সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৪ পি.এম
কৃষকের মাঠে ফসলের হাসি ফোটাতে দিনরাত ছুটে চলেন তারা। কখনো কাদামাটি মাড়িয়ে, কখনো রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে পৌঁছে দেন কৃষকের দোরগোড়ায়। কৃষকের জমি পরিদর্শন, সরকারি প্রনোদনা বিতরণ কিংবা কৃষি বিভাগের নানা কর্মসূচি- সবখানেই তাদের হাতে থাকে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে। কিন্তু কৃষির সেই চাকা সচল রাখা মানুষগুলোর নিজেদের সংসারের চাকা যেন থমকে গেছে। ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলা কৃষি অফিসে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ পাওয়া গাড়ি চালকেরা একটানা প্রায় এক বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না। তারা নিয়মিত কাজ করছেন, কিন্তু মাস শেষে তাদের পরিশ্রমিক মিলছে না।
ঝিনাইদহ সদর, মহেশপুর, শৈলকুপা, কোটচাঁদপুর ও হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া গাড়ি চালকরা এমন সংকটে রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কৃষি অফিসের গাড়িচালক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। শুরুতে একটি প্রকল্পের আওতায় বেতন পেতেন। চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময় বেতন পেতে দেরি হয়েছে, এমনকি বেতন বন্ধ থাকার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত টানা বেতন বন্ধ। আব্দুর রাজ্জাক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউনিয়নের ধানহাড়িয়া-চুয়াডাঙ্গা গ্রামে বাস করেন। বর্তমানে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের গাড়ি চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। একটি মেয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ছে এবং একটি ছেলে মাত্র ১৬ মাস বয়সী। সংসারের আয় বলতে এখন স্ত্রীর দর্জির কাজ থেকে পাওয়া সামান্য অর্থ। বেতন বন্ধ থাকার কষ্টের কথা বলতে গিয়ে আব্দুর রাজ্জাক আবেগাপ্রবণ হয়ে পড়েন।
তিনি বলেন, “২০১৩ সাল থেকে চাকরি করছি। এত বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছি। বেতন দেরি হয়েছে, বেতন বন্ধ ছিল তারপরও চাকরি ছেড়ে দিইনি। কারণ এই চাকরিটাই আমার পরিবারের ভরসা। কিন্তু ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে এক টাকাও বেতন পাইনি। প্রতিদিন অফিসের গাড়ি নিয়ে বের হই, কর্মকর্তাদের নিয়ে মাঠে যাই, কৃষকের কাছে যাই। অথচ নিজের সন্তানদের জন্য ঠিকমতো খাবার বা প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দিতে পারি না।” তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়েটা পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। তার স্কুলের খরচ আছে, পড়াশোনার খরচ আছে। ছোট ছেলেটার বয়স মাত্র ১৬ মাস। ওর জন্যও কত কিছু দরকার। মেয়েটা কিছু চাইলে অনেক সময় বলতে হয়- এখন না, পরে দেব। কিন্তু সেই 'পরে' আর আসে না। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে?”
স্ত্রীর দর্জির কাজের কথা উল্লেখ করে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আমার স্ত্রী সেলাইয়ের কাজ করে। ওই আয় দিয়ে কোনোভাবে সংসার চালাচ্ছে। একদিকে বাজারের খরচ, অন্যদিকে সন্তানদের পড়াশোনা- সব মিলিয়ে খুব কষ্টে আছি। ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। মানুষের কাছে হাত পাততেও লজ্জা লাগে। আমরা তো কাজ করছি, আমাদের বেতনটা চাইছি; কারও দয়া চাইছি না।” তার ভাষায়, “সারাদিন অন্যের সংসারের কাজ সচল রাখতে গাড়ি চালাই। কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গেলে কৃষকের কাজ হয়, কৃষকের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে। কিন্তু দিন শেষে যখন নিজের ঘরে ফিরি, তখন মনে হয়- আমার সংসারের চাকা কেন চলছে না? গাড়ির চাকা থামলে ঠিক করা যায়, কিন্তু সংসারের চাকা থেমে গেলে সন্তানদের মুখের দিকে তাকানো খুব কঠিন।” আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, “আমরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। বেতন পাব- এই আশায় এতদিন ধরে কাজ করছি। এখন শুধু চাই, আমাদের বেতন চালু করে বকেয়া বেতনগুলো পরিশোধ করা হোক।”
শুধু আব্দুর রাজ্জাক নন, জেলার অন্য উপজেলা কৃষি অফিসে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া গাড়ি চালকদের একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় কেউ দোকানে বাকি করছেন, কেউ স্বজনের কাছ থেকে ধার করছেন, আবার কেউ পরিবারের খরচ মেটাতে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজছেন। গাড়ি চালকেরা জানান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি, কৃষকের জমি পরিদর্শন, সরকারি প্রনোদনা বিতরণ এবং কৃষি কার্যক্রম বাস্তবায়নে নিয়মিত তাদের গাড়ি চালাতে হয়। সরকারি দায়িত্ব পালনে কোনো ঘাটতি না থাকলেও বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে দীর্ঘসূত্রতা।
শৈলকুপা উপজেলা কৃষি অফিসারের চালক শফিকুল ইসলাম বলেন, “বেতন না পাওয়ায় দোকানে বাকি হয়েছে, মানুষের কাছ থেকে ধার করতে হয়েছে। সন্তানদের প্রয়োজন মেটাতে না পারলে একজন বাবার যে কষ্ট হয়, সেটা ভাষায় বলা যায় না। অফিসের গাড়ি ঠিকমতো চলার জন্য যেমন জ্বালানি লাগে, আমাদের সংসার চালাতেও তো টাকার প্রয়োজন। আমরা কাজ করছি, তাই আমাদের প্রাপ্য বেতনটুকু সময়মতো পাওয়াই আমাদের দাবি। আমরা কারও কাছে সাহায্য চাই না। শুধু চাই, যে কাজ করছি তার ন্যায্য পারিশ্রমিক যেন পাই এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ করা হয়।”
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, “আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া গাড়ি চালকদের বেতন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় তারা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা খুবই নিম্নআয়ের মানুষ। মাসের পর মাস বেতন না পাওয়ায় তাদের সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনার খরচ, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা- সবকিছুই কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই তাদের কষ্ট আমাদের চোখের সামনে দেখতে হচ্ছে। একজন মানুষ সারাদিন দায়িত্ব পালন করার পরও যদি মাস শেষে তার পারিশ্রমিক না পান, তাহলে তার পরিবারের ওপর কী ধরনের চাপ পড়ে, সেটা সত্যিই বেদনাদায়ক। আমরা বিষয়টি নিয়ে নিজেরাও উদ্বিগ্ন। দ্রুত তাদের বকেয়া বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা হলে এই অসহায় মানুষগুলোর পরিবারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গর্তে হাত দেওয়ার পর অজ্ঞাত প্রাণীর কামড়ে আড়াই বছরের একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার সকালে উপজেলার চরহেয়ারে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চরহেয়ারে পরিবারের অস্থায়ী বসতঘরের পাশে খেলাধুলা করছিল রাইসা মনি। খেলাধুলার এক পর্যায়ে সে একটি গর্তে হাত দিলে, গর্তের ভেতরে থাকা কোনো প্রাণী তার হাতে কামড় দেয়। এতে শিশুটি চিৎকার করতে করতে মায়ের কাছে চলে যায়।
শিশুটির মা কামড়ের স্থান দেখে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত চিকিৎসার জন্য রাঙ্গাবালী উপজেলা সদরের দিকে রওনা হন।
কিন্তু চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু ঘটে। নিহত রাইসা মনি রাকিব মল্লিকের কন্যা। তাদের মূল বাড়ি রাঙ্গাবালীর সেনের হাওলা গ্রামে অবস্থিত। রাকিব মল্লিক মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং বর্তমানে চরহেয়ারে পরিবারের অস্থায়ী বসতিতে বসবাস করছেন তারা।
স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটিকে সাপ কিংবা কোনো বিষাক্ত পোকামাকড় কামড় দিয়েছে। তবে কী প্রাণী তাকে কামড় দিয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সোমবার সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করেছেন, কেক কেটে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উজিরপুর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগি সংগঠনের ব্যানারে একটি ঘরের রুমের মধ্যে বসে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুরের বরাকোঠা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম হেলাল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জালিছ মাহামুদ শাওন, উপজেলা যুবলীগ নেতা মো. শাওন বালী, শোলক ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, বামরাইল ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল হাওলাদার, যুবলীগ নেতা ওসমান তালুকদার, জল্লা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. আসলাম, জল্লা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি অমল রায়, সহ-সভাপতি নয়ন হাওলাদার, শোলক ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুন হাওলাদার।
তবে এই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য উল্লেখিত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিটি নম্বর বন্ধ থাকায় কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে থানার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, উজিরপুরের কোথাও প্রকাশ্যে এ ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়নি। কেউ ঘরের মধ্যে বসে লুকিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কিনা, সে ব্যাপারে থানার কাছে কোন তথ্য নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা নিশ্চিত করেছে সূত্রটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিএসও নেটওয়ার্ক পাইকগাছা এর প্রকল্প অবহিতকরণ সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার সকালে খুলনার পাইকগাছা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) হলরুমে আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি অ্যাড. এফএমএ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এবং প্রতিভা সরকার বিকাশের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হক, পাইকগাছা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন হেলভেটাস বাংলাদেশের এনাবল প্রকল্পের কর্মকর্তা শাহরিয়ার মান্নান।
এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওয়াহিদ মুরাদ, সাবেক অধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ মন্ডল, অধ্যাপক জি এম আজহারুল ইসলাম, চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম কেরু, শেখ খোরশেদুজ্জামান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা বেগম ও ক্যাশিয়ার মহানন্দ অধিকারী, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, আলাউদ্দীন রাজা, মুক্তা বিশ্বাস সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
সভায় প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরিশাল জেলার সভাপতি আকন কুদ্দুসুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই বিষয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাগধা মাতৃসদন ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. আবুল হোসেন লাল্টুর সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আলোচনা করা হয়, কীভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় সচল করে স্থানীয় জনগণকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা যায়। বিশেষভাবে, প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসাসেবা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বক্তারা তাদের মতামত প্রকাশ করেন।
বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, বাগধা মাতৃসদন ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র একসময় স্থানীয় জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতো। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে বাগধা ও আশপাশের এলাকার মানুষ এ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু হলে বিশেষ করে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। ১৯৬৭ সালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ তালুকদারের উদ্যোগে বাগধা মাতৃসদন ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরের স্মারক নং-৪২০২/২০২৬, তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর অফিস মেমো অনুযায়ী, পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন সাত সদস্যের অ্যাডহক ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মো. এজাজ মিয়া, মুক্তা বেগম, সেলিনা খানম ও মায়া বেগম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ