০৮:৫৭ এম
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছে ইরান। এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে তাদের অর্থনীতিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’। এর উদ্দেশ্য হলো ইরানের তেল, সোনা এবং প্রযুক্তি সহ আয়ের সব উৎস বন্ধ করে দেওয়া। তবে তেহরান এসব নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নয়।
কয়েক দশক ধরে ইরানিরা এমন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে পরিচিত। এটি তাদের কাছে পুরোনো গানের তালে নাচার মতো একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও সাধারণ মানুষের মধ্যে এবং রাজনীতিকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। কারণ, দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং জিনিসপত্রের দাম চড়া। স্থানীয় মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে, ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বেড়ে যাচ্ছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ একটি বার্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাকারী ইরানি দলের প্রধান ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমেরিকানদের এসব অর্থহীন কথায় কেউ বিশ্বাস করবে না। তার মতে, অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র নেই। ইরানের বাণিজ্য অংশীদাররাও মার্কিন বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব নিষেধাজ্ঞা মূলত তেহরানকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা। তবে তারা নিজেদের অধিকার ছাড়বে না এবং প্রতিরোধ ও ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি মিত্রদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে বলেছেন। তবে এসব সত্ত্বেও ইরান মাথা নত না করার সিদ্ধান্তে অবিচল রয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজা চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করলেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন