মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত দাম উচ্চতর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খাদ্য সরবরাহে বিভিন্ন সমস্যা, পরিবহন খরচের বৃদ্ধি, যুদ্ধ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। ইউক্রেনের বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববাজারে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে শস্য পরিবহনের অবকাঠামোতে হামলার কারণে গমের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় কিছু জাহাজকে আফ্রিকা ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এর ফলে পরিবহন খরচ বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরো জটিলতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার রপ্তানিও ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদন, কাটা এবং বাজারে পৌঁছে দেওয়ার খরচ বাড়ছে।
এছাড়া আবহাওয়ার পরিবর্তনও খাদ্য উৎপাদনের জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। এল নিনোর প্রভাবে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে খরা আরো তীব্র হতে পারে। এতে গম, চালসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে গমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এশিয়ার প্রধান চাল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ। এসব দেশে চালের মজুত যথেষ্ট থাকার পরও দাম বেড়েছে।
আগে শস্যের বড় মজুত ও ভালো ফলনের কারণে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলেও বাজারে তার প্রভাব কিছুটা কমানো যেত। তবে বর্তমানে সেই সুযোগ কমে আসছে। স্থানীয়ভাবে ভালো ফলনের কারণে যেসব বড় আমদানিকারক দেশ আগে বিশ্ববাজার থেকে পণ্য কেনা কমিয়েছিল, তারা আবার কেনাকাটা শুরু করতে পারে। এতে চাহিদা বাড়বে এবং দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো সতর্ক করে বলেছেন, ২০২৬ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিকে খাদ্যবাজারে চাপ আরো বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি পুরো ২০২৭ সালজুড়ে চলতে পারে।
তার মতে, আগের মজুত ও ভালো ফলন এত দিন বাজারকে কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। কিন্তু সেই সুরক্ষা এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পথে পণ্য পরিবহনের খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।
কাঁচামালের দাম বাড়ায় খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। তাদেরকে বেশি দামে কাঁচামাল কিনতে হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি, পরিবহন এবং শ্রমিকের খরচও বাড়ছে। এসব বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর পড়তে পারে।
বিশ্ববাজারের পাশাপাশি ইউক্রেনেও পণ্যের দাম বাড়ছে। তবে সব পণ্যের দাম একই হারে বাড়ছে না। ইউক্রেনের সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আগস্টের তুলনায় দেশটিতে ভোক্তাপণ্যের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে খাদ্যপণ্য এবং কোমল পানীয়ের দাম আগের মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময় ডিমের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। তবে ফল ও সবজির দাম কমেছে।
দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রতি কেজি বাকউইটের গড় দাম বেড়ে ৮০ দশমিক ৯৫ হৃভনিয়ায় দাঁড়িয়েছে। সেদ্ধ চালের দাম বেড়ে হয়েছে প্রতি কেজি ৬১ দশমিক ৩৭ হৃভনিয়া। অন্যদিকে, কাউনের দাম কমে প্রতি কেজি ৫৬ দশমিক ২০ হৃভনিয়া নেমেছে। ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম গ্লাভকম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপে সরবরাহের ঘাটতির কারণে ইউক্রেনে বিভিন্ন ধরনের বেরির দামও বাড়ছে। এ ছাড়া দেশটিতে উৎপাদিত টমেটোর পাইকারি দাম বেড়েছে। রাজধানীর পাইকারি বাজারে লাল, গোলাপি এবং মাটিতে উৎপাদিত টমেটোর দাম বেড়েছে।
ইউক্রেনে খাদ্যপণ্যের দাম আগামী দিনে কতটা বাড়বে, তা কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে। এর মধ্যে রয়েছে ফসলের ফলন, দেশের ভেতরে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন খরচ এবং পরিবহনব্যবস্থা। বিশ্ববাজারে শস্য ও তেলবীজের দামও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ছাড়া জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং সারের দাম বাড়লে ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদন খরচ আরো বেড়ে যেতে পারে। ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তিত হলে আমদানি করা পণ্য এবং বিদেশি কাঁচামাল দিয়ে তৈরি পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
পরিবহনব্যবস্থায় বিঘ্ন কতদিন থাকে এবং প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোতে আবহাওয়া কেমন থাকে, তার ওপরও বাজারের পরিস্থিতি নির্ভর করবে। নতুন ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়া মজুতের ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে দাম আরো বাড়তে পারে।
একই সময়ে বড় আমদানিকারক দেশগুলো বিশ্ববাজারে ফিরে এসে শস্য কেনা বাড়ালে চাহিদার ওপর চাপ তৈরি হবে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের দশকাহনিয়া এলাকায় তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলার অপর দুই আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার লাভলু মিয়া (৪৯) ওই এলাকার জয়তুল্লাহর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাটিয়াপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে ভালো বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান লাভলু মিয়া। এ জন্য সাইফুলের পরিবারের কাছ থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। পরে সাইফুলকে সৌদি আরবে পাঠানো হলেও প্রতিশ্রুত চাকরি ও বেতন নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।
এ অবস্থায় সাইফুলকে দেশে ফিরিয়ে আনতে তাঁর পরিবার লাভলু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আরও ১৬ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় লাভলুর লোকজন সাইফুলকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধা দেন এবং তাঁকে জিম্মি করে রাখেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বাদী হয়ে লাভলু মিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরপুর আদালতে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে লাভলু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, মানবপাচার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ টি পরিবারের মাঝে পরিবার প্রতি ২ বান ঢেউটিন ও গৃহ নির্মাণের জন্য ৬ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এ মুহিত, এমপি।
আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী স্থপতি ফাহমিদা মুহিত, সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ ফরিদুল ইসলাম, শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইকাবাল হোসেন হিরু,সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক নওশাদ সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম রাজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আল-আমীন হোসেন, সোনাতনী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রুবেল রানা ছাত্রদের আহ্বায়ক আল-মামুন জুয়েল প্রমুখ। এ কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত ও পুনর্নির্মাণে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ঢেউটিন ও গৃহ নির্মাণের চেক বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ লাঘব ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্য রাখবেন। ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু এই জনসভাকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নগরীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাবেন। পরে বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্য প্রদান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সড়ক সংস্কার ও সড়ক বিভাজকে রং করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জনসভা উপলক্ষে মাদ্রাসা মাঠে একটি বড় মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, "বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রপ্রধান হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাতে কখনো রাজশাহী আসেননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছেন। তিনি তাদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি জনসভায় রাজশাহীবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা হবে ঐতিহাসিক।"
মিজানুর রহমান মিনু আরও জানান, জনসভায় রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা, রাজশাহী-কলকাতা, রাজশাহী-ঢাকা ও রাজশাহী-চট্টগ্রাম রুটে সরাসরি তিনটি ট্রেন চালু এবং রাজশাহী বিমানবন্দরে কার্গো বিমান চলাচলের ব্যবস্থা করা।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র উপকমিশনার গাজিউর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে বিমান অবতরণের স্থান, ভিআইপিদের যাতায়াতের পথ, ধর্মসভা মন্দির, সার্কিট হাউস ও জনসভাস্থলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ৪০০টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে রাজশাহীতে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে সামরিক বাহিনীর বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা (রাধা গোবিন্দ মন্দির) পরিদর্শন করেন। এরপর দুপুরে রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেবেন। জনসভা শেষে বিকালে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জে এম সেন হলের রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতে ঢাকায় ফিরবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে কলা দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. আঃ খালেকের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শিশুটির বাবা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের বোকার বাইদ (নতুন বাজার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত আঃ খালেক ওই এলাকার মৃত বসু চকদারের ছেলে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির বাবা মো. আলমগীর হোসেন পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক। কাজের প্রয়োজনে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সুযোগে প্রতিবেশী আঃ খালেক শিশুটিকে কলা দেওয়ার কথা বলে নিজের বাড়ির একটি ঘরে ডেকে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও মেয়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় তার মা মোছা. আকলিমা খাতুন খোঁজ করতে খালেকের বাড়িতে যান। সেখানে কাউকে দেখতে না পেয়ে ঘরের টিনের দরজার বাইরে থেকে শব্দ শুনতে পান তিনি। পরে দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে শিশুটির পোশাক খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করতে দেখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় আকলিমা খাতুন চিৎকার করলে এবং দরজার ছিটকানি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত খালেক ছিটকানি খুলে পালিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটির বাবা ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি মধুপুর থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
এ ধরনের অভিযোগ শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, শিশুটির নিরাপত্তা ও মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ