ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আটোয়ারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকট দীর্ঘদিন ধরে


আটোয়ারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকট দীর্ঘদিন ধরে

দীর্ঘ প্রায় ২যুগ ধরে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটসহ বিভিন্ন প্রকার সমস্যা বিদ্যমান। স্বাস্থ্য সেবা জনগণের মৌলিক অধিকার হলেও এখানে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, হাসপাতালের টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের প্রচণ্ড ভিড়। বহির্বিভাগে চিকিৎসকদের সামনে দীর্ঘ লাইনের সারি দেখা যায়। গড়ে প্রতিদিন ৮শ থেকে ৯শ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। জরুরি বিভাগেও প্রায় প্রতিদিন একশ থেকে দেড়শ জন রোগী সেবা নিতে আসেন। সম্প্রতি, আটোয়ারী উপজেলার প্রায় দেড় / দুই লক্ষ মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান আশ্রয়স্থল ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। বর্তমানে ৪০টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন চিকিৎসক। ৩য় শ্রেণীর অনুমোদিত ৭২ জন পদের মধ্যে ৩০ জন এবং ৪র্থ শ্রেণীর ৩০ জন পদের মধ্যে ২২টি পদ শুন্য রয়েছে। ডাক্তার ও জনবল সংকটের কারণে প্রতিনিয়ত হিমশিম ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকসহ সেবাপ্রার্থীরা। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে সর্বোচ্চ ১০৪ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি থাকার খবর পাওয়া গেছে। বাড়তি রোগীদের হাসপাতালের বারান্দার মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।

তবে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ব্যবহার করা হলেও তা অপ্রতুল। হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনসহ আধুনিক মানের প্যাথলজিক্যাল ল্যাব রয়েছে। জরুরি এক্স-রে সহ অধিকাংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালে করা যায়, তবে টেকনিশিয়ান পর্যাপ্ত না থাকায় ল্যাবের একজন টেকনিশিয়ানকে সেবা দিতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি সহ অপারেশন থিয়েটার থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। ২০২১ সালের শেষের দিকে সিজারিয়ান কার্যক্রম চালু হলেও, ২০২৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। এই দুই বছরে আটোয়ারী হাসপাতালে প্রায় শতাধিক সিজারিয়ান রোগী সহ ২৫৫টি সার্জিক্যাল অপারেশন করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। বন্ধের কারণ হিসেবে জানা গেছে, হাসপাতালে সার্জিক্যাল ডাক্তার ও অ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার না থাকায় অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রাখা হয়েছে।

সিজারিয়ানসহ সকল অপারেশন চালু থাকলে, এলাকার গরিব অসহায় পরিবারগুলোর সময় ও অর্থ দুটোই বেঁচে যাবে বলে অনেকে এ প্রতিবেদককে জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির তীব্র জনবল সংকট রয়েছে। স্বল্প জনবল নিয়ে আমরা আমাদের সাধ্যমতো রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪, পুলিশের জিম্মায় গাড়ি

চিকিৎসকসহ অন্যান্য জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি পর্যাপ্ত জনবল পেলে অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সহ সেবার মান আরও বৃদ্ধি করা যাবে। একমাত্র হাসপাতালের সকল প্রকার সংকট নিরসনের জন্য উপজেলার সাধারণ মানুষসহ এলাকার সুধীজন পঞ্চগড়-১ আসনের এমপি সহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সকল উর্ধতন ব্যক্তিদের সু-নজরের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে জয় নামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৮ পি.এম


টঙ্গীতে জয় নামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন স্থানে জয় (২৩) নামের এক যুবককে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে জয় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহত যুবক জয় টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তির সিরাজুল ইসলামের পুত্র।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে জয় বাসায় ফিরছিলেন। টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পৌঁছানোর পর আগে থেকেই ওৎপেতে থাকা কয়েকজন যুবক তার ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জয়কে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এক পর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় জয় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জয়কে উদ্ধার করেন। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করতে পারেনি। তবে প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নূর আলম হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীর মৎস্য জীবিরা জীবিকার তাগিদে শামুক তুলে বিক্রি করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


রাজশাহীর মৎস্য জীবিরা জীবিকার তাগিদে শামুক তুলে বিক্রি করছেন

রাজশাহীর তানোর উপজেলার শিব নদীতে মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মাছের অভাবের কারণে স্থানীয় মৎস্য জীবিরা জীবিকার তাগিদে শামুক তুলে বিক্রি করছেন। এর ফলে, প্রকৃত মৎস্য জীবি পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নদীতে সারা দিন শামুক তুলে একেক জন মৎস্য জীবি ২ শ' টাকা থেকে আড়াই শ' টাকা উপার্জন করছেন। এই অর্থ দিয়ে সংসার চালাতে তারা হিমসিম খাচ্ছেন।

এলাকাবাসী ও মৎস্য জীবিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তানোর উপজেলার শিব নদী পাড়ের মালশিরা, মাদারীপুর, রঘুনাথপুর ও বাতাসপুর গ্রামের প্রায় ৪ শতাধিক জেলে পরিবার রয়েছে। তারা সাধারণত এই নদীতে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্যান্য বছর এ নদীতে মাছের দেখা মিললেও, এ বছর একদম মাছ নেই। ফলে, জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে তারা শামুক তুলছেন।

তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউপির বাতাসপুর মৎস্য জীবি পাড়ার প্রকৃত মৎস্য জীবি হাবিল আলী বলেন, "এক সময় এই নদী মাছে ভরপুর ছিল। গত বছরও কিছুটা মাছ পাওয়া গেছে। কিন্তু এবছর একদম মাছ নেই। জীবিকার তাগিদে ৪ জন থেকে ৫ জন জেলে দলবদ্ধভাবে সারা দিনে ৫ থেকে ৬ বস্তা শামুক তুলছেন। প্রতি বস্তা শামুক ১৮০ টাকায় বিক্রি করছেন। একজন মৎস্য জীবি দিনে ২শ' টাকা থেকে আড়াইশ' টাকা উপার্জন করছেন।"

পারিশো বাতাসপুর গ্রামের মিরাজ নামের আরেক মৎস্য জীবি জানান, বর্তমানে পানি কমে যাওয়া, অবৈধভাবে দখল ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে নদীতে মাছের উৎপাদন কমে গেছে। ফলে, জেলেরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাল ফেলেও মাছ পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে তারা নদী ও বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করছেন। তিনি বলেন, "এক সময় এই বিলের প্রচুর মাছ পাওয়া যেত এবং মাছের মেলাও করা হতো। কিন্তু সেই দিন এখন আর নেই।"

এলাকার মৎস্য জীবিরা জানান, এই শামুকগুলো হাঁসের খাদ্য এবং চুন তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য বাজারে বিক্রি করা হয়। শামুক বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায়, তা দিয়েই কোনোরকমে সংসার চলছে তাদের। বাতাসপুর গ্রামের ওবাইদুর রহমান সুজন বলেন, "প্রকৃত মৎস্য জীবিদের একমাত্র ভরসা এই শিব নদী। এবছর নদীতে মাছ নেই। আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিকল্প কোনো কাজও নেই। দুরবিসহ জীবন যাপন করছেন মৎস্য জীবীরা।" শিতলী পাড়ার মৎস্য জীবি বিশু বলেন, "শিব নদীর কোথাও মাছ নেই। এমনকি বিল কুমারী বিলেও মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। গত বছর ডিসেম্বর মাসের দিকে বিল কুমারী বিরে মাছ না পেয়ে শামুক তুলে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়েছে। বিল কুমারী বিলে অন্য বছরগুলোতে এই সময়ে যে পরিমাণ মাছ পাওয়া গেছে, তার ৪ ভাগের ১ ভাগও মাছ এখন পাওয়া যাচ্ছে না। বিলে পানি আছে কিন্তু তেমন মাছ নেই। সারা দিনে ৫শ' টাকারও মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।"

সচেতন মহল বলছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এবং অবৈধ চাইনা দুয়ারী জালের অবাধ ব্যবহারের কারণে দেশীয় প্রজাতির ছোট ছোট বাচ্চা মাছ অবাধে স্বীকার করার ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। দীর্ঘদিন আগে বিল কুমারী বিলে তৈরি অভয়াশ্রম সংস্কার না করায় বিলে পানি থাকে না। অন্য বছরগুলোতে এই সময়ে শিব নদী ও বিল কুমারী বিলের মাছে ভরপুর থাকতো, কিন্তু এখন আর তা দেখা মিলছে না।

তবে, তানোর উপজেলার খাস পুকুরগুলো মৎস্য জীবি সমবায় সমিতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে লীজ দেয়ার নীতি মালা তৈরি করা হলেও এর সুফল পাচ্ছেন না প্রকৃত মৎস্য জীবিরা। সমিতির সভাপতিরা ওই সমিতিগুলো প্রভাবশালীদের কাছে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করে নিজেদের লাভবান করছেন। আর প্রকৃত মৎস্য জীবিরা হচ্ছেন বঞ্চিত। একাধিক মৎস্য জীবি সমিতির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এমন তথ্য। তারা কেউ কোনো পুকুর চাষের সঙ্গে জড়িত হতে পারছেন না। এব্যাপারে তানোর উপজেলা মৎস্য অফিসার সাজু চৌধুরী বলেন, "শিব নদীর পানি কমে যাওয়ায় মাছও কমে যাচ্ছে। বিল কুমারী বিলের অভয়াশ্রম সংস্কারের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রকৃত মৎস্য জীবিদের তালিকা তৈরি করে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য অনেককেই গরু দেয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুজানগরে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলার বিক্রির হিড়িক, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


সুজানগরে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলার বিক্রির হিড়িক, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

চলতি মৌসুমে পাবনার সুজানগর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো সবরিকলা বিক্রির ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, এই সব কলা খাওয়ার ফলে অনেকেই পেটের পীড়া এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

সুজানগর পৌর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক মন্তব্য করেন, "এক শ্রেণির অসাধু কলা ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার জন্য কাঁচা কলা কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে গাছপাকা হিসেবে বিক্রি করছেন।" স্থানীয় ভোক্তারা জানাচ্ছেন, ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো ওই কলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে, তা খেয়ে অনেকেই পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কলা ব্যবসায়ীরা বাজারের আশপাশের গুদামে কাঁচাকলা রেখে রাতের অন্ধকারে তাতে কেমিক্যাল প্রয়োগ করেন। এর ফলে কলা দ্রুত পেকে যায়। কেমিক্যাল মিশিয়ে পাকানো ওই কলা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সকালে এবং বিকালে অবাধে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াসিম খান সতর্ক করে বলেন, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা শিশু-কিশোরদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তিনি উল্লেখ করেন, শিশু-কিশোররা এই কলা খেয়ে পেটের পীড়া, কিডনি সমস্যা, লিভার সমস্যা এবং ব্লাড ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান জানিয়েছেন, শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কলা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ছয়জন অটোরিকশা চোর আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

খায়রুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


গাইবান্ধায় ছয়জন অটোরিকশা চোর আটক

গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে চোরাই অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৬জন সক্রিয় সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. দুপুরে সদর থানার ভবানীপুর এলাকার পাকা রাস্তার ওপর থেকে তাদের গ্রেপ্তার ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে তুলসীঘাট বাজারের একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনে থেকে এক চালকের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম অটোরিকশাটি চুরি হয়ে যায়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ অভিযানে নামে।
আজ দুপুর ২টার দিকে ভবানীপুর সংলগ্ন পাকা রাস্তার ওপর চোরাই অটোরিকশাটি সহ মূল অভিযুক্ত মো: রাকিব হাসান (৩০) এবং তার পেছনে বসা সহযোগী আরও ৪ আসামিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুপুর ২:২০ মিনিটে চুরির গাড়িটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং চুরির ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় চুরির মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আজই তাদের বিজ্ঞ আমলী আদালতে (সদর) সোপর্দ করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলহাজতে রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%