বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল বেলায় বিএফএসএর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রদর্শিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে এসব খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া খাদ্যপণ্যগুলো হলো—ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে উল্লিখিত খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে বিক্রি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএফএসএ সর্বসাধারণকে এই খাদ্যপণ্যগুলো ক্রয় অথবা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) তিনটি প্রতিষ্ঠানকে খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
খাদ্যপণ্য ও প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো-
১। ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘স্টে কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামের খাদ্যপণ্য;
২। ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য এবং
৩। আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কর্তৃক উপরে বর্ণিত তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাজার থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যসমূহকে প্রত্যাহারপূর্বক বিপণন বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এমতাবস্থায়, সর্বসাধারণকে উল্লিখিত খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ী ট্রফি হাতে ক্যাসিয়াস।
এলার পর এক কামব্যাকের গল্প লিখে বিশ্বকাপে ছুটছে আর্জেন্টিনা। এবার তুলির শেষ আঁচড় দেওয়ার পালা।
তাদের প্রত্যাবর্তন দেখে তাই বহু মানুষের মনে হচ্ছে চতুর্থ বিশ্বকাপটা আলবিসেলেস্তাদের নামেই খোদাই হতে যাচ্ছে।
এ জন্য আগামী ১৯ জুলাই স্পেনকে হারাতে হবে আর্জেন্টিনাকে। তবে নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা নয়, স্পেন বিজয়োল্লাস করবে বলে মত করেছেন ইকার ক্যাসিয়াস। স্পেন কিংবদন্তির মতে, আর্জেন্টিনার চতুর্থ নয়, স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা হতে যাচ্ছে।
ফাইনালের লড়াইয়ের আগে এভাবে মাঠ গরম করে রাখলেন ক্যাসিয়াস। সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে স্পেনের সাবেক গোলরক্ষক লিখেছেন, 'আর্জেন্টিনা, তোমাদের চতুর্থ তারকা (শিরোপা) পাওয়া হচ্ছে না! আমরা দ্বিতীয় শিরোপার দিকে এগোচ্ছি!! এগিয়ে চলো স্পেন!'
ক্যাসিয়াসের বিশ্বাস, শুধু বিশ্বকাপ নয়, ফিনালিসিমাও স্পেন জিতবে। তাই ফিফাকে দুটি শিরোপাই প্রস্তুত রাখতে বলা রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক গোলরক্ষক লিখেছেন, 'এই রোববার ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ, দুটোই আমাদের! দুটো ট্রফিই প্রস্তুত রাখো ফিফা!'
৮৪ মিনিট পর্যন্ত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ড শেষে ২-১ গোলে হারায়। কোচ টমাস টুখেলের সমালোচনাও করেছেন ক্যাসিয়াস। তিনি লিখেছেন, 'নিজেদের ভুল কৌশলের কারণে তারা ম্যাচ হেরেছে।
ওরা শেষ ৩০ মিনিট আর্জেন্টিনাকে যা খুশি তাই করার সুযোগ দিয়েছে। এটা হতে পারে না। আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল অবিশ্বাস্য হতে যাচ্ছে।'
ইংল্যান্ড গোল পাওয়ার পর নিজেদের বক্সে চলে যাওয়াকে ভীরুতা বলে উল্লেখ করেছেন ক্যাসিয়াস। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের গোলরক্ষক লিখেছেন, 'ইংল্যান্ড গোল করার পরই পিছিয়ে যায়।
এটা ভীরুতার পরিচয়। নিজেদের বক্স ছেড়ে বের হতে না চাওয়ায় একের পর এক আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার তাই হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেছেন, গণভোটে পাওয়া জনরায় বাস্তবায়ন না করে সরকার ভুল পথে হাঁটছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করার পরিবর্তে সরকার সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা থেকে সরে এসেছে।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে ১১ দলীয় ঐক্য খুলনার উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা : সাম্প্রতিক বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের পর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিএনপি শুরু থেকেই একমত ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর দলটি রাষ্ট্রপতির আদেশ, গণভোট ও জুলাই সনদের বাধ্যবাধকতা অস্বীকার করছে, যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তার দাবি, জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সরকার যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি প্রকৃত সংস্কার নয়। তিনি মন্তব্য করেন, সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক, মানববন্ধন ও বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হুসাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, জুলাই আন্দোলনের শহীদ সাকিব রায়হানের বাবা-মাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন。
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের সহায়তায় যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব।
কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এবং ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারে একযোগে সফরের মাধ্যমে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত মানবিক কার্যক্রমগুলো পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে যান।
আজ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সফরকালে প্রতিনিধিরা মানবিক সহায়তাকারী সহযোগী সংস্থা, রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগণের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সময়ে তারা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) সেবা প্রদানকারী প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন।
দুই দেশ সম্মিলিতভাবে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ইন্টিগ্রেটেড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এফোর্ট (আইএসডিই) ইত্যাদি বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ৭.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সংগঠিত ‘যুক্তরাজ্য-সৌদি আরব কৌশলগত সহায়তা সংলাপ’-এ এই তহবিলটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০০৫ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে একটি যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর করার পর, এই সফরটি সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার গভীর মানবিক অংশীদারিত্বের একটি প্রতিনিধিত্ব করে।
ওই বিবৃতিতে উল্লিখিত হয় যে, দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও ইয়েমেনে মানবিক সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সফরকারী প্রতিনিধিদল মানবিক সংস্থাগুলি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি জানার সুযোগ পান, কীভাবে এই কর্মসূচিগুলো জরুরি সেবা পৌঁছাচ্ছে, জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।
কেএসরিলিফ-এর অপারেশন ও প্রোগ্রাম বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন আলী আল-বাইয বলেন, তার সংস্থা যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর সাথে অংশীদারিত্বকে উচ্চমূল্য দেয়।
আল-বাইয জানান, তারা এফসিডিও এর সাথে সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেন কারণ এটি সুবিধাবঞ্চিত জনগণের ক্ষমতায়ন করতে একসাথে কাজ করেছে। যুক্তরাজ্যের সাথে এই অংশীদারিত্ব রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগণের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করেছে।
এটি কার্যকর ও সহানুভূতিশীল মানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট লাঘব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদের যৌথ প্রতিশ্রুতিই পুনর্ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী, স্থানীয় জনগণ এবং অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা পৌঁছানোতে কেএসরিলিফ-এর সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে যুক্তরাজ্য গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, এই সফর আমাদের মানবিক অংশীদারিত্ব ও সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারের প্রকাশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ