ষেপ প্রতিরোধের আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এই অপরাধটি সমাজ থেকে প্রায় নির্মূল হয়েছে। একইভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের শুধু আইনের আওতায় আনলেই হবে না, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা এবং ঘৃণিত অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

এ সময় অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, বর্তমানে যৌথ পরিবারের সংখ্যা কমে গিয়ে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বা একক পরিবারের আধিক্য বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শিশুদের মনিটরিং কিংবা সঠিক নির্দেশনার অভাব দেখা দিচ্ছে। এর সঙ্গে মোবাইল প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিজিটাল আসক্তি এবং মাদকের বিস্তার এই সামাজিক সমস্যাটিকে আরও ঘনীভূত করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক সম্মানের ভয়ে অনেক সময় নির্যাতনের ঘটনা চেপে রাখা হয়, যা অপরাধীকে পার পাওয়ার সুযোগ দেয়। তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহ. আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক ইসরাত জাহান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে শেষ হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১, নাম্বার সাবেক, কাউন্সিলরের, অহিদুল ইসলাম,ছকুর টেন্ডার বাজিতে দুর্নীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান,নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধ,

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


১১, নাম্বার সাবেক, কাউন্সিলরের, অহিদুল ইসলাম,ছকুর টেন্ডার বাজিতে দুর্নীতি

নারায়ণগঞ্জ জেলার, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের, সাবেক কাউন্সিলর, মোঃ অহিদুল ইসলাম ছকুর টেন্ডার বাজিতে দুর্নীতি উঠে এসেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডারে,
ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তাহার সালোক নাহিদ শালাকে নাসিকের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন,
নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশনের সদ্য প্রকাশিত ৮০টি কাজের সব কটিতেই দরপত্র টেন্ডার জমা দিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর অহিদুল ইসলাম ছকু ,

তবে এই মেগা টেন্ডারবাজি নেপথ্যে কাজ করেছে, তার শাল ক নাহিদ, নাহিদ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, আমি কোন নিজে টেন্ডার ড্রপ করিনি, আমার দুলাভাই অহিদুল ইসলাম ছক্কু আমার লাইসেন্স দিয়ে টেন্ডার ড্রপ করেছে।

 

শ্যালক নাসিকের সচিব, ৮০ কাজের সব টেন্ডার ড্রপ করলেন বিএনপি দলীয় সাবেক কাউন্সিলর ছক্কু,

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সদ্য প্রকাশিত মেগা অবকাঠামো উন্নয়নের ৮০টি কাজের সবকটিতেই দরপত্র (টেন্ডার) জমা দিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন ১১ নং ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা অহিদুল ইসলাম ছক্কু।

তবে এই মেগা টেন্ডারবাজির নেপথ্যে কাজ করছে এক অভিনব পারিবারিক জালিয়াতি ও প্রতারণা। নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে শ্যালককে চাকরি দিয়েছিলেন, এখন সেই শ্যালক তথা ১১ নং ওয়ার্ড সচিব নাহিদের লাইসেন্স ব্যবহার করেই এই মেগা সিন্ডিকেট গড়েছেন ছক্কু।

শ্যালক নাহিদের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি— "আমি নিজে কোনো টেন্ডার ড্রপ করিনি, কাউন্সিলর সাহেব (দুলাভাই ছক্কু) আমার লাইসেন্স দিয়ে ড্রপ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বেড়ে ১৪৪ মেগাওয়াট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বেড়ে ১৪৪ মেগাওয়াট

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিট একযোগে চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পাঁচটি ইউনিট চালুর মাধ্যমে বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কপাবিকের ব্যবস্থাপক (প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান। তিনি জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় পানিনির্ভর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবগুলো উৎপাদন ইউনিট চালু করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটিতে ৩২ মেগাওয়াট করে মোট ৬৪ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটিতে ২৫ মেগাওয়াট করে মোট ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে পাঁচটি ইউনিট থেকে ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মোট স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট।

কেন্দ্রটির কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর ছিল ৭৯ দশমিক ৮৬ ফুট মীন সি লেভেল (এমএসএল)। একই সময়ে রুল কার্ভ অনুযায়ী পানির স্তর থাকার কথা ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট এমএসএল।

কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত প্রকৌশলীরা জানান, হ্রদে পানির স্বল্পতার কারণে গত কয়েক মাস ধরে কখনও একটি, আবার কখনও দুটি ইউনিট চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছিল। পানির স্তর বাড়তে শুরু করলে সোমবার তিনটি ইউনিট চালু করা হয়। মঙ্গলবার সকালে চারটি ইউনিট চালুর পর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পাঁচটি ইউনিট একযোগে চালু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রই দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস কাপ্তাই হ্রদের সংরক্ষিত পানি। হ্রদটির পানির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৮ ফুট মীন সি লেভেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%