১০:৪৮ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা জানিয়েছে, ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল মহাশূন্যে নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো মহাকাশ অনুসন্ধান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি করা এবং দেখানো যে, পৃথিবীর বাইরে পরিচালিত গবেষণা কীভাবে ফুটবলকেও প্রভাবিত করতে পারে।
নাসা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির বক্তব্য হলো, মহাকাশবিজ্ঞান ফুটবল ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের পথ তৈরি করে, সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা।
এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করে নাসা লিখেছে, ‘আমরা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার জন্য কাজ করছি, যাতে তারা দেখতে পারে মহাকাশ অনুসন্ধান কিভাবে ক্রীড়াবিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন জীবনের উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে।’
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
এই কার্যক্রমটি ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে ফিফা ফ্যান ফেস্টিভালে নাসার একটি প্রদর্শনী চলছে। এই প্রদর্শনীর মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) পরিচালিত গবেষণা এবং আরটেমিস প্রোগ্রামের মিশনগুলো জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। আর্টেমিস কর্মসূচির লক্ষ্য হলো মহাকাশচারীদের আবারও চাঁদে পাঠানো।
নাসা ও ফুটবলের সম্পর্ক শুধুমাত্র প্রদর্শনী বা প্রচারণামূলক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পরিচালিত গবেষণা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে অবদান রেখেছে, যার মধ্যে ফুটবলের বায়ুগতিবিদ্যা সম্পর্কিত জ্ঞানও অন্তর্ভুক্ত।
২০১৯ সালে, গবেষকেরা আইএসএসের মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশে পরীক্ষা করেন, বলের অভ্যন্তরে ভরের বণ্টন তার গতি, স্থিতিশীলতা এবং ঘূর্ণনকে কীভাবে প্রভাবিত করে। এই গবেষণার ফলাফল বলের মধ্যে স্থাপিত ইলেকট্রনিক সেন্সরের মতো প্রযুক্তিগুলো ম্যাচের সময় বলের পারফরম্যান্সে কেমন প্রভাব ফেলে, তা আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন