ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘টাইগার লাইটনিং’ মহড়া শেষ


‘টাইগার লাইটনিং’ মহড়া শেষ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের যৌথ অংশগ্রহণে পরিচালিত মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৬’ শেষ হয়েছে।

মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান বুধবার (২৯ জুলাই) সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ হুমায়ুন কবীর।

আরও পড়ুন: খাদ্যমন্ত্রী: লালন সাঁইয়ের দর্শনে মানবতা ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান

এই মহড়াটি গত ১৯ জুলাই শুরু হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক ও ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের যৌথ অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ রয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমবেতভাবে কাজ করছে।

এই লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রস্তুতি জোরদার করতে মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৬’ পরিচালনা করা হয়েছে।

এই অনুশীলনে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক ও ওরেগন ন্যাশনাল গার্ডের ৮৮ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও বিভিন্ন ফরমেশনের বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞসহ ৯২ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর

সমাপনী অনুষ্ঠানে মহড়ায় অংশ নেওয়া সকল সদস্যকে অনুশীলন সফলভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ সার্টিফিকেট এবং স্মারক হিসেবে প্রত্যেককে ইনসিগনিয়া প্রদান করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, সেনাসদর এবং সিলেট অঞ্চলসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই অনুশীলন অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আরও পড়ুন: মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় মুসলিম উম্মাহর সংহতি জরুরি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে শত শত হিজড়ার বিক্ষোভ মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


পাকিস্তানে শত শত হিজড়ার বিক্ষোভ মিছিল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে দেশে জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং এর ফলে দেখা দেওয়া চরম অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর করাচিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ওই দেশের শত শত রূপান্তরকামী এবং তাদের সমর্থক। তারা জানিয়েছেন, অনগ্রসর ও চরম আর্থিক ঝুঁকিতে থাকা এই জনগণের ওপর মূল্যস্ফীতি মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাকিস্তানে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী আইনি সুরক্ষা পেলেও সামাজিক ও পারিবারিক বৈষম্য এবং অবহেলা আজও কাটেনি। তাঁরা জানিয়েছেন, এমন সামাজিক বঞ্চনার কারণে তারা প্রায়ই চরম অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হন এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য অনেকেই ভিক্ষা করার মতো পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংকটে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী দেশের ভূমিকা পালন করছে। তবে, টানা কয়েক মাসের যুদ্ধ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনে বাধার কারণে পাকিস্তানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে, যা দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি আরও গভীর সংকটে ঠেলে দিয়েছে।

করাচি শহরে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান সহ প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এসব প্ল্যাকার্ডে “জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, থালা আমাদের খালি” সহ নানা অন্যান্য দাবির স্লোগান লেখা ছিল। তারা অবিলম্বে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি থেকে মুক্তি এবং নিজেদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থান দাবি করেন।

আইএমএফ থেকে প্রাপ্ত পাকিস্তানের বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তার দিকে ইঙ্গিত করে একজন প্রতিবাদকারীর প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “আমরা রাজপথে ভিক্ষা করি, আর তোমরা ভিক্ষা করো আইএমএফের কাছে।”

বিক্ষোভের আয়োজকরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাসা ভাড়া, জ্বালানি এবং দৈনন্দিন খাদ্যপণ্য খরচে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। এর ফলে, স্বল্প বাজেটে তাদের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তারা সরকারের কাছে অনগ্রসর এই জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের পরিসংখ্যান সংস্থা জানিয়েছে, গত জুন মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী রূপান্তরকামী মানবাধিকারকর্মী শাহজাদী রাই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খাজা সিরা সম্প্রদায়ের অনেকেই কাজ জোগাড় করতে চরম হিমশিম খাচ্ছেন, যা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ধাক্কাকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানে যেখানে সাধারণ মানুষের জন্য টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন, সেখানে রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের জন্য পরিস্থিতি সত্যিই অতিমাত্রায় ভয়ানক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার অনলাইন প্রতারণার হোতাদের মৃত্যুদণ্ড দেবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


মিয়ানমার অনলাইন প্রতারণার হোতাদের মৃত্যুদণ্ড দেবে

মিয়ানমারে অনলাইন প্রতারণা বা সাইবার স্ক্যাম সেন্টারে মানুষের অপহরণ, আটকে রাখা অথবা নির্যাতনের মাধ্যমে কাজে বাধ্য করার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে একটি নতুন আইন পাস করা হয়েছে, যা দেশের সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্টের দ্বারা অনুমোদিত। এই আইনটি দেশটিতে দ্রুত বিস্তৃত হওয়া অনলাইন প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই) যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সংশোধনীর অনুমোদনের পর ‘অ্যান্টি-অনলাইন স্ক্যাম বিল’ পাস হয়। ইউনিয়ন পার্লামেন্টের স্পিকার অং লিন ডুয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্যে আইনটির পাস হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, সাইবার প্রতারণার সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে সহিংসতা, নির্যাতন বা বেআইনি আটকের মাধ্যমে স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করতে বাধ্য করেন, তাহলে তার ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। এছাড়া, এই ধরনের নির্যাতনের ফলে যদি কোনো ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং এই আইনটির খসড়ায় গত মে মাসে অনুমোদন করেন।

কোভিড-১৯ মহামারির পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র দ্রুত বিস্তৃত হয়। মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও লাওস আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হয়ে উঠেছে। এই কেন্দ্রগুলো থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় এবং অনেককে পাচার বা জোরপূর্বক আটকে কাজ করানো হয়।

মিয়ানমারের নতুন সরকারের অধীনে পাস হওয়া এটিই প্রথম আইন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এর মাধ্যমে সামরিক সরকার একদিকে আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে নিজেদের ভূমিকা তুলে ধরতে চাইছে, অপরদিকে অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তবে দেশটির একটি বড় অংশ সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় আইনটির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জুনের শেষ নাগাদ অবৈধভাবে মিয়ানমারে প্রবেশ করা ১৪ হাজার ৭১৮ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছিল। পাশাপাশি শ্বে কোক্কো ও কে কে পার্কসহ গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ জুয়া ও অনলাইন প্রতারণার সাথে যুক্ত ৭৭টি ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি তাদের হয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে স্ক্যাম-সংক্রান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৮৮.৩ বিলিয়ন থেকে ১১৪.১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ছিল। একই বছরে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণায় ভুক্তভোগীরা প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী মেকং অঞ্চল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন প্রতারণা ও অবৈধ অনলাইন জুয়ার কেন্দ্র। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও সতর্ক করেছে যে, এসব সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে আসা এবং পরে রাস্তায় পরিত্যক্ত হওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, যা এখন একটি আন্তর্জাতিক সংকটের রূপ ধারণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গোপন নথিতে চাঞ্চল্যকর দাবি

হুথিদের ঠেকাতে ইয়েমেনে বিভাজন বাড়ানোর পরিকল্পনা সৌদির?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৫ এম


হুথিদের ঠেকাতে ইয়েমেনে বিভাজন বাড়ানোর পরিকল্পনা সৌদির?

ইয়েমেনে হুথি আন্দোলনকে দুর্বল করার জন্য সৌদি আরব দেশটির উত্তরাঞ্চলে শিয়া জায়দি ও সুন্নি সালাফিদের মধ্যে বিভাজন তৈরির একটি পরিকল্পনা করেছিল। কিছু গোপন নথির বরাতে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সালমান বিন আবদুল আজিজ একটি গোপন সরকারি কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল আনসারুল্লাহ বা হুথিদের সঙ্গে উত্তর ইয়েমেনের বৃহত্তর জায়দি শিয়া জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা। একই সঙ্গে, হুথিবিরোধী উপজাতিদের শক্তিশালী করার চেষ্টা করা।

২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ইয়েমেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। ৩৩ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহ ক্ষমতা ছাড়েন। এরপর তার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদ রাব্বু মনসুর হাদি ক্ষমতায় এলেও, রাজনৈতিক বিভক্তি কাটেনি।

এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে, উত্তর ইয়েমেনের সাদা অঞ্চলে হুথি আন্দোলন শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সৌদি আরব উদ্বিগ্ন ছিল, সীমান্তবর্তী এই গোষ্ঠী ভবিষ্যতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমানের পরিকল্পনার দুটি দিক ছিল। প্রথমত, হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত ইয়েমেনি উপজাতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়া। দ্বিতীয়ত, হুথি নেতৃত্বাধীন আনসারুল্লাহ ও সাধারণ জায়দি জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা।

নথিতে উল্লেখ রয়েছে, সংঘাতকে সরাসরি সুন্নি-শিয়া যুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন না করার বিষয়ে সতর্কতাও ছিল। কারণ, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে উত্তর ইয়েমেনের শিয়া জায়দি জনগণের বড় অংশ হুথিদের পাশে দাঁড়াতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বা সামরিক গোষ্ঠী হিসেবে যুক্ত রাখা ছিল এই কৌশলের লক্ষ্য, যাতে তারা পুরো জায়দি সম্প্রদায়ের রক্ষক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে না পারে।

তবে, পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ আট বছরের যুদ্ধে ইয়েমেন ভয়াবহ মানবিক সংকটে পড়েছে।

ড্রপ সাইট নিউজের দাবি, তাদের হাতে থাকা সৌদি গোপন নথিগুলো ইয়েমেন নীতিতে রিয়াদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। তবে সৌদি সরকার এসব নথি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার স্কুলে ইসকনের খাবার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৩ এম


কলকাতার স্কুলে ইসকনের খাবার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মন্তব্য

কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হলেও ছাত্র-ছাত্রীদের খাবারে ডিমও দেওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পহেলা আগস্ট থেকে কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার পরিবেশন করবে ইসকন। সারা দেশে দুপুরের খাবার পরিবেশনের এই ব্যবস্থার নাম ‘মিড-ডে মিল’ হিসেবে পরিচিত।

ইসকন সম্পূর্ণভাবে নিরামিষাশী, ফলে স্কুলের খাবার বিতরণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ডিম দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিরোধী দল এবং অভিভাবকদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন যে ছাত্রছাত্রীদের প্রাণীজ প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হবে, এবং তাদের নিরামিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হবে।

দুপুরের খাবারের দায়িত্বে ইসকনকে রেখেও শুভেন্দু অধিকারী বুধবার ঘোষণা করেছেন যে পড়ুয়াদের জন্য ডিম দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেছেন, এসএইচজিকে (সেল্ফ হেল্প গ্রুপ বা স্বনির্ভর গোষ্ঠী) মাধ্যমে আমরা সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন সেদ্ধ ডিম আলাদাভাবে বিতরণ করব বাচ্চাদের। ইসকন সাত্ত্বিকতা বজায় রেখে খাবার সরবরাহ করবে। এটা ওড়িশাতে প্রচলিত।

ইসকন ভারতের বহু রাজ্যে মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহ করে, এবং আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। তিনি বলেছেন, ওড়িশার স্কুলে যেভাবে আলাদা করে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ভারতের স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু করার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পড়ুয়াদের পুষ্টির দিকে নজর রাখা। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের শিশুরা মিড ডে মিলের খাবারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে।

ইসকনের পক্ষ থেকে দুধ, রাজমা ইত্যাদি খাবার পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে থাকার কথা বলা হলেও তা পশ্চিমবঙ্গের মূলত: আমিষভোজী পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের কতটা পছন্দ হবে, তা নিয়ে আলোচনা থেমে নেই।

এদিকে, বুধবার এই ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, তিনি বলেছেন, মিড ডে মিল নিয়ে যে বৈষম্য ছিল, তা আমরা দূর করেছি। আগে হাইস্কুলে মাথাপিছু মিড ডে মিলে বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা, আর প্রাথমিকে ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। আমরা প্রাইমারিতেও ১০ টাকা করে বরাদ্দ করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%